

"মা আমার, তুমি গাল ফুলিয়ে নিলে বাবা কষ্ট পায় তো।" রাত বাবার গালে আঙুল ছুঁইয়ে জানতে চাইল, "কুতায় বেতা কলে?" মায়ার্দ্র মেয়ের ছোট ছোট আঙুলগুলো একটা একটা করে চুমু খেল। নিজের গাল দেখিয়ে দেয়। রাত ফটাফট চুমু খেল। প্রশ্ন করে আধো আধো বুলিতে, "ইকুনু আচে বেতা?" "হুম, অনেক। বেশি করে আদর দাও।" মায়ার্দ্রের লোভী আবদার। রাত বাবাকে আদর করল। তারপর কোমরে দুই হাত রেখে গাল ফুলিয়ে বলল, "তুমি কতা লাকোনি।" পিহু মুখ এগিয়ে নিয়ে মেয়ের ফুলো গালে চুমু খেয়ে বলে, "বুড়ির পাকা পাকা কথা শোনো।" "তোমার আম্মু ছাড়ছিল না।" মায়ার্দ্রের জবাবে রাত চোখ ছোট করে মায়ের দিকে চায়। পিহু মেয়ের রাগী চোখের কবলে পড়ে ঠোঁট উল্টে নিল। রাত মায়ের গলা জড়িয়ে ঠোঁটে চুমু দিয়ে পাকনা পাকনা কথা আওড়ায়, "তাক কাদে না। লাত বববে (বকবে) না।" পিহুর অধরে হাসির ছড়া ভাসে। মেয়েটা এত আদুরে কথা বলতে পারে!
"There is nothing new to say about Mayadra, he has always been one of my absolute favorite characters. With Adra, Musa, and Rahul—along with their partners and children—the story has turned out to be simply amazing. Again big thanks to Nahid broo, you are so good."
এই উপন্যাসের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর অসাধারণ চরিত্র সৃষ্টি। লেখক প্রতিটি চরিত্রকে মাংস-রক্তের মানুষ হিসেবে নিখুঁত মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা দিয়ে গড়ে তুলেছেন। মায়ার্দ্রের চরিত্রটি এককথায় অনবদ্য, রহস্যময় এবং তীব্র আকর্ষণীয়। তার চোখ, তার চলন-বলন এবং তার ভেতরের অন্ধকার দুনিয়া পাঠককে শুরুতেই এক সম্মোহনী জালে বন্দি করে। সে এমন এক চরিত্র, যার তীব্র জেদ এবং অতিরিক্ত অধিকারবোধ (Obsessive Possessiveness) প্রথম দেখায় ভীতিকর মনে হলেও, পিহুর প্রতি তার গভীর ও উগ্র ভালোবাসা পাঠককে তার প্রতি এক অদ্ভুত সহানুভূতি ও ভালোবাসায় মগ্ন করতে বাধ্য করে। সে অন্ধকারের রাজা, যে তার ভালোবাসার জন্য সমস্ত সামাজিক ও নৈতিক গণ্ডি ভেঙে ফেলতে দ্বিধা করে না। পিহুর চরিত্রটি গল্পে এক পবিত্র আলোর মতো। মায়ার্দ্রের তীব্র অন্ধকার ও সর্বগ্রাসী আবেগের সামনে পিহুর মানসিক দ্বন্দ্ব, ভয়, প্রতিরোধ এবং একই সাথে এক অবাধ্য আকর্ষণের কাছে হেরে যাওয়ার গল্পটি লেখক অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন। পিহুর ভেতরের মানসিক টানাপোড়েন এবং তার বিবর্তন গল্পটিকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে। তাদের দুজনের মধ্যকার অনস্ক্রিন রসায়ন বা কেমিস্ট্রি ছিল এককথায় "Electrifying"। মায়ার্দ্রের প্রতিটি স্পর্শ, প্রতিটি জেদ আর পিহুর ভেতরের কম্পন—পাঠকের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট লেখক নাহিদ রহমানের লেখনী শৈলী নিয়ে আলাদাভাবে না বললেই নয়। উনার শব্দচয়ন, বাক্য গঠন এবং দৃশ্য বর্ণনা করার ক্ষমতা এককথায় জাদুকরী। একটি ডার্ক রোমান্টিক থ্রিলারে যে ধরণের থমথমে অথচ রোমান্টিক আবহ তৈরি করা প্রয়োজন, লেখক তা খুব নিখুঁতভাবে করতে পেরেছেন। প্রতিটি আবেগের বহিঃপ্রকাশ, চরিত্রের ভেতরের ক্ষত এবং তাদের মানসিক হাহাকার মায়াবী ভাষার মাধ্যমে পাঠকের মনের গভীরে গিয়ে আঘাত করে। ডার্ক এলিমেন্টগুলোকে তিনি যেভাবে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু অ্যাকশন বা রোমান্স নয়, মানুষের অবচেতন মনের তীব্র আবেগ ও জেদের এক নিখুঁত মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।।
Read all reviews on the Boitoi app
There is nothing new to say about Mayadra, he has always been one of my absolute favorite characters. With Adra, Musa, and Rahul—along with their partners and children—the story has turned out to be simply amazing. Again big thanks to Nahid broo, you are so good.
সুন্দর লেখছেন ভাইয়ু তয় একটু বেশি খোলামেলা হয়ে গেছে
এই মায়ার্দ্র বেডারে আমার এতো ভালো লাগে কেন?? যত পড়ি ততই পড়তে মনে চায়। নাহিদ ভাই কি যে একটা চরিত্র বানাইলো আমি তো শেষ। এই বেডারে নিয়ে আরও ১০-১২ টা ই-বুক লিখলে আমি মনের আনন্দে সেগুলো কিনে পড়বো, এতো ভালো লাগে এই বেডারে। নাহিদ ভাই আপনার রোমান্টিকতার লেভেল এতো হাই, কী বলি! ডার্ক ফ্যান্টাসির গুরু আপনে। এক কথায়, বেস্ট ছিলো বেস্ট। 😫❤️🔥☠️
অসম্ভব সুন্দর এবং ডার্ক রোমেন্সময় গল্প🌚 স্পেশালি মায়ু বয়🌚🌚
সুন্দর ছিলো অসম্ভব সুন্দর। ডার্ক লিখলেও এত সুন্দর গুছিয়ে লিখা যায় এটা না পড়লে জানতাম না।বাচ্চাদের খুনশুটি গুলোও দারুন ছিলো তারপর কথার ছলে মায়ান্দ্রকে নাজেহাল করাটা ওভার অল অসাধারণ হয়েছে বস।
বলার ভাষা সত্যি নেই অত অত সুন্দর
waiting for next-generation
বইটি সুন্দর সম্পর্ক গুলো সুন্দর। আমার নিষ্পাপ মন ওদের কাহিনি টা আরো বড় আাকারে দেখতে চায়। আমি মায়ান্দ্র এর তিনটা বই ই পড়েছি। তবে ওদের বাচ্চাদের কাহিনি টা বড় হইলে বুঝি আমি সেটাও মন দিয়ে পড়তাম 🙂। লেখকের কছে আমার আবেদন থাকবে তার একজন পাঠক হিসাবে। যদি সম্ভব হয় এই গল্প টাই নয়তো সেম মানে পারিবারিক বন্ধন টা সেম রেখে বা কিছুটা মিল রেখে হলেও নতুন কিছু উপহার এর প্রত্তাসা রইলো। এই বইয়ে সব চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বাচ্চাদের চরিত্র গুলো 😐 যদিও এরা দুষ্ট তাও।
আপনার লেখার মধ্যে যে রোমান্সের মায়া, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আপনার প্রতিটি শব্দে ভালোবাসার কোমলতা, আবেগের গভীরতা আর এক অদ্ভুত আকর্ষণ ফুটে ওঠে। আপনি যেভাবে প্রেমের অনুভূতিগুলোকে এত সুন্দরভাবে প্রকাশ করেন, তা পাঠকের মনে এক আলাদা অনুভূতি তৈরি করে। আপনার লেখা পড়লে মনে হয়, ভালোবাসার প্রতিটি মুহূর্ত যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠছে। আপনার কলমে আছে এমন এক জাদু, যা সাধারণ অনুভূতিকেও অসাধারণ করে তোলে। আপনার রোমান্টিক লেখার প্রতিটি লাইন হৃদয়ের গোপন কথাগুলোকে ভাষা দেয়। আপনার সৃষ্টি শুধু পড়া যায় না, অনুভব করা যায়। আপনার রোমান্সের জগৎ পাঠককে মুগ্ধ করে, ভালোবাসার এক সুন্দর স্বপ্নের মধ্যে নিয়ে যায়। ❤❤