

“আদিত্য, প্লিজ…” আদিত্য একদম ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বলল, “প্লিজ কী?” সে হাত বাড়িয়ে ফিহার ভেজা গালে আঙুল ছোঁয়াাল। আদিত্যের স্পর্শে ফিহার শরীরটা মৃদু কেঁপে উঠল। “নিচে সবাই আছে…” আদিত্য কানের কাছে ঝুঁকে ফিসফিস করে বলল, “তাতে আমার কী? দরজা লক করা, আর এখন তুমি পুরোপুরি আমার নিয়ন্ত্রণে।” সে ফিহার দুটো কবজি শক্ত করে ধরে দেওয়ালে চেপে ধরল। ফিহা ছটফট করে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করল, কিন্তু আদিত্যের বাহুবন্ধন পার হওয়া সহজ নয়। আদিত্যের কণ্ঠে কামনার গাঢ় গুঞ্জন। “ইউ হ্যাভ নো ফাকিং আইডিয়া হাউ রিডিকুলাসলি সেক্সি ইউ লুক রাইট নাও।” জল আর উত্তাপ মিলে ফিহার গাল দুটো লাল হয়ে উঠছে। “স্টপ ইট... তুমি বড্ড খারাপ!” আদিত্য ঠোঁটে মৃদু হাসি টেনে বলল, “তা তো অবশ্যই। কিন্তু এই খারাপ ছেলেটাকেই তো তুমি ভালোবাসো, তাই না?” পরমুহূর্তেই সে ফিহার ঠোঁট দুটো নিজের দখলে নিয়ে নিল। শাওয়ারের ধারায় ভিজতে ভিজতে চুমুর তীব্রতা বাড়তে লাগল। ফিহা প্রথমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও আদিত্যের আগ্রাসী ভালোবাসার কাছে দ্রুতই সমর্পণ করল নিজেকে। আদিত্য চুমু থামিয়ে, চোখ দুটো ফিহার চোখে রেখে বলল, “সে ইউ ফাকিং ওয়ান্ট মি।” “না... বলব না…” “বলো ফিহা... জাস্ট সে ইট।” কথাটা বলেই সে ফিহার গলার ভাঁজে মুখ ডোবাল। জলের ফোঁটাগুলো তাদের দুজনকেই একাকার করে দিচ্ছে। ফিহা কাঁপাকাঁপা গলায় বলল এবার, “আই... আই ওয়ান্ট ইউ…” আদিত্য বাঁকা হেসে ফিসফিস করে বলল, “গুড গার্ল…”
ইয়ে মানে হামিংবার্ড বইয়ের পাবার আসায় কিনে পড়ে পেলছি গল্পটা আসলে সুন্দর ছিলো☺️🌸
Read all reviews on the Boitoi app
অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে♥️♥️ how romantic 🫣🫣 এইরকম আরো সুন্দর সুন্দর গল্প উপহার দিও আমাদেরকে দোয়া রইলো তোমার জন্য আমার প্রিয় লেখিকা🥰🥰
গল্পটি অসাধারণ হয়েছে