

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ইরান সরকারকে কেন উৎখাত করেছে সিআইএ? গত চার দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র কেন ইরানকে নিজেদের অন্যতম শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে আসছে? ট্রাম্প প্রশাসনের 'সর্বোচ্চ চাপ' কৌশল কি ফলপ্রসূ হয়েছে? নাকি খুব শিগগিরই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র? 'সিআইএ ইন ইরান'-এ সাবেক সিআইএ অফিসার জন সি. কিরিয়াকো ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক গ্যারেথ পোর্টার ব্যাখ্যা করেছেন, কীভাবে আর কেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে; কিংবা 'ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান' প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৪০ বছর ধরে এমন বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে! গ্রন্থকারদ্বয় গত ৪০ বছর ধরে চলমান মার্কিন-ইরান দ্বন্দ্বের অন্তরালের কাহিনি তুলে ধরেছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল মিথ্যাচারের যুক্তি খণ্ডানো যায়। এই বইয়ে আছে- ইরান কীভাবে নিপীড়ক ব্রিটিশ ও রাশিয়ান সাম্রাজ্যবাদের মোকাবিলা করেছে, যাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল দেশটির সম্পদ। এছাড়াও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রাথমিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক। বইটিতে আরও পাবেন : ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের পক্ষ নিয়ে ১৯৫৩ সালে মোসাদ্দেক সরকার উৎখাতে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইরানি জনগণের আশা ও স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেয়, যারা রাষ্ট্রীয় তেল সম্পদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল! এরপর ইরানের বিরুদ্ধে সাদ্দাম হুসেইন সরকারের ভয়ংকর রাসায়নিক যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সমর্থন দেয় যুক্তরাষ্ট্র।