

আলুথালু পায়ে ভেজা শাড়ি পড়ে ঘরে ঢুকলো কঙ্কণা। জোসেফ খাটের সঙ্গে হেলান দিয়ে বসে আছে। ভেজা জুবুথুবু শরীরে ঘরে প্রবেশ করা মাত্র জোসেফ মুগ্ধ হলো কঙ্কণাকে দেখে। কাউকে এতোটা মোহনীয় কি করে লাগতে পারে? সর্বত্র, সর্বজনের মাঝে এই একজন মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। কিন্তু তার কাছে যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে সেটা সম্পুর্ন আলাদা। একদম আলাদা। সে জানে আজ কঙ্কণা তাকে আলাদা কিছুর সংঘাতে ফেলবে। কিন্তু তবুও সে দেখতে চাইছে কঙ্কণা মুখ দিয়ে শেষ পর্যন্ত কথাটা বের করতে পারে কি না। জোসেফ খাট থেকে উঠে দাঁড়িয়ে কঙ্কণার কাছে এলো। কঙ্কণার চোখ প্রচন্ড রকমের লাল হয়ে আছে। কঙ্কণা ভেজা শাড়ী খুলে শাড়ি বদলে নিলো। জোসেফ স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো। কষ্ট পাবে তবুও তাকে ছাড়ার বন্দোবস্ত করবে। তাচ্ছিল্যের হাসি হাসলো জোসেফ। কঙ্কণার অতিব নিকটে গিয়ে বললো, 'আজ আপনার লজ্জা করলো না একটুও? আমার সামনেই শাড়ী বদলে ফেললেন?' জবাব দিলো না কঙ্কণা। হেলে পড়লো জোসেফের বুকে। তার অতিব প্রিয় কাজ জোসেফের বুকের লোমশ সমূহকে প্যাঁচানো। বুকে মাথা রেখে হাত দিয়ে প্যাঁচাচ্ছে আবার ছাড়াচ্ছে। কি জানি, আর কখনোই কি এভাবে এই মানুষটার বুকে মাথা রাখতে পারবে? জোসেফ নিশ্চুপে কঙ্কণার ভেজা চুলে নাক ঘষলো। 'আপনি কষ্ট পাচ্ছেন যে কাজের জন্য সেটা কেন করতে চাইছেন?' কঙ্কণা জোসেফের বুক থেকে মাথা উঠালো। ওর দুই ঠোঁট কাঁপছে। অশ্রুসিক্ত লোচনে জোসেফের দিকে তাকিয়ে থাকে শুধু।
কেমন লাগলো তা বুঝাতে পারব না ঠিক ভাবে।তবে আমার কাছে মনে হলো রহস্য পুরো খুলেনি। রহস্য পুরো খুললে আরও ভালো লাগতো।
Read all reviews on the Boitoi app
সবটাই কেমন মাথার উপর দিয়ে গেলো। কঙ্কনা আর জোসেফ এর জুটিটা ভালো লাগলো। যাক সবশেষে সুন্দর ছিলো
লেখিকা রাউফুন এর প্রথম ই-বুক অসাধারণ চমৎকার গল্প 💕আশা করি সামনে আরো সুন্দর ই-বুক আসবে☺️
লেখিকার প্রথম ই'বুক হিসেবে খুবই দুর্দান্ত লিখেছেন। এরকম আরও সুন্দর ই'বুক আশা করি পাবো লেখিকার কাছ থেকে।☺️