

শত বছরের পুরনো এই অশ্বত্থ গাছ! কত শত স্বাক্ষী হয়ে আছে। পুরো বিকেলটা কেটে যেত এর নিচে- গোল্লাছুট, হাডুডু, কানামাছি আরো কত কি খেলা হতো! কাজল'দাটা যে কি দুষ্ট ছিল, ঐ যে জটা সাধুটা এসে আস্তানা গেড়েছিল- ললাটে লাল তিলক, হাতে ত্রিশূল, ওরে বাবা,সে কী হুংকার! সবাই ভয়ে পালিয়েছিলাম। কাজল'দা কী চাল চেলেছিল কে জানে? জটা সাধু তার ঝোলাটা রেখেই পালিয়েছিল। শুনেতো আমরা হেসেই কুটি কুটি। এরপর ঘটলো আরেক বিপত্তি- দুপুরে নাকি জোড়া সাপ গাছের নিচে খেলা করে। তাই সবার দুপুরে ওদিকে যেতে মানা। দুষ্ট রবিন বলেছিল, "তাহলে বিকেলে কেন সাপ দেখি না? " আরে বোকা তখন সাপ গর্তে ঢুকে যায়। এমন ভাবে বলত কাজল'দা, যা বলত তাই বিশ্বাস করতাম। স্কুলে যাবনা বলে এক সকালে- মা পিঠে ধুমা ধুম কিছু কিল বসিয়ে দিল। বই আর সিলেটটা নিয়ে, হেচকি দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে এক দৌড়ে চলে এসেছিলাম অশ্বত্থ গাছের নিচে। পাশে যে ভাংগা চোরা মন্দিরের অবশিষ্ট ছিল- তার এক কোণে বসে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
বইয়ের প্রত্যেকটা কবিতা অসম্ভব ভালো লেগেছে। এক বসায়-ই শেষ করলাম বইটি। ইতোপূর্বে লেখিলার অনেক গল্প পড়েছি, কিন্তু কবিতার বই এই প্রথম। তবে কবিতা পড়ে মনে হলো লেখিকার কবিতা লেখার হাতও দারুণ। মাঝেমধ্যে তো মনে হয়েছে গল্পের চেয়ে কবিতা লেখার হাত বরং আরো বেশি ভালো। সবাই বইটি পড়ে দেখতে পারেন, ভালো যে লাগবে এ নিশ্চয়তা দিতেই পারি, যদি আপনি একজন কবিতা প্রেমী হোন। লেখিকার জন্য শুভকামনা রইল।
Read all reviews on the Boitoi app
প্রিয় লেখিকা জেসমিন সুলতানা আপুর লেখা নিয়মিত পড়া হয়। আপুর লেখার ভক্ত আমি। আপু যে এত দারুণ দারুণ কবিতাও লিখেন এটা আমার জানা ছিল না। অসাধারণ সব কবিতা। প্রতিটি কবিতা অর্থবহ এবং সুন্দর। মৃত্যু কবিতাটি একটু বেশি ভালো লেগেছে। লেখিকা আপুর জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা ও শুভকামনা ❣️❣️
প্রতিটি কবিতা যেন এক একটা জীবনের প্রতিচ্ছবি। রাসুল(সাঃ) নিয়ে কবিতাটা ভীষণ ভালো লেগেছে। তদন্ত কবিতাটা বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। সংগ্রহে রাখার মতো একটা বই। লেখিকাকে অনেক ধন্যবাদ।
খুব ভালো, লেখাগুলো পড়ে খুব ভালো লাগলো। আপনারাও পড়ুন, ভালো লাগবে
প্রতিটি কবিতা একটি বার্তা বহন করেছে যা মন ছুঁয়ে যায়।