

একটা মেয়ে একটা ছেলেকে খুব ভালোবাসতো। ছেলেটাও মেয়েটাকে ভীষণ ভালোবাসতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে দুজনের দিনগুলো বেশ কাটছিল! হঠাৎ মেয়েটার বাড়ি থেকে খুব জরুরি তলব আসে। বাড়ি খুব বেশি দূরে নয় ঢাকা থেকে রসুলপুর গ্রাম। ট্রেনে করেই যাওয়া যায়। মেয়েটা বাড়ি যাবে বলে ছেলেটার কাছ থেকে বিদায় নেয়। কিন্তু বাড়ি গিয়ে মেয়েটি দেখে তার বিয়ের আয়োজন চলছে। তার বিয়ে হবে ঠিক পরদিন। পাত্র পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা, একজন ডিবি সদস্য। বাবাকে প্রচন্ড ভয় পাওয়া মেয়েটি একটা বারো মুখ ফুটে বলতে পারে না বিয়েতে আমার সম্মতি নেই। আমি আরেকজন কে ভালোবাসি । মেয়েটার মোবাইল ফোনটাও নিয়ে নেয় ছোট খালা। এই অবস্থায় ছোট বোনের মোবাইল থেকে ফোন করে ছেলেটাকে। ঠিক করে সে পালিয়ে যাবে। অবশেষে বিয়ের রাতেই পালিয়ে যায় মেয়েটি। ছেলেটা মেয়েটাকে নিতে ও আসে। কিন্তু ট্রেন স্টশনে অপর এক নারীর সাথে দেখা হয় মেয়েটির। সে রহস্যময়ী, মেয়েটিকে একটা লাগেজের দেখভাল করতে দিয়ে ওয়াশরুমে যাবে বলে চলে যায়। এদিকে ট্রেন চলে আসে, বাবা আর হলে ও হতে পারতো স্বামীর ধাওয়া খেয়ে লাগেজ সহই এই জুটি ট্রেনে উঠে। আর তারপর লাগেজ নিয়েই ঢাকা যায়। লাগেজ যখন খুলে তখন আবিষ্কার করে একটা লাশ। পরমা সুন্দরীর লাশ। এখান থেকেই কাহিনী শুরু। মেয়েটার নাম জরি, ছেলেটার নাম পাভেল! গল্পে কি ঘটল?গিরগিটির সাথে গল্পের সম্পর্ক কি! জানতে চাইলে পড়ে ফেলুন গল্পটি।
"দূর্দান্ত! রুজহানা সিফাতের ভৌতিক গল্প আমার ভালো লাগে। এই বইয়ের প্রচ্ছদ আর নাম দেখে ধরেই নিয়েছিলাম এটা জম্পেশ একটা হরর হবে। কিন্তু, পড়তে পড়তে বুঝলাম এটা থ্রিলার! শুধু থ্রিলারই না, অনবদ্য একটা গল্প। মনে হচ্ছিল রহস্যের রোলার কোস্টারে চড়ছি... এই বইটা হার্ডকপি হওয়ার দাবী রাখে।"
বেশ ভালো লেগেছে। কোর্টরুম ড্রামা বেশ সুন্দরভাবেই উপস্থাপন করেছেন। রহস্যটাও বেশ চমৎকারভাবে ছড়িয়েছেন আবার বেশ দক্ষতার সাথেই সমাধান দেখিয়েছেন।
Read all reviews on the Boitoi app
দূর্দান্ত! রুজহানা সিফাতের ভৌতিক গল্প আমার ভালো লাগে। এই বইয়ের প্রচ্ছদ আর নাম দেখে ধরেই নিয়েছিলাম এটা জম্পেশ একটা হরর হবে। কিন্তু, পড়তে পড়তে বুঝলাম এটা থ্রিলার! শুধু থ্রিলারই না, অনবদ্য একটা গল্প। মনে হচ্ছিল রহস্যের রোলার কোস্টারে চড়ছি... এই বইটা হার্ডকপি হওয়ার দাবী রাখে।