

বিচ্ছেদ মানেই কি সব শেষ হয়ে যাওয়া? নাকি কিছু ভালোবাসা দূরত্ব পেরিয়েও থেকে যায় হৃদয়ের গভীরে? মানুষ ভুল করে। কিন্তু সব ভুল কি ক্ষমাহীন? তাউরীদ ও তন্দ্রা—দুই অসমাপ্ত নাম, দুই অপূর্ণ গল্প। তাদের প্রেম হারিয়েছিল এক ভুলে, জমেছিল কিছু অভিমান, আর হয়েছিল নীরব বিচ্ছেদ। তারপর দুজনেই উড়েছিল ভিন্ন ভিন্ন স্বপ্নের আকাশে— কেউ ইঞ্জিনিয়ার হয়ে শহরের কাঠামো গড়েছে, কেউ আর্কিটেক্ট হয়ে এঁকেছে স্বপ্নের নকশা। তবু সফলতার মাঝেও, রাতের নিঃসঙ্গতায় ফিরে এসেছে পুরোনো স্মৃতি। কারণ অতীত কখনও পিছু ছাড়ে না। কিছু মানুষকে ভুলে থাকা যায়, কিন্তু হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যায় না। সব বিচ্ছেদ কি চিরস্থায়ী? নাকি কিছু ভালোবাসা সময়ের পরেও ফিরে আসার পথ খুঁজে নেয়? ভাঙা সম্পর্কের পুনর্জন্ম, নিঃসঙ্গতার বিরুদ্ধে দুই মানুষের লড়াই আর দ্বিতীয়বার ভালোবাসার সাহস—এই গল্প সেই পুনর্মিলনের।
"তোমার লেখা বরাবরই অসম্ভব সুন্দর হয়। এটাও সুন্দর ছিল। তোমার লেখা পড়ে ভীষণ ত্প্তি পায়।দরিয়া কূলে চন্দ্রশোভা ফেসবুকে পড়িনি।কিন্তু এখানে পড়ে মিষ্টি একটা অনুভূতি হলে ।রিদ তন্দ্রার জুটি টা ভীষণ সুন্দর ছিল। ঝগড়া খুনসুটি মিলিয়ে আদর আদর জুটি ছিল। আর ওরিও কথা কি বলবো ও সবচেয়ে বেশি আদুরে ছিল 😘 গল্পের নাম টা ভীষণ ভীষণ সুন্দর । নাম টা স্নিগ্ধ একটা অনুভুতি আনে।চন্দ্রশোভা নামের বাড়ি টায় প্রিয় মানুষকে নিয়ে কাটানোর জন্য বেস্ট একটা জায়গা।অবশেষে সব কিছু কে পিছনে রেখে রিদ তন্দ্রার মিলন হলো আর তাদের ভালোবাসার পূর্ণতা হিসেবে তাদের মেয়ে 🤎🤎 পুরো গল্প টা ভীষণ সুন্দর ছিল আপু🤎🫶"
#রিভিউ #ইবুক #দরিয়া_কূলে_চন্দ্রশোভা লেখনীতে- রোজা রহমান নাইমা এই ইবুক টা আপুর থেকে গিফট পেয়েছিলাম। তারপর এটা ঈদ পরেই একবারে পড়ে শেষ করেছি। তাউরীদ আর তন্দ্রা ফেসবুকেও আছে #তমসায়_নীল_দরিয়া এটা আমার এখনো পড়া হয় নাই তবে #দরিয়া_কূলে_চন্দ্রশোভা পছন্দের তালিকায় চলে এসেছে। ই-বুক এর প্রতিটা চরিত্র কে এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছে পড়ার সময় মনে হয়েছে সেখানে আমি নিজেই উপস্থিত আছি। প্রতিটা চরিত্রই পছন্দের তালিকায় চলে এসেছে। প্রিয় জুটিদের বর্ণনা - তাউরীদ - ওহে নীল চোখের পুরুষ তোমার প্রজাপতির সাথে সাথে আমিও তোমার প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছি। তোমার প্রজাপতির সব বোকা বোকা পাগলামি ভুল মাফ করেও যে তুমি সব শেষে দূরত্ব গুছিয়ে প্রজাপতি কে তোমার করেই নিলে এটা আমি বার বার পড়ি আর মুগ্ধ হয়। নীল চোখের পুরুষ কে যতবার পড়া হবে ততবারই মুগ্ধ হতে হবে। তন্দ্রা - বোকা নারী। তাউরীদের বোকা প্রজাপতি যে কিনা নিজের আত্মসম্মান টা আগে দেখেছে। তাউরীদের প্রজাপতির জায়গা অন্য কেউ নিবে ভাবলে কি করে? প্রজাপতির জায়গা প্রজাপতিরই আছে সারাজীবন। আফিফা - এই চরিত্র টা সব থেকে পছন্দের। মা হও তো এমনই হও। যে কিনা সন্তানের মনের ভাষা সন্তানরা বলার আগেই বুঝে যায়। নিজের সই এর মেয়েকে কখনো আলাদা চোখে না দেখা। এক কথায় এই চরিত্রটা বেস্ট বেস্ট। লিরা-তৌকির ঃ- এই দুটি চরিত্র ও ভীষণ পছন্দের। তৌকির সাহেবের সাশ্রয়ী হওয়া আবার লিরার দুষ্ট মিষ্টি ঝগড়া ভীষণ ভালো লেগেছে। এদের দুজনকেও বার বার পড়তে মন চাই। কাজিন মহল- কাজিন মহলে সবাই কে ভালো লেগেছে তবে রোহানের চরিত্র টা একটু ও পছন্দ হয় নাই। তুরফা কে যদি ভালোইবাসে তাহলে অন্য নারীর সাথে কেন এত ঘনিষ্ঠ হবে? ঘনিষ্ঠ হওয়ার পরেও বলে আমি ভার্জিন আমি তুরফাকেই চাই মানে সে সবদিক থেকেই চায়। এই রোহান চরিত্র টা অসহ্য লেগেছে। বন্ধুমহল- তাউরীদের বন্ধুদের ব্যক্তিত্ব অসাধারণ। এরা যেভাবে বন্ধুর পাশে থেকে সব কিছুতে বন্ধুকে সাপোর্ট করা সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে। কমলা সুন্দরী - সুন্দরী তো অসাধারণ চরিত্র। আমি চাই উনাকে আবারও আপু অন্য কোনো ই-বুক অথবা ফেসবুকে নিয়ে আসুক। তাশবীহ- চন্দ্রশোভার চাঁদ। হ্যাপি ফ্যামিলিতে তাশবীহ'র গুরুত্ব অপরিসীম 😂। লেখিকা---- রোজাপু ব্যক্তিত্ব বরাবরই আমায় মুগ্ধ করে। আপুর প্রতিটা গল্পের শব্দচয়ন মনোমুগ্ধকর। প্রত্যেকটা চরিত্র কে এত সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলে সবার প্রেমেই হাবুডুবু খেতে হয়। তবে #দরিয়া_কূলে_চন্দ্রশোভা আরও পড়তে মন চায়। এটুকুতে মন ভরে নাই। আমি চাই আবার ও এদের নিয়ে আসা হোক। অশ্লীলতা বাদেও যে চরিত্র ফুটিয়ে তোলা যায় তোমার থেকেই শিখা উচিৎ। তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসা আপু। সুস্থ থাকো। (নোট-অনেক আগেই রিভিউ দেওয়া উচিৎ ছিলো তবে এর আগে কখনো কোনো ই-বুক বা ফেসবুকের গল্পের রিভিউ দেই নাই। কেমন হীনমন্যতায় ভুগছিলাম যে কি লিখবো কেমন হবে। এটাই প্রথম রিভিউ। যাকে বলে এটা দিয়েই হাতেখড়ি হলো। আমি গুছিয়ে লিখতে পারি না এলোমেলো হতে পারে ভুল ত্রুটি মাফ করবেন।)
Read all reviews on the Boitoi app
তোমার লেখা বরাবরই অসম্ভব সুন্দর হয়। এটাও সুন্দর ছিল। তোমার লেখা পড়ে ভীষণ ত্প্তি পায়।দরিয়া কূলে চন্দ্রশোভা ফেসবুকে পড়িনি।কিন্তু এখানে পড়ে মিষ্টি একটা অনুভূতি হলে ।রিদ তন্দ্রার জুটি টা ভীষণ সুন্দর ছিল। ঝগড়া খুনসুটি মিলিয়ে আদর আদর জুটি ছিল। আর ওরিও কথা কি বলবো ও সবচেয়ে বেশি আদুরে ছিল 😘 গল্পের নাম টা ভীষণ ভীষণ সুন্দর । নাম টা স্নিগ্ধ একটা অনুভুতি আনে।চন্দ্রশোভা নামের বাড়ি টায় প্রিয় মানুষকে নিয়ে কাটানোর জন্য বেস্ট একটা জায়গা।অবশেষে সব কিছু কে পিছনে রেখে রিদ তন্দ্রার মিলন হলো আর তাদের ভালোবাসার পূর্ণতা হিসেবে তাদের মেয়ে 🤎🤎 পুরো গল্প টা ভীষণ সুন্দর ছিল আপু🤎🫶
এক কথায় অসাধারণ একটি গল্প। এর সৌন্দর্যের বর্ণনা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। রীদ তন্দ্রার জুটি ছিল দারুন তাদের সৌন্দর্য আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে অরিও।শব্দ চয়ন বরাবরের মতোই অসাধারণ।
Nice and Attractive রোজা আপু 🥹😍😍🫡
Next😂😂😂
আহা!শুরুতেই বলি গল্পের নাম টা ভীষণ সুন্দর হয়েছে। রিদ,তন্দ্রা আমার কাছে এমনিও স্পেশাল। কি ছিলো না এই গল্পে ভালোবাসা,অভিমান,দুরত্ব।তবে সব কিছু ছাপিয়ে ভালোবাসা ই জীবন্ত। রিদ এর তার প্রজাপতির প্রতি ভালোবাসাটা মুগ্ধ করেছে। আর শেষ এ দরিয়া কূলে ওদের চন্দ্রশোভা, ওদের ভালোবাসার চিহ্ন তাশবীহ্। শব্দ চয়ন থেকে প্রতিটি মূহুর্ত ওয়াও ছিলো। সব মিলিয়ে আমি অনেক খুশি। এভাবেই এগিয়ে যাও।আরো অনেক অনেক দারুণ গল্প উপহার দাও আমাদের।অল দ্যা বেস্ট।
প্রথমেই লেখিকার প্রথম ই-বুকের জন্য জানাই অনেক অভিনন্দন ও শুভকামনা ❤️ ★নামের যথার্থতাঃ ই-বুকটির নাম ❝দরিয়াকূলে চন্দ্রশোভা❞। মানে সমুদ্র পাড়ে চন্দ্র বিলাস এমন কিছু। গল্পটির এই নাম শেষ মুহূর্তের দিকে যেয়ে নিজের মান ধরে রেখেছে। শেষের দিকটা পড়লে বোঝা যায় কেন লেখিকা গল্পটার নাম এটা রেখেছে। ★রিভিউঃ রিভিউঃ ই-বুকটির প্রধান চরিত্রে রয়েছে তন্দ্রা আর তাউরীদ। ভালোবাসার এক যুগল। কোনো এক কারণে নিয়তি দুজনকে আলাদা করে দেয়। দুজন পারী জমায় দূর দেশে। ভালোবাসা আছে তবুও ছয় বছর পর তাউরীদ জানায় বিয়ে করবে। নায়িকা তন্দ্রার সাথে কী এমন ঘটেছিল যে এমন একটা সিদ্ধান্ত নেয়? কি এমন কারণ ছিল ওদের মধ্যে দূরত্বের? অতঃপর ভালোবাসার টানে হোক বা অন্য কিছু দুজন বুকে স্মৃতি পুষে দেশে আসে। এর পর কী ঘটেছিল? গল্পের শেষের দিকটা এতটা মনোমুগ্ধকর ছিল! ভীনদেশের কোনো এক সমুদ্র পাড়ে দরিয়া কূলে চন্দ্রশোভার বিষয় টা। এতটা চমৎকার লেগেছে আমার এই ব্যাপারটা! গল্পে আরও অনেক চরিত্র আছে। রয়েছে তন্দ্রার আদরের অরিও। ম্যাও ম্যাও! গল্পের ফ্যামিলি বন্ডিং, বন্ধুত্ব, ভাই-বোনদের খুনসুটি। কিছু কিছু কাপলের ভালোবাসার মুহূর্ত। সব মিলিয়ে ই-বুকটি চমৎকার ছিল। ★মতামতঃ ই-বুকটি পড়ে অনেক তৃপ্তি পেয়েছি। ই-বুকটি কিনে কোনো আফসোস লাগেনি। মনে হয়েছে পয়সা উসুল। সুন্দর একটা ই-বুক লেখা উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকাকে জানাই অনেক অনেক ভালোবাসা। লেখিকার লেখার দরুনই চমৎকার। লেখার মাঝে কোনো বিরক্তি কাজ করে না। এমন ভাবেই লিখে যাও। আরও এগিয়ে যাও দূর দূরান্তে। সবার মন জয় করো তার জন্য শুভকামনা রইল।
অবশেষে পূর্ণতা পেল তাওরীদ আর তন্দ্রা। আমি অনেক অপেক্ষায় ছিলাম কবে ওদের পূর্ণতা পড়তে পারব। অবশেষে পারলাম। অসম্ভব সুন্দর ছিল গল্পটা আপু।
রীদ-তন্দ্রা জুটি আমার কাছে অনেক ভালো লাগে অবশেষে রীদ ও তার প্রজাপতিকে পেলাম🌸 অসম্ভব সুন্দর হয়ছে আপু। তমসায় নীল দরিয়া গল্প টা পরে যতটা হতাশ হয়েছি দরিয়া কূলে চন্দ্রশোভা পড়ে তার চেয়ে বেশি খুশি হয়েছি🌸 তাউরিদ ও তন্দ্রার পূর্ণতা তাশবীহকে পেয়েও ভালো লাগলো। আপু তোমার জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা এভাবেই এগিয়ে যাও 💜🌸
অবশেষে শেষ করলাম।তাউরীদ আর তন্দ্রা আমার পছন্দের তালিকায় ছিলো আছে বরাবরের মতো থাকবেই।তাঁদের জন্য যেমন কেঁদেছি তেমন আবার মুগ্ধ হয়ে হেসেছি।"দরিয়া কূলে চন্দ্রশোভা"আহা নামটা কি অসাধারণ।মনে হচ্ছে এই তো আমি চন্দ্রবিলাসের সাথে সাথে তাউরীদ আর তন্দ্রার চন্দ্রশোভা অবলোকন করছি। প্রিয় জুটিদেরও বর্ণনাঃ তাউরীদঃ নীল মণির পুরুষ তোমার ঐ মণিতে তন্দ্রার সাথে সাথে আমিও যে ঢুব দিয়েছি।তুমি এত অসাধারণ কেন নীল মণির পুরুষ।কি তোমার ব্যক্তিত্ব।আমিতো ক্ষনে ক্ষনে তোমাতে মুগ্ধ হয়েছি।তোমার প্রজাপতির মতোই আমিও তোমার ঐ অসভ্য ঠোঁটকাটা কথায় বার বার মুচকি হেসেছি।সবশেষে দূরত্ব গুছিয়ে প্রজাপতিকে তোমার করেই নিলে।তুমি নামক কল্পচোখের চরিত্রটা আমার বরাবরেরই পছন্দ। তন্দ্রাঃ ওহে বোকা মেয়ে তুমি এত বোকা কেন?তোমার নীল মণির পুরুষ তোমাকে বার বার হিন্টস দিয়েছে কিন্তু তুমি বোকা মেয়ে বুঝোনি।কি হলো দুজনেই কষ্ট পেলে।তোমার ভালোবাসা তোমারই ছিলো।যা তোমার তাতে অন্যকেউর বিস্তার ঘটবে তুমি ভাবলে কি করে।তুমি যে তার প্রজাতি।নীল মণির সুদর্শন পুরুষ তোমার... শুধুই তোমার। আফিকাঃ মা হও তো তার মতো হও।কি সুন্দর সন্তানদের মনের কথা বুঝে গেছে।সন্তানের সাথে কত ফ্রী মন খুলে সব বলা যায় তাকে।এক কথায় ওনার চরিত্র আমার বেশ লেগেছে। লিরা-তৌকির সাহবেঃ ইশশশ ওনার জন্য আমার চোখে পানি চলে এসেছিলো।কিন্তু ওনাকেও আমার ভীষণ ভালো লেগেছে।তৌকির সাহেবের কিপ্টামিও উপভোগ করলাম।আজ থেকে আমিও কিপ্টে ওপপস্ সাশ্রয়ী হয়ে যাবো। কাজিন মহলঃএখানে রোহানের কান্ডটা আমার একটুও ভালোলাগেনি।সে যদি তুরফাকে এতই ভালোবাসে তাহলে অন্য মেয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ হয় কিভাবে।ওকে আমার এই জায়গাটাতে অনেক রাগ লাগছে।তাউরীদের বন্ধুদের ব্যক্তিত্বও অনেক সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে এক কথায় অসাধারণ। তাশবীহঃ আমাদের চন্দ্রশোভার চাঁদের টুকরা।এই অনুভূতিটা আমি উপলব্ধি করেছি।ফেইসবুকে #তমসায়_নীল দরিয়া-ই কি নিদারুণ কষ্ট পেয়েছিলাম।অবশেষে হ্যাপি ফ্যামিলি হয়েই গেলো তবে।আমার এতটুকু পড়ে মনে ভরেনি।আমার আরো পড়তে ইচ্ছে হচ্ছে। সবশেষে লেখিকাকে নিয়ে কিছু কথাঃ রোজা রহমান নাঈমা আমার পছন্দের একজন লেখিকা।যখন শুনি তার ফেইসবুক বাদে নতুন কোনো প্লাটফর্মে প্রিয় চরিত্র নতুন রূপে আসছে তখন থেকেই ব্যাকুল হয়ে ছিলাম কবে পাবলিশ হবে আর কবে পড়বো।রোজা আপাইয়ের লেখা সবসময় আমার মন কাড়ে।কি সুন্দর তার লেখনি আর কি মার্জিত তার শব্দচয়ন।শুনো রোজা আপু আমার এটুকুতে মন ভরেনি।আমার ইচ্ছে হচ্ছে আরো পড়ি।নীল মণির পুরুষ ও তার প্রজাপতির বৃদ্ধ হওয়া দেখতে ইচ্ছে করছে।কিন্তু সেটাটো সম্ভব না।সবশেষে বলবো অনেক অনেক সুন্দর হইছে।তোমাকে জানাই মনের গভীর থেকেও ভালোবাসা।নিরাশ করোনি তুমি আমাকে।