

‘সিটি অফ লাভ’ খ্যাত প্যারিস শহরে দিতির আগমন ঘটে ঘন শীতের দিনে। জীবন থেকে সদ্য বিদায় নিয়েছে বসন্ত; প্রেমহীন বিরহী মন নিয়ে একা প্রবাসে মেয়েটি। মাসের পর মাস পেরোয় কিন্তু ভালো করে দেখাও হয়ে ওঠে না এই শহরটাকে। নিজের জীবন, স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা সর্ম্পকে তুমূল উদাসীন হয়ে থাকে আকন্ঠ বিষাদে ডুবে থাকা দিতি। অন্যমনস্ক এমনই এক দিনে দেখা মেলে এক সুদর্শন পুরুষের। যার চোখের দিকে তাকাতেই বিভ্রান্ত হয় দিতি। সুদূর বাংলাদেশে ফেলে আসা অতীত মনে পড়ে। প্রাক্তনের সাথে কি আশ্চর্য মিল এই ফরাসির! অথচ বাদামি চুল আর ধূসর চোখের মানুষটি আচার আর মানসিকতায় ষোলআনাই ফরাসী। মতের অমিল, চিন্তায় অমিল— তবুও কি করে কি যেন বন্ধুত্বটা হয় দু’জনের। সেই শুরু। আপাদমস্তক বাঙালিয়ানায় ঘেরা দিতি এবং খাঁটি প্রেমিক রোমানের ফরাসি প্রণয়ের এই গল্পটির নাম ‘লাভ ইন প্যারিস'!
গল্পটা খুবই ভালো লাগলো।
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পটা সুন্দর। কাহিনীটাও অভিন্ন। সবচেয়ে ভালো লেগেছে রোমানের দিতি কে ডেইটি বলে ডেক ওঠাটা। আর পড়ার সময় প্রথমে দিতির আর রোমানের বিচ্ছেদের আশংকা করলেও সমাপ্তি টা মনমাতানো ছিল। ❤️
এত জোশ একটা গল্প এত দেরিতে পড়েছি। ভাবলাম অসুস্থ পড়তে পারবো না বাট পুরটা শেষ করলাম ভালো লেখেছে লেখকের প্রথম কোন গল্প পড়লাম মন ছুয়ে গেলো।
লেখকের লিখনশৈলীর সাথে পরিচয় এই প্রথম হলো । সম্পূর্ণ নতুন লেখকদের লেখার সাথে পরিচিত হতে পারা একজন পাঠকের কাছে সবসময়ই প্রিয় এবং পছন্দের কাজ । আমার জন্যেও ঠিক তাই । লেখক যেভাবে তার পটভূমি বাছাই করেছেন এবং সে অনুযায়ী দৃশ্যপট এবং ঘটনাপ্রবাহ এনেছেন তা অসাধারণ ছিল । দারুণ ভাবে শব্দচয়ন করেছেন । প্রতিটি সূক্ষ্ম বিষয়গুলো বেশ ভালো ছিল । তবে কিছু কিছু জায়গায় আবহ খানিকটা ফাঁকা ছিল । যেখানে বারবার মনে হয়েছে চরিত্র গঠন এবং তা পটভূমিতে থাকার থেকে প্রকৃতিগত ঐতিহাসিক বর্ণনা বেশি হয়ে যাচ্ছে । মূলত ঘটনাপ্রবাহে গভীরতার ছাপ আরেকটু বেশি করে আনা যেতে পারতো বর্ণনার মাধ্যমে । এছাড়া দারুণ লেখা ছিল । দারুণ ভাবে গল্পটা বয়ে গিয়েছে । বিদেশের সংস্কৃতির সাথে প্রকৃতির বর্ণনা এবং দেশের সংস্কৃতিতে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা সব মিলিয়ে বেশ ভালো ছিল, অসাধারণ চেষ্টা ।
"What is,,,,,,, pleasure to burn",,,, মনে হলো নিজেই ঘুরে বেড়াচ্ছি ভালবাসার শহর প্যারিস এর আইফেল টাওয়ার, ল্যুভর মিউজিয়াম সহ প্রতিটি দর্শনীয় স্থানে,,,, অসাধারণ অনুভূতি সম্পন্ন চমৎকার একটি গল্প,,,, হৃদয় ছুঁয়ে গেছে ফরাসী যুবক রোমান এর ভিনদেশী তরুণী দিতি রহমানের প্রতি বিশুদ্ধ ভালোবাসা,,,আপনার জন্য অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো 💞💞💞
মৌরিন আহমেদের এই লেখাটা ভিন্ন। বিষয় গতানুগতিক প্রেম নয়। একটু আলাদা ধরনের। বিদেশি প্লটের ছোট্ট একটা গল্প, টানা পড়ে শেষ করেছি। পড়তে পড়তেই রোমান-দিতির সঙ্গে ঘুরে এসেছি প্যারিসের অলি-গলিতে। ভ্রমন কাহিনী পড়তে সবসময়ই আমার আনন্দ লাগে। আর সঙ্গে মিঠেকড়া প্রেম- কাজের অবসরে সময়টা ভালো কেটেছে। ফেসবুকে লেখিকার লেখনী নিয়মিত পড়া হয়। ইবুক এই প্রথম পড়লাম। লেখার উন্নতি হচ্ছে বেশ! শব্দ চয়নে পরিবর্তন এসেছে, স্টোরি টেলিংয়ের কায়দাও পাল্টেছে। আশা রাখছি ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু দিবেন। শুভকামনা রইলো!
গল্পটা রোমান্টিক কম ভ্রমণকাহিনী বেশি বলা যায়৷ বেশিরভাগ জায়গায় প্যারিসের সৌন্দর্য, দর্শনীয় স্থান এর বিস্তারিত বর্ণনা ছিল। তার থেকে যদি রোমান-দিতির মুহূর্ত আরও থাকতো ভালো হতো। বুঝলাম যে একসাথে ঘুরতে ঘুরতে রোমান দিতির প্রেমে পড়েছে। কিন্তু কিভাবে অনুভূতি জন্মালো সেটার যদি বর্ণনা থাকতো আরও ভালো লাগতো। এমনিতে শব্দচয়ন চমৎকার। কিন্তু গল্পটা ছোট। আসল কথা হলো ওদের প্রেম কাহিনি থেকে প্যারিসের বর্ণনা বেশি হয়ে গেছে যেটা ভালো লাগেনি। বিদেশী প্লটের দেখে নির্দ্বিধায় আপনার বই কিনে ফেলেছি। আপনার 'বাতাসে বহিছে প্রেম' ও পড়েছি। ভালো ছিল। কিন্তু এটায় কিছুটা হতাশ হয়েছি।