

আমাকে ছেড়ে দিন প্লিজ। আমার এতো বড় সর্বনাশ করবেন না। সামনে থাকা লোকটার থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য এক পা দু পা করে পিছিয়ে যাচ্ছে সানিয়া। আর সামনে থাকা লোকটা এক পা দু পা করে সানিয়ার দিকে আগাচ্ছে। হঠাৎ করে লোকটা সানিয়ার হাতে সজোরে একটা টান দিয়ে ওকে বিছানায় ফেলে দিল। সানিয়া কাঁদো কাঁদো স্বরে তাকে অনুরোধ করে বলল, “ কেন এমন করছেন আমার সাথে আমি কি ক্ষতি করেছি আপনার। সামনে থাকা লোকটা সানিয়ার কথার কোন পাত্তা না দিয়ে তার শার্টের বোতাম খুলতে লাগলো।সানিয়া বিছানা থেকে উঠে যেতে নেবে তখনই লোকটা নিজের হাত দিয়ে সানিয়ার হাত দু’টোকে শক্ত করে বিছানার সাথে চেপে ধরল।সানিয়া কে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই তার ঠোঁট সানিয়ার ঠোঁটে ডুবিয়ে দিলো।
মনের ঘরে বসত করে গল্পটা যখন পড়তে শুরু করি খুব সাধারণ গল্প মনে হয়েছে। গল্পটা পড়তে পড়তে যখন গল্পের গভীররে প্রবেশ করি তখন গল্পটি প্রতি অন্যরকম অনূভুতির ছোঁয়া পাওয়া যায়। পৃথিবীতে যেমন সব ভালোবাসার পূর্ণতা পায়না ঠিক তেমন সবাই ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ভাগ্য থাকেনা। ঠিক তেমনি জারিফ সানিয়া ইমরান মিরা কারো না কারো মনের ঘরে বসত করে। কিন্তু এই গল্পের এমন একটা চরিত্র আছে তার ভালোবাসা এমন গভীর যে কোন কিছুর বিনিময়ে তার ভালোবাসা মাফকাঠির পরিমাপ করা যাবে না। সে শুধু তাকেই চেয়েছে সব কিছুর বিনিময়ে কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তার ভালোবাসা কি পূর্ণতা পেয়েছে না অপূর্ণতাই রয়ে গেলো? সেটা জানতে হলে অবশ্যই গল্পটা পড়তে হবে।তবে গল্পের নামের সাথে গল্পের এন্ডিংটা একে বারে যথাযত। আমার মনে হয়েছে আর কোন কিছুর প্রয়োজন নেই । লেখিকা ধন্যবাদ গল্পটা অতিরঞ্জিত কিছু করেনি যেখানে থামা উচিৎ ঠিক সেখানে উনি শেষ করেছেন। আশা করি সবাই পড়বেন ভালো লাগবে নিরাশ হবেন না।
Read all reviews on the Boitoi app