

"আচ্ছা, পৃথিবীর সমস্ত মায়া একটা বিধ্বস্ত মুখে এসে কখনো ঠাঁই পেতে পারে এভাবে? যাকে একবার, শুধু একবার করতলে অনুভব করার তীব্র আকর্ষণে প্রেমিক পুরুষের অন্তর পুড়ে ছারখার হয়ে যায় চোখের নিমেষে। অধিকার! চার অক্ষরের এই "অধিকার" শব্দতেই যেন পৃথিবীর সমস্ত কঠোরতা এসে ভর করেছে এই মুহুর্তে। যে কঠোরতার সামনে অমিত শক্তিধর প্রণয়ীও হাঁটু ভেঙে মাথা নোয়াতে বাধ্য হয়েছে"
তোমার গল্প বলার ধরন ভীষণ সুন্দর। শেষ পর্ব বাদে পুরো গল্পটা পড়েছি আনন্দ সহকারে। কিন্তু শেষ পর্বে এসে পুরো এলোমেলো হয়ে গেছি৷ দ্বিতীয় অধ্যায় না পড়া পর্যন্ত কিছু বুঝতে পারছি না। চাঞ্চল্যকর মূহুর্তে এসে পাঠকের তৃষ্ণা বাড়িয়ে দিয়েছ।
Read all reviews on the Boitoi app
একটা ঘোরের মধ্যে যেন ছিলাম।এক বসাতে পড়ে শেষ করলাম।লেখিকার গল্প পড়া হয়নি আগে।ফেসবুকে লেখিকার দুইটা অনুগল্প পড়ে খুব ভালোলেগেছে।লেখিকার লেখনি অসাধারন।শব্দগুলা এত সুন্দর করে গুছিয়ে লেখা মনে হয় সবটা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি।গল্পটা আসলেই সুন্দর 🖤🖤
ইশ কি সুন্দর! নীরদের কিছু না হোক🥹
মাশাআল্লাহ! সুন্দর হয়েছে। ফেইসবুকে পড়েছিলাম কিন্তু এখন আরও বিস্তারিত ভাবে এসেছে। লেখার মানও অনেক উন্নত হয়েছে। ★ পরিবারের বিরুদ্ধে বিয়ে করলো কিন্তু কয়েকদিন পরেই সেই নারী থেকে মন উঠে গেলো...নিজেরই স্ত্রীর ছোটবোনের দিকে নজর গেলো...!? শুনতে খারাপ লাগলেও,এমন ঘটনা অহরহই ঘটছে আমাদের চারপাশে...! ★ বর্তমান সময়ের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।মেয়েরা কোথায় নিরাপদ...? অনেক ভালো লাগলো... সূচনা পর্বটি।
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসাধারণ ছিল গল্পটা। লেখকের লেখনশৈলী চমৎকার হওয়ার কারণে গল্পটা পড়তে বেশ ভালো লেগেছে। গল্পের পরের অংশের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
চমৎকার হয়েছে। এই ইবুকটা আমি গিফট পেয়েছি। তোমার লেখা শব্দচয়ন দারুণ। খুব ভালো লেগেছে আমার। এমন ইবিক আরো চাই।
অসম্ভব সুন্দর,শব্দচয়ন, লেখনশৈলী। এভাবেই এগিয়ে যাও সারা🤍
সিনিন তোমার কলম চলুক আজীবন। চমৎকার লিখেছো সবসময়ের মতই।
প্রথম বই হিসেবে মোটামুটি ছিলো। প্রথমের বইয়ের প্রথম পার্ট বলা যায় এটাকে। বইটা পড়তে সময় প্রথম থেকেই কেমন জেনো চেনা চেনা লাগছিলো গল্পটাকে। যত আগাচ্ছি তত সেটা প্রখর হচ্ছে। এরসময় শিওর হলাম গল্পটা আমি চিনি। কিন্তু গল্পের নাম লেখকের নাম মনে করতে পারছিলাম না। যেহেতু অনেক অনেক আগের কথা তখন আমি যা পেতাম সব পড়তাম। লেখক গল্পের নাম অতো ম্যাটার করতো না। যাইহোক জানতে পারলার লেখকের এই চরিত্রগুলো নিয়ে আরেকটা গল্প ছিলো। সেটা আমি পড়েছি। তবে কথা হচ্ছে সেই গল্পের সাথে এই গল্পের প্লটের খুব মিল। এটা একটু খচখচ করছিলো। দ্বিতীয়ত প্রথম পার্ট শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে গেছে। নায়ক নায়িকার মধ্যেকার ক্যামেস্ট্রিটা বিল্ডআপ হয়নি। প্লটটাও স্টং হয়নি। মানে প্লট স্টং কিন্তু প্রথম পার্টে সেটা বিল্ড আপ হতে পারেনি। মনে হচ্ছিলো লেখক কোন চাপের মধ্যে দিয়ে শেষ করে ফেলছেন! এখন লেখকের জন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দ্বিতীয় পার্টে এইসব জিনিস গুলোকে তুলে আনা। নায়ক নায়িকার মধ্যকার রসায়ন, রাজনৈতিক ব্যাপার, ভিলেনের যথাযথ ব্যাবহার। এবং পারফেক্ট ক্লাইম্যাক্স। একটা রোমান্টিক এনভার্মেন্ট, একটা পলেটিক্যাল ব্যাকগ্রাউড, পারিবারিক কিছু সমস্যা, এই সব গুলোকে এক করে একটা গল্প বলতে হবে লেখককে। এটা একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ। প্রথম পার্ট মনে হয়েছে একটু তারাহুড়ো করা হয়েছে। এটাকে মাথা ঠান্ডা করে লিখলে আরো সুন্দর করা যেতো। আরেকটু ভেবে চিন্তে। দ্বিতীয় পার্টের অপেক্ষায়। লেখকের জন্য শুভকামনা। (নাদিয়া)
সূচনা ভীষণ সুখপাঠ্য ছিল। সমাপ্তির অপেক্ষায় রইলাম।