

রায়াত্রিকার বয়স ২২। একটা নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে। ছোট বেলায় বাবা-মাকে হারিয়ে মানুষ হয় মামার কাছে। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রি হলেও পরিবারের ভার এসে পড়ে ওর কাঁধে। পড়াশোনার পাশাপাশিই ধরতে হয় পরিবারের হাল। শুরু হয় টিকে থাকার লড়াই। একটা ভারী ব্যাগে নিজের দায়িত্ব এবং কর্তব্য ভরে তুলে নেয় কাঁধে। তবে, কে জানতো চাকরির বাজার একটা আন্ডার গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টের জন্য কতটা কঠিন হবে! ও পারবে' এমনই এক আত্মবিশ্বাস বরাবরই ছিলো ওর মাঝে। তাই একের পর এক রিজেকশন আসার পরেও হাল ছাড়লোনা। এই হাল না ছাড়ার মাঝেই ওর জীবনে শুরু হলো হরেক রকম মানুষের আনাগোনা। যাদের কেউ ছিলো ওর শুভাকাঙ্ক্ষী, আবার কেউ ছিলো অকল্যাণ কামনাকারী। শুভাকাঙ্ক্ষীদের যেমন ও আগলে রেখেছিলো, ঠিক সেভাবেই প্রতিঘাত করেছিলো ওর অকল্যাণ কামনাকারীদের। তবে, শেষ অব্দি কি ভাগ্যের চাকা ঘুরেছিলো রায়াত্রিকার? দেখেছিলো সুখের মুখ? নাকি একসময় পর ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দিলো। বিমুখ হয়ে গেলো জীবন থেকে। "মেঘের কোলে রোদ হেসেছে"।
আমার ফেভারিট আপু, প্রায় ২১সাল থেকে তোমার লেখা পড়ি,,প্রত্যেকটা উপন্যাস আমার পরা,,অবশেষে তোমার ই-বুক আসলো,,, পড়ার পর সত্যি বলতে ভাষা নাই এতোটা মিস্টি একটা গল্প।। রায়াত্রিকা এতো ট্রং পারসোনালিটির ক্যারেক্টর আজকের দিনে কারোর লেখাতেই খুব ইজিলি পাওয়া যায়না। বেশিরভাগ লতলত করা নায়িকা,, কিন্তু রায়াত্রিকার মতো মেন্টালিটি, স্ট্রেন্থ আমাদের প্রত্যেকটা মেয়েরই বহন করা উচিত বলে মনে করি।। আর আবির আর মোহকে নিয়ে বললে যেন শেষ হবেনা এতো এতো কিউট উফফ রসগোল্লা একদম জাস্ট খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে🥰🥰 অনেক ভালোবাসা আর শুভকামনা তোমার জন্য আপু।। খুব সুন্দর ছিলো।
Read all reviews on the Boitoi app
Khub shundor laglo