

ইলমি সাত পাঁচ না ভেবে খুঁশিতে গদগদ হয়ে নেমে পড়লো। পরপর আবরার ও নেমে দাঁড়ালো। বেশ কিছু সময় তারা হাতে হাত রেখে নির্জন রাস্তায় হাঁটলো। মাথার উপর খোলা আঁকাশ, পায়ের নিঁচে শিশিরে ভেঁজা ঘাস। কি অদ্ভুত সুন্দর সেই মুহুর্ত। আড়চোখে আবরারের পানে চাইলো, চাঁদের মিষ্টি আলোয় আবরারকে দেখলো। ইলমি ঘোর লাগানো দৃষ্টিতে বিরবির করে বললো, পৃথিবীর সুদর্শন পুরুষটা আমার স্বামী। সে আমার, একান্তই আমার, আমার এমপি সাহেব! আবরার শুনলো কথাটা হাঁসলো। চাঁদের আলোয় শ্যামবর্ণের মানুষটার হাসি মুখটা যেনো পৃথিবীর সকল সৌন্দর্য্যকে হার মানালো। ইলমি মুগ্ধ হয়ে সেই হাসি দেখলো, বললো, মাশ আল্লাহ!