

"এই বিয়েটা না হলেই ভালো হতো, স্যার। আপনাকে স্বামী হিসেবে কখনোই মেনে নিতে পারব না। বিয়েটা যে হয়ে গেছে, এখনো বিশ্বাসই হচ্ছে না আমার। সবকিছু স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে।" সাথে সাথেই পেছন থেকে উত্তর এলো, "আমি বিশ্বাস করিয়ে দিচ্ছি।" বাক্যটা কানে পৌঁছালেও তাৎক্ষণিকভাবে এর অর্থ বুঝে ওঠার সুযোগ পেলাম না। এর মধ্যেই ক্বলব স্যার আমার কাছে চলে এলেন। কাঁধে হাত রেখে আমাকে নিজের দিকে ফেরালেন। এক সেকেন্ডও সময় নেননি—দুই হাতে মুখের দুই পাশে চেপে ধরে আমার শুকনো ঠোঁটজোড়ায় এক গভীর চুমু এঁকে দিলেন। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতবাক হয়ে গেলাম। বিস্ময়ের পারদ এতটাই ঊর্ধ্বে উঠেছিল যে তাঁর প্রথম চুমুর স্বাদ, ঠোঁটের উষ্ণতা—কিছুই অনুভব করতে পারলাম না। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইলাম শুধু। ক্বলব স্যার চুমু শেষ করে ঠোঁট সরিয়ে নিতে চাইলেও পারছিলেন না। হতবাক অবস্থাতেও টের পেলাম, তাঁর হাতদুটির চাপ ক্রমেই বাড়ছে। কোমল গালদুটিতে গভীর ছাপ ফেলে আমার মুখটা আরও কাছে টেনে নিচ্ছেন, ঠোঁট বরাবর। এইরকম উষ্ণ ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে এই প্রথম পড়লাম। তারপরও বুঝে গেলাম—এই মানুষটা তীব্র তৃষ্ণায় ভুগছে। শরীরের তৃষ্ণা। নারীর দেহের কোমলতা, তার তাপ শুষে নেওয়ার জন্য যেন পাগলপ্রায়। বন্ধ চোখের অন্তরালে মনের অস্থিরতা, ঠোঁটের কম্পন, ঘন ঘন উষ্ণ শ্বাস ফেলার ভঙ্গি—সবই কামুকতার চিহ্ন। এতটা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়বেন, তিনি নিজেও বোধহয় ভাবেননি। নিজেকে সামলাতে পারছেন না, আবার পুরোপুরি বেসামালও হয়ে পড়ছেন না—এই দুই অবস্থার মাঝখানে পড়ে রয়েছেন, এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে। এই মুহূর্তে হঠাৎ আমার মনে পড়ে গেল সোয়াদ আহমেদের কথা। একদিন কথার ছলে বলেছিলেন, "পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ সে নিজেই।" ক্বলব স্যার এই মুহূর্তে নিজেকেই হারানোর সঙ্গে লড়ছেন। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কে জেতে।
কল্লব চরিত্র টি আরেকটু ধৈর্য রাখতো পারতো।অনেক টা সময় নিজে তাকে বড় হতে দেখছে তার এই আভাকে আরো ভালো করে বোঝা উচিত ছিল।
Read all reviews on the Boitoi app
খুব ভালো
শেষ হয়েও অপূর্ণ রয়ে গেলো। ভালো লেগেছে। ওদের নিয়ে সুন্দর একটা সংসার পড়তে চাই।
ক্বলব স্যারের জন্য ই-বুক টি পড়া, Ending টা ভালো হয়েছে।সবচেয়ে বিরক্তিকর লাগছে আভা আর সায়াদে কনভারসেশন গুলো, সায়াদকে আমার বখাটে লাগতো সত্যি, ক্বলব স্যার আর আভার যদি তারাতারি love হতো তাহলে ভালো লাগত না, ক্বলব স্যার আভাকে তারাতারি Accept করা ঠিক হতো না, because she deserve it, আর আভাকে আমার সার্থপর লাগছে শেষের দিকে। ক্বলবSir আর আভাকে নিয়ে ২য় পার্ট আনিও আপু পারলে।১৯-শেষ পর্ব পড়তে ভালোই লাগছে
ক্বলব চরিত্র টি ভীষণ ভাললেগেছে! লেখিকার লেখনশৈলী বরাবরের মতই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে ক্বলব আর আভার সংসার দেখতে চাই অবশ্যই!
আমি প্রথম থেকে চাই তাম আভা আর ক্বলব সম্পর্ক হোক। কিন্তু মাঝে খান থেকে আসলো সোয়াদ যদিও আমার কতখন মনে হইছে সোয়াদ পার্সোনালিটি খুব স্ট্রং । সে চাইলে সব টা সহজ হইতো যাই হোক তার কথা বাদ। এখন আমি ক্বলব আর আভার একটা দুষ্ট মিষ্টি সংসার দেখতে চাই।
Apu kollob and ava r valobase sonser ta to poria holo na apu plz oder valobase ta aia Abar lakho....
ফেসবুকে পোস্ট করা কয়েকটি পর্ব পড়ে ভেবে রেখেছিলাম ই-বুক টা পড়তেই হবে। কিন্তু সময়ের অভাবে হচ্ছিল না। শেষমেষ কেনা হলো,পড়াও.. আপুর লেখনী বরাবরই আমাকে মুগ্ধ করে, সবসময়ই অন্য ধাচের গল্প আমাদের উপহার দেয়। এই গল্পে বাবা মেয়ের ভালোবাসা টা ছিল এত আদুরে,কেমন শান্তি শান্তি লাগছিল পড়তে। তারপর ক্বলব স্যার এর ব্যক্তিত্ব এত মুগ্ধ করেছিল,আভা আর তার সম্পর্ক টাও ছিল ভীষণ সুন্দর। প্রথম থেকেই ভাবছিলাম বিয়েটা যেন ক্বলব স্যার এর সাথেই হয়,তবে এভাবে না..সম্মান এবং শ্রদ্ধার সাথেই। কিন্তু ই-বুক পড়তে গিয়ে দেখলাম সম্পর্ক টা বাজে ভাবে ঘেটে গিয়েছে, প্রথমে ক্বলব স্যার এর যে ব্যক্তিত্ব দেখানো হয়েছিল পরে তার ছিটেফোঁটাও ছিল না(এটা বাস্তবের সাথে মিলিয়ে লিখতে গিয়ে এমন হয়েছে কিনা বলতে পারবোনা) সোয়াদ আহমদ এর ভালোবাসা টা অতি নাটুকে লেগেছিল প্রথম থেকেই। গল্পটা এখনে শেষ করে ভালো করেছো,এই ঘেটে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগিয়ে হ্যাপি এন্ডিং করলে অতি নাটুকে লাগতো। আর আভার মা সম্পর্কে কিছুই স্পষ্ট করে বলেনি আপু। পরিশেষে বলবো আপুর সব গল্প সুন্দর ভাবে শুরু হলেও কিছু গল্পের এন্ডিং টা খারাপ হয়,এটাও তার মধ্যে এটা। পুরোটা চমৎকার হলেও এন্ডিং টা আমার ভালো লাগেনি।
ই বুকটি আমার কাছে অসম্পূর্ণ লেগেছে।আভা ও তার স্যার এর সংসার দেখতে চাই।
ক্বলব আর আভার মিলনটা কেনো দেখালে না আপু??😭😭😭