

গল্পটা তিমিরের। নিজের নামের মতোই অন্ধকার জীবন তার। বাবা থেকেও নেই। মায়ের মৃত্যুর পর পুরোপুরি একা হয়ে যায় তিমির।মায়ের মৃত্যু রহস্যাবৃত। তার জীবনে আলো হয়ে আসে রাকিন। কিন্তু দুজনের পথ একসময় সমান্তরাল হয়ে দুই দিকে চলে যায়। তারা কি আবার এক হবে? নাকি কিশোর জীবনের প্রেম তলিয়ে যাবে বিস্মৃতির অতলে?
"একরাশ মুগ্ধতা......লেখিকা সমস্ত নেগেটিভিটির মধ্যে পজেটিভিটিটাকে এতো সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রেখেছেন,আর সেজন্যেই গল্পটা খুব ভালো লেগেছে।শেষের রোমান্টিক অংশটা বেশ ছিল😊 বৃষ্টি আপুর জন্যে অনেক অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা।"
❤️❤️❤️❤️...
Read all reviews on the Boitoi app
একরাশ মুগ্ধতা......লেখিকা সমস্ত নেগেটিভিটির মধ্যে পজেটিভিটিটাকে এতো সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রেখেছেন,আর সেজন্যেই গল্পটা খুব ভালো লেগেছে।শেষের রোমান্টিক অংশটা বেশ ছিল😊 বৃষ্টি আপুর জন্যে অনেক অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা।
আপু,আপনি এত নিখুঁত কিভাবে লিখেন? এত এপ্রোপ্রিয়েট শব্দ, বাক্য, এত কথার পিঠে কথার টু দ্য পয়েন্ট! এত নিখুঁত করে তো চ্যাটজিপিটি ও লিখতে পারেনা!! তিমির, দিনা, দিশা, দিনার হাজবেন্ড আর বড় চাচার ক্যারেক্টরটা ভীষণ সুন্দর এঁকেছেন আপু। রাকিনকেও বেশ লেগেছে। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে গল্পের নায়িকার চরিত্রটা! ওর পার্সোনালিটির প্রেমে পরেছি আমি। জীবনের টানাপোড়েনের মাঝেও সে এত সুব্দর ব্যক্তিত্বের অধিকারী! ভীষণ মুগ্ধকর!
এই গল্পটি তিমিরের। পছন্দের পুরুষ অন্ধকারাচ্ছন্ন তিমিরের জীবনে আলো তার আসে ঠিকই কিন্তু সেটা মিলিয়েও যায়।শেষে সেই আলোয় তার জীবনের অন্ধকার সত্যিই কেটে যায় কিনা জানতে হলে পড়তে হবে এই বইটি। সহজ,সাবলীল বইটি পড়তে পড়তে কারো কারো মনে হবে এই চরিত্রটি বেশ চেনা। সবার জীবনে বাবা নামক পুরুষ বটবৃক্ষ হয় না,কারো কারো জীবনে অন্যকেউ সে স্থান দখল করে নেয়। সবচেয়ে খারাপ লেগেছে তিমিরের মায়ের জন্য। পোস্টপার্টামে ভুগে অসহায় নারী জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মেয়েকে রক্ষা করে গিয়েছেন।আহা মা! আহা মাতৃত্ব।
লেখিকার সব লেখাই আমার পড়া! “মেঘলা মন” বইটা পড়ে শুরুতে একটু মন খারাপ হলো তিমিরের জন্য, রাকিনের উপর হালকা রাগ হলো, পরে আবার তাদের খুশিতে খুশি হয়েছি। Carry on. Happy ending সবসময় ভালো লাগে। ❤️🧡💜