

দূর আকাশে থালা আকৃতির বিশাল চাঁদ। একই চাঁদের নিচে নিশ্চয়ই দাঁড়িয়ে আছে ওয়াদুদ। ও কি করছে এখন? কোথায় আছে? আবার কখন কি ঢাকায় আসবে? ভুলবশত কি আরও একবার দেখা হয়ে যেতে পারে না? অনেক অনেক বছর পর যদি হুট করে একদিন ওয়াদুদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ মিলে, তখন ঠিক কি রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে? ওয়াদুদ নিশ্চয়ই একই রকম থাকবে। সুদর্শন, সুপুরুষ, হাস্যোজ্জ্বল। অন্যদিকে বদলে যাবে সে। মলিন মুখ, স্থুলাকার শরীর, আধাখসে যাওয়া কেশ নিয়ে দাঁড়াবে ওয়াদুদের সামনে। হয়ত সাথে থাকবে জুবায়ের নামক ছেলেটি। তখন যদি ওয়াদুদ হাত বাড়িয়ে দেয়, ওর ফেরার কোনো পথ থাকবে না। আহা! নারী জীবন এমন নিরুপায় হয় কেনো? বহমান নদীর মত সবসময় বয়ে যেতে হয়। কোনো মায়া, পিছুটান, অপেক্ষার স্থান নেই নারী জীবনে। অতীতকে মুছে ফেলে বর্তমানের সাথে মানিয়ে নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে ছুটে চলে প্রতিটি নারী। ইদাফাকেও তাই করতে হবে। এর বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই।
ইদাফার জন্য ওয়াদুদ পারফেক্ট জীবনসঙ্গী। রোমাঞ্চকর যে জীবনের প্রতীক্ষা ইদাফা করেছিল, ওয়াদুদের সঙ্গে তা শতভাগ পূরণ হবে। ওয়াদুদ আসলেই ডার্ক রোমান্সের পাতা থেকে উঠে আসা ভিলেইন। পড়ে মজা পেয়েছি। তবে কিছু বাক্যগঠনগত সমস্যা ছিল। লেখকের জন্য শুভকামনা। আইজাম ও বিপর্ণার নতুন গল্পটার জন্য অপেক্ষা করছি।
Read all reviews on the Boitoi app
নব্য লেখিকাদের মধ্যে আমার প্রিয় একজন হচ্ছে অক্ষরময়ী। হে সখা পড়ার পর তার গল্পের একজন হার্ড ফ্যান। গঁদ বাধা গল্প না লিখে ইউনিক প্লটের এবং নতুন হিসেবে অক্ষরময়ীর লিখা এক কথায় চমৎকার। হে সখার গুলিস্তা আর অলীককায়ার উন্নতমানের গাধী বিপর্না আর নোলককন্যার চরিত্র আর্দ্রিকার মাতা অক্ষরময়ী যে ইউনিক প্লট লিখে যাচ্ছে তার জন্য একটা চুমু।সবগুলো গল্পে রয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া।✨ এবার আসি 'অনুরক্তা 'নিয়ে ছোট মন্তব্যে।আমার কিনা প্রথম ই-বুক।“অলীককায়া” পড়ার সময় আইজাম কে ছাপিয়ে ওয়াদুদের প্রতি আমার আলাদা একটা আকর্ষণ ছিলো।সে আকর্ষণে দৌড়ে এইখানে চলে আসা। গল্পের প্রধান চরিত্র ইদাফা আর ওয়াদুদ। ডার্ক নোবেল পড়া ইদাফা যখন সত্যিকারের ডার্ক রোমান্স করা একজন পুরুষ পায়।তার করা কাজকর্ম জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে 'অনুরক্তা'। প্রথম ই-বুক হিসেবে আমার কাছে ভালো লেগেছে।ই-বুক অনুযায়ী দামও ঠিকঠাক। লেখিকার জন্য শুভকামনা। সবসময় ভালো এবং সুন্দর গল্প যাতে আমাদের উপহার দিতে পারে তার জন্য দোয়া এবং ভালোবাসা!!
অবশেষে আজ কিনে আজই পড়ে ফেললাম।বেপরোয়া ওয়াদুদ কে জানার খুব ইচ্ছে ছিল।সত্যিই এই ওয়াদুদ ভীষণ অন্যরকম। ওয়াদুদ যেমন বেপরোয়া তেমনি তার সঙ্গী ইফাদাও ছিল বোল্ড চরিত্রের।তাই তো তাদের দুজনের কেমিস্ট্রি দারুণ লাগলো।নিঃসন্দেহে ই-বুক টি আমার কাছে সবসময় সেরা হয়ে থাকবে।আর অক্ষরময়ী আপনার লেখা আমার বরাবরই খুব পছন্দের।
ছিমছাম মিষ্টি প্রেমের গল্প সাথে একটু ত্রিলার ভাইবও আছে।সবমিলিয়ে সুন্দর। একবসায় পড়ে উঠার মতো।
পড়া শেষ করলাম। মেদহীন ঝরঝরে লেখনী! গতানুগতিক ধারার গল্প পড়তে পড়তে বিরক্ত হচ্ছিলাম। কিন্তু ভিন্ন প্লটের এই গল্পটা পড়ে সত্যিই খুবই ভালো লাগলো। লেখিকার ফেসবুকের লিখাগুলোর তুলনায় ই-বুকের লেখার শব্দচয়নগুলো বেশি মানসম্মত হয়েছে। তবে কাহিনির ক্ষেত্রে বলবো ওদের দুজনের সংসারের বর্ণনা আরেকটু বেশি থাকলে খুব ভালো হতো। ওদেরকে আবারও পড়ার অপেক্ষায় রইলাম! বিপর্ণা আর ইদাফাকে একসাথে দেখতে চাইইই!
খুবই ভালো লেগেছে ❤️
'হে সখা' গল্পের মাধ্যমে অক্ষরময়ী আপুর লেখার সাথে পরিচয়। উনি সাবলীলভাবে গল্পের কাহিনী ফুটিয়ে তুলতে পারেন, সেই ভরসায় 'অনুরক্তা' কেনা। গল্পটি পড়তে ভালো লেগেছে। ওয়াদুদ, ইদাফার চরিত্র ইন্টারেস্টিং ছিল। তবে শেষটায় ইদাফার পরিবারের প্রতি এতটা অনাসক্তি ভালো লাগেনি। পরিশেষে বলব আপুর মধ্যে আরো ভালো লেখার পটেনশিয়াল আছে। শুভকামনা ❤️
বইটি খুব ভালো লেগেছে
চমৎকার প্লটে দারুণ লেখা। ওয়াদুদের সাথে ইদাফা চরিত্রটা কী বলি?একদম মেল্ট হয়ে গিয়েছিল। তাদের সাথে অন্য চরিত্রগুলোর মিস্ট্রিয়াস জার্নি বেশ উপভোগ্য। আশা করি ভবিষ্যতে আপুর এমন আরো বই পাব❣️