

তুলি আর মুকুলের বিয়েটা হয়েছিল মূলত মুকুলের আগ্রহেই। এরপর মুকুল ধীরে ধীরে জায়গা করে নিতে শুরু করেছিল তুলির মনে কিন্তু হঠাৎই এক ভুল বোঝাবুঝি আবার দূরত্ব নিয়ে এসেছিল দুজনের মাঝে। মুকুল কি সেই দূরত্ব অতিক্রম করে আবার ফিরে পেয়েছিল তুলির কাঙ্খিত ভালোবাসা? তুলির ফেলে আসা অন্ধকার অতীত কি আবার নতুন করে ফিরে এসেছিল ওর জীবনে। মুকুল কি পারবে তুলির অভিশপ্ত অতীত থেকে ওকে তুলে এনে ওর স্বপ্ন পূরণ করতে নাকি ওর কুসংস্কারে আচ্ছন্ন মন ওকে ডুবিয়ে দেবে অন্ধকারের অতলে। মুকুল আর তুলির পথ চলার গল্প এবার মুকুলের ভাষ্যে।
তুলি, মুকুলের গল্প, অসাধারণ গল্প!
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পের এই বাস্টার্ড টাকে মাফ করে দেয়ার ব্যাপার টা আমার ভালো লাগেনি আপু,তার শরীরে যদি পচে কিড়াও পরে যেতো তাও বাস্টার্ড মাফ পাওয়ার যোগ্য না। আর আসাদ ক্যারেক্টর টা ও অসহ্য কিন্তু এছাড়া বাকি সবটা গল্প এতো ভালো লাগলো।
অসাধারণ ❤️❤️❤️❤️
Darun ekta golpo....
মজাদার সুন্দর একটা সময় উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ লেখককে। কাছে আসার গল্প একটু ভিন্নভাবে বলেছেন। শেষ করার পর মনে হলো আরো একটু বড় হতে পারতো। শুভকামনা রইলো ❤️
ঝরঝরে প্রাঞ্জল লেখনীতে সুন্দর একটা উপন্যাসিকা। লেখিকার কমেডি টাইমিং অসাধারণ, হুমায়ুন পরবর্তী যুগে এরকম হাসাতে হাসাতে সিরিয়াস গল্প বলে ফেলা খুব একটা দেখেছি বলে মনে পড়েনা। অনেক শুভ কামনা।
অনলাইনে পড়েছি তখনও ভালো লেগেছিল, এখন মুকুলের দিক টুকুও জানা হলো। সব মিলিয়ে সুন্দর পরিসমাপ্তি।
এই গল্পটির প্রথম ভাগ পড়ার পর থেকেই মনে হচ্ছিল আরো অনেক কিছু লেখিকা বলতে পারেননি তাই অসমাপ্ত লাগতো গল্পটি।আজকে পড়ে ভালো লাগলো কারণ সবার চেহারার পেছনের কারণগুলো জানা হলো।আসাদের কোনো শিক্ষা হলো না আর পুরো গল্পে তার ছোটোলোকি কাজকর্ম দেখা লাগলো।সবচেয়ে বেশি ভালো লাগলো মুকুলের মা'কে তবে তুলির বাবা-মা সাইডে রয়ে গেলেন। খুবই ভালো হয়েছে এই গল্পটি।মার্জিত লেখা তাই আরো ভালো লাগলো।
মুকুলের দিকটুকু জানার অপেক্ষা ছিলো, ইবুক পেয়ে সেই অপেক্ষ মিটলো!!! সব মিলিয়ে চমৎকার একটা ঝরঝরে গল্প!!! কখনো হেসেছি, তো কখনো মন খারাপ হয়েছে .... শেষে এসে মেহরীন আন্টি মানে মুকুলের মায়ের জন্যে আসলে মন খারাপ ও হচ্ছিলো!! বাইরে থেকে দেখে কত কী ভেবে নিয়েছিলাম নইলে!!!