
"আমি আছি না? শুধু শুধু ভয় পাচ্ছ। চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। তুমি চা খাও।" নীরবে চায়ের মগে চুমুক দিয়ে মগটি বিস্ময়ের দিকে এগিয়ে দিল। তা দেখে মুচকি হেসে বিস্ময় বলল, "আমার দু'হাত ভর্তি। বউকে কোলে নিয়ে বসে আছি, দেখতে পাচ্ছ না?" লাজুক হেসে নিজের হাতের চায়ের মগটি বিস্ময়ের মুখের কাছে নিয়ে গেল। চা খাওয়া শেষে বিস্ময়ের দিকে ঘুরে আদ্রিকা আলতোভাবে ঠোঁট ছোঁয়াল বিস্ময়ের ঠোঁটে। চোখে চোখ রেখে বলল, "থ্যাঙ্ক ইউ।" আদ্রিকার এমন আচরণে খানিকটা চমকালেও তা প্রকাশ করল না বিস্ময়। পরিস্থিতির স্বাভাবিকতা বজায় রেখে শুধাল, "থ্যাঙ্ক ইউ কেন?" "এতোদিন আমাদের সম্পর্কটা আমার মনে একটা ভারী পাথরের মতো চেপে ছিল। আজকে ভীষণ হালকা লাগছে। প্রেম, ভালোবাসা, রিলেশন এসবের প্রতি কোনোকালেই আমার আগ্রহ ছিল না। বলতে দ্বিধা নেই, তোমার জোরাজোরির কারণে প্রেমের প্রস্তাবে হ্যাঁ বলতে হয়েছিল। তুমি স্বাভাবিকভাবে কথাবার্তা বললেও আমি বলতে পারতাম না। তোমার সাথে সহজভাবে ঘুরাফেরা করতে পারতাম না। সবসময় মনে হতো ভুল করছি, মন্দ কাজ করছি।" "এখন মনে হচ্ছে না?" "উহু। এখন তুমি আমার স্বামী। আর কোনো জড়তা নেই। আমি পুরোটাই তোমার।" "এখন যদি তোমাকে একটা চুমু দিই, তুমি কাঁদবে না?" "উহু।" মাথা দু'দিকে দুলিয়ে হাসতে হাসতে জবাব দিল আদ্রিকা। ওর কোমর জড়িয়ে ধরে নিজের সাথে আরেকটু ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে নিয়ে বিস্ময় জানতে চাইল, "যদি গভীরভাবে ছুঁয়ে দিই, তুমি রাগ করবে না?" "উহু।"
লেখনী বরাবর ই দুর্দান্ত। আবেগের বয়সে করা ছোট ছোট ভুল একটা সময় কতটা মারাত্মক যে হয়ে যায়। দেরী হবার পর টের পাওয়া যায় কি হারালো জীবন থেকে।
Read all reviews on the Boitoi app