

নাহ, এটা আমার বাড়ি না, আপনার বাড়ি। আর আপনি মানুষ টাই আমার যখন আপন নন। তাহলে এই বাড়ি আমার কী করে হয়? আপনি আমাকে ছুঁড়ে ফেলেছেন, আপনার জীবন থেকে। আমাকে এতদিন কষ্ট দিয়ে এখন আসছেন আধিখ্যেতা দেখাতে। লাগবে না আমার আপনার এই আধিখ্যেতা। ছাড়ুন আমায়। "আমার ভালবাসা তোর কাছে আধিখ্যেতা মনে হয়।" জিসান তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাল তিশার দিকে। তিশার চোখ-মুখ লাল হয়ে উঠেছে, চোখে যেমন তীক্ষ্ণতা আছে, তেমনি আদ্রতা। রাগের জন্য নাকের পাটা ফুলে ফোঁস ফোঁস শব্দে তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলার শব্দও শোনা যাচ্ছে। আর কত রূপ আবিষ্কার করবে এই ছোট্ট মেয়ে টা নিজের? জিসানের ঠোঁটের কোণে একটা দুষ্ট হাসি খেলে যায়। একজনের রাগ আরেকজনের মনে কোমলতা সৃষ্টি করে কিনা কে জানে! কিন্তু জিসানের মধ্যে করল। সে কোমল দৃষ্টিতে তাকাল প্রিয়তমার দিকে। প্রিয়তমার রাগে লাল হয়ে যাওয়ার মুখটার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, "কি হলো, কথা বলছিস না কেন? বোবায় ধরেছে বুঝি?" জিসানের গলার রসিকতা বুঝতে তিশার সময় লাগল না। তাই আবারও মাথার রাগটা তরতর করে বেড়ে উঠল তার। কি সুন্দর অবলীলায় মানুষটা ওর সাথে কথা বলছে, যেন কিছু হয়নি! অথচ গত কয়েক মাস তিশা নরক যন্ত্রণা ভোগ করেছে। তিশার সুখ, আনন্দ, ঘুম—সব কেড়ে নিয়েছে এই মানুষটা। তিশাকে মরণ যন্ত্রণার স্বাদ দিয়েছে। অথচ এখন আচরণ এমন, যেন সব ঠিক আছে। কিন্তু আসল সত্য এটাই যে কিছু ঠিক নেই। আর কিছু ঠিক হবারও নয়। তিশা জিসানের কথার জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করল না। নিজেকে জিসান থেকে মুক্ত করার পুনরায় চেষ্টায় নামল। কিন্তু জিসানের শক্ত বুক ও শক্ত হাত থেকে মুক্তি পাওয়া কি এত-ই সহজ? তিশা না একচুল নিজে সরতে পারল, না জিসানকে সরাতে পারল। বিফল হয়ে অসহায় চোখে তাকাল জিসানের দিকে।
"জিসান-তিশা, রায়হান-নিশি! এদের প্রথম পড়েছিলাম বছর চারেক আগে। তখন লেখিকার নাম পাইনি। এরপর সম্ভবত ২০২৪ এর মাঝামাঝি সময়ে খুঁজে পেয়েছি। গল্প টা বেশ লাগছে। বিশেষ করে "রায়হান-নিশি" জুটি। এই দুই চরিত্র বরাবরই ভীষণ পছন্দের। ম্যাচিউর দু'টো চরিত্র। রায়হান-জিসানের বন্ধুত্ব টাও অসাধারণ।🥰 রেণু বেগম আর রায়েবা বেগম! এই দুই রমণী সত্যি ই চমৎকার। জিসান! অতিরিক্ত রাগ, জেদ, ইগো, ভালোবাসা কোনোটাই মঙ্গলজনক নয় কোনো মানুষের জন্য। অতিরিক্ত সবকিছু ই কোনো না কোনো ঝড় বয়ে আনে। শামসুর সাহেবের ওপর আমার ভীষণ রাগ। এই ভদ্রলোক পিতা হওয়ার স্বার্থপরতা ফলিয়ে গেছে সর্বদা। ঘরের চেয়ে বাইরে অন্ধ বিশ্বাস করেছেন। যার ফল তিশা ভোগ করছে। ভালো - খারাপ মিলিয়ে দারুণ লাগছে। টুকটাক বানান ভুল আছে।"
জিসান-তিশা, রায়হান-নিশি! এদের প্রথম পড়েছিলাম বছর চারেক আগে। তখন লেখিকার নাম পাইনি। এরপর সম্ভবত ২০২৪ এর মাঝামাঝি সময়ে খুঁজে পেয়েছি। গল্প টা বেশ লাগছে। বিশেষ করে "রায়হান-নিশি" জুটি। এই দুই চরিত্র বরাবরই ভীষণ পছন্দের। ম্যাচিউর দু'টো চরিত্র। রায়হান-জিসানের বন্ধুত্ব টাও অসাধারণ।🥰 রেণু বেগম আর রায়েবা বেগম! এই দুই রমণী সত্যি ই চমৎকার। জিসান! অতিরিক্ত রাগ, জেদ, ইগো, ভালোবাসা কোনোটাই মঙ্গলজনক নয় কোনো মানুষের জন্য। অতিরিক্ত সবকিছু ই কোনো না কোনো ঝড় বয়ে আনে। শামসুর সাহেবের ওপর আমার ভীষণ রাগ। এই ভদ্রলোক পিতা হওয়ার স্বার্থপরতা ফলিয়ে গেছে সর্বদা। ঘরের চেয়ে বাইরে অন্ধ বিশ্বাস করেছেন। যার ফল তিশা ভোগ করছে। ভালো - খারাপ মিলিয়ে দারুণ লাগছে। টুকটাক বানান ভুল আছে।
Read all reviews on the Boitoi app
আবাার ও পারলে দিয়ে তিশা জিসানকে,,, ওদের গল্প পড়তে ভালো লাগে 💗💗আপু তোর বিহনে প্রিয়তমা সিজন ২ দিয়েন 🥰🥰
জিনাস তিশা মানে আমার ভালোবাসার স্থান এই জুটি যত লেখবে লেখিকা আপু ততই পড়তে পারবো। এতো ভালো লাগে এই গল্প টা। ফেসবুকে গল্পগুলো যখন পড়ছিলাম কত ছোট ছিলাম কত আগের গল্প গুলো তখন থেকেই আমার পছন্দের তালিকায় 🥰🥰
...আবারও অনেকদিন পর প্রিয় গল্পের প্রিয় জুটি জিসান ও তিশা'কে পাবো ভাবতে পারি নাই, জিসান ও তিশা মানেই যেনো এক অন্যরকম ভালো লাগা...যখন থেকে দেখলাম লেখিখা আপু ফেসবুকে পোস্ট করছিলো জিসান তিশা আসছে তখন অপেক্ষায় থাকতাম কখন আসবে ..আর সেটা পেয়েও গেলাম। যাইহোক তবে বরাবরের মতো এবারের গল্পটা অসম্ভব সুন্দর, চমৎকার ও মনোমুগ্ধকর লিখেছেন। বলতে গেলে আপনার লেখনী'তে যেনো যাদু আছে। বরাবরেএ মতো এবারও প্রত্যেক'টা চরিত্র খুবই সুন্দর ভাবে'ই ফুটিয়ে তুলছেন...তবে লিলয় চরিত্র'টাকে মিস করেছি। .... জিসান তার প্রিয়তমা তিশা তাদের দুজনের এই অসীম ভালোবাসা সত্যি'ই যেনো মনোমুগ্ধকর। তবে এই গল্পে তাদের শেষ'টা যেনো অসমাপ্ত রয়ে গেলো...আসলেই সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় না এটা যেমন ঠিক... কিন্তু জিসান তিশার তাদের এই ভালোবাসা যেনো অপূর্ণতা পেয়েও পূর্ণতার স্বাদ গ্রহণ করে। অসম্ভব সুন্দর একটা গল্প ছিলো। মন খারাপ লাগে এটা ভেবে আবারও প্রিয় জুটি জিসান ও তিশা'কে মিস করবো। লেখিকা আপু'কে অনেক ধন্যবাদ.. আপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা রইলো লেখিকা আপু।❤️
অনেক অপেক্ষার প্রহর গুণে অবশেষে ফেলাম জিসান-তিশার দেখা❤️ ধন্যবাদ লেখিকা আপু🥰
অনেকদিন পর জিশান তিশা কে পেলাম❤️
জিসান তিশা মানেই ভালোবাসা 💜আমার অনলাইনের পড়া প্রথম গল্প 💜২ দিনে পড়ে শেষ দিলাম সত্যি বলতে এমনটা হবে ভাবি নাই অনেক কষ্ট পাইছি লাস্ট এমন দেখে🥹💔