

লাবণ্য, অরণ্য আর রিয়াদ তিনজন আলাদা মানুষ, আলাদা তাদের জীবন। একটা জিনিস খুব মিল, অরণ্য আর রিয়াদের; দুইজনই ভালোবেসেছে লাবণ্যকে। আর লাবণ্য? অবাক করা কথা হলেও, সেও এই দুইজনকেই ভালোবেসেছে। তবে লাবণ্য প্রতারক না। লাবণ্যর মতো ভালোবাসার মর্যাদা কেউ হয়তো দিতে পারেনি। তবে? গল্প পড়লেই বুঝবেন, ওর উপায় ছিল না। একটা ত্রিভুজ ভালোবাসার গল্প। তবে ঠিক প্রচলিত অর্থে ত্রিভুজ না। আত্মত্যাগ আছে। কিন্তু না, গল্প সিনেমার মতো বন্ধু বা প্রিয় মানুষের জন্য আত্মত্যাগ না। এই আত্মত্যাগ নিজের ভালোবাসার জন্য। তবে কি! একটা রহস্য, একটা অতীত, একটা খুন, একটা আত্মহত্যা, একজন মানসিক রুগী আর চিঠি। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, একটা সংসার। যার স্বপ্ন দেখেছে দুইজন মানুষ, শুধুই লাবণ্যর জন্য। গল্পটা শেষ করে আপনার সুখ-দুঃখ একটা অনুভূতি হবে, রেশ থেকে যাবে। ভাববেন, এই গল্প এত অচেনা কেন? এত অন্যরকম কেন? তাহলে অপেক্ষা কেন? শুনুন লাবণ্য, অরণ্য আর রিয়াদের গল্প।
আসলে মেয়েরা সব পারে তারা সহজেই ভুলে নতুন কিছুর সাথে মানিয়ে নিতে পারে।অথচ ছেলেরা তা পারে না। ভালোবাসা সুন্দর 🌸🩷 কিন্তু যে ভালোবাসা শেষ পর্যন্ত বদলে যায় তা ভালোবাসা না মোহ।গল্প টা সুন্দর ছিলো এইযে আমরা বলি বাঁচবো না মরে যাবো আসলে এইসব ভুল কেউ কারো জন্য মরে যায় না।এইসব সময়ের লিলা খেলা
Read all reviews on the Boitoi app
এটা অনেক সুন্দর একটা গল্প। লাবণ্য অরণ্য এদের একসাথে কাটানো মুহূর্তে গুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তবে শেষ টা মেনে নিতে পারছি না। 😞
সুন্দর ছিল গল্পটা। তবে মন টা একটু খারাপ হয় গেল কারণ আমার প্রিয় অরণ্য লাবণ্য জুটি এখানে এক হতে পারে নি।
পৃথিবীতে অনেক রকম ভালোবাসার গল্প শোনা। অরণ্যকের যাবত জীবন জেল - খুনের দায়ে মৃত্যু দন্ড কিছুই মেনে নিতে না পেরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে লাবন্য। এদিকে নিজের অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা করতে গিয়ে তাকে ভালোবেসে ফেলে রিয়াদ। জেল থেকে প্যারেলে কিছু দিনের জন্য মুক্তি পেয়ে অসুস্থ প্রমিকাকে হাসপাতালে দেখতে আসে অরণ্য কিন্তু যাকে ভালোবেসে সে পাগল হয়ে গিয়েছে তাকেই সে চিনতে পারে না। অরণ্য নিজেকে অপরাধী মনে করে তার যে কোনো মূল্য সে লাবণ্যকে সুখি দেখতে চায় এজন্য নিজের বোন আর ডাক্তার রিয়াদকে দিয়ে সে নিজের আত্নহত্যার খবর পাঠায়। যাতে একজন মৃত মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা থাকলেও যেন লাবণ্য জীবনে এগিয়ে যেতে পরে। বছর গুলো জুড়ে লাবণ্য চিকিৎসা চলছিলো মুটামুটি সে সুস্থ হয়ে ওঠে কিন্তু এর মধ্যে তার বাবার স্টক হয়ে যায়। সব মিলেয়ে নিজের দ্বায়িত্ব আর সমাজের কথা ভেবে রিয়াদকে বিয়ে করে এবং অরণ্য যা চেয়েছিলো তার সম্ভব হয় লাবণ্য অরণ্যকে ভুলে আস্তে আস্তে রিয়াদকে ভালোবাসে তাদের এখন একটা ৬ বছর মেয়েূ আছে হঠাৎ সে পেপারে দেখে জেলের কয়েকজন কয়েদি ডেঙ্গু জ্বরে মৃত্যু বরণ করছে যার মধ্যে রয়েছে অরণ্যকের নাম। জিজ্ঞেস করতল ছুটে চলে ছোট আপির কাছে সেখানেই অরণ্যকের শেষ চিঠি...... রিভিউ লেখক : Rania
লেখিকার লেখনী অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। তীব্র আবেগের ভীষণ সুন্দর একটি ইবুক লিখেছেন জেবুপু। এক কথায় অসাধারণ।