

দৃতী অর্ণিতের বিয়েটা হুট করে হলেও, সংসার জীবনে প্রবেশটা হয়েছিল রয়েসয়ে—একটুখানি যত্ন সহকারে, অনেকখানি ভালোবেসে। অর্ণিতের ভালোবাসা, শাশুড়ি তানিয়ার যত্ন, শ্বশুর সিরাজ সাহেবের গম্ভীরতা—সব মিলিয়ে দৃতীর মনে হয়, সে যেন রূপকথার জগতে বাস করছে। এত সুখ কি সত্যিই ছিল দৃতীর ভাগ্যে? নিজের সুখের জীবনে নজরটা বোধহয় দৃতীরই লেগেছিল। তা না হলে হঠাৎ করে চেনা মানুষগুলোর মুখোশ খসে গিয়ে অচেনা রূপে ধরা দেবে কেন? কেন অর্ণিতের সমস্ত ভালোবাসা এক নিমিষেই মিথ্যে হয়ে যাবে?
আপনি আমার প্রিয় লেখিকার একজন। আপনার প্রিতিটি লেখাই অনেক সুন্দর।
Read all reviews on the Boitoi app
নিজের অধিকার ছেড়ে যেতে হয় না কখনো। দরকার হলে অর্ণিতকে ঘর থেকে বের করে দিক। দৃতী তা ই করেছে যা সঠিক ছিল। কোমর বেঁধে ঝগড়া করা উচিত। আমার অক্ষরাণীর লেখা আরেকটা আদুরে গল্প। ছোট্ট একটা গল্প। কিন্তু পড়তে ভালো লাগে। শুভকামনা অক্ষরাণী 💖💖
সব মেয়ের জীবনে অর্ণিত আসুক ❤️❤️❤️❤️❤️❤️। সংসার জীবনে এসে বুঝতেছি। দৃতি হয় অনেকেই। কিন্তু অর্ণিত হতে চায়না কেউ