

এই সমাজের ভাগ্যবঞ্চিত নারীরা খড়কুটোর মতো আঁকড়ে ধরে নির্ভরযোগ্য কিছু পুরুষকে। যাদের আচরণ, গাম্ভীর্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, এবং সর্বোপরি তাদের সহানুভূতিতে ভাগ্যবঞ্চিত নারীরা আকৃষ্ট হয়। এক সময় নির্ভর করা শুরু করে ওইসব পুরুষদের ওপর। যখন তারা আসে, তখন কিছুতেই মনে হয় না তাদের পরিবার আছে। থাকলে কীভাবে জড়াতে পারে অন্য নারীতে? ঠিক সেরকমই একজন পুরুষ রজব আলী, সাংবাদিক। ভাগ্যবঞ্চিত নারী সুনিতা। জড়িয়ে যায় রজব আলীর সঙ্গে। রজব আলীর মেয়ে সুশিক্ষিত হিসেবে পরিচিত থাকা সত্ত্বেও, সুনিতার জীবন অশ্লীল গালিগালাজে বিপন্ন হয়ে পড়ে। এমনকি তার সন্তানরাও রেহাই পায় না রজব আলীর মেয়ের অশ্লীল গালিগালাজ থেকে। কিন্তু রজব আলীকে সমাজের সর্বোৎকৃষ্ট পুরুষ বানিয়ে বাবার পরিচয় দেয় সমাজে। বাবাকে উৎকৃষ্ট পুরুষ এবং সুনিতাকে নিকৃষ্টতর নারী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় সমাজের কাছে। এই নিয়ে রচিত হয়েছে স্ল্যাং। অবশ্যই পাঠক উপভোগ্য একটি গল্প।