

স্বরূপকে বিয়ে করাটা তনয়ার জন্য ছিল অনেকটা ভাগ্যের লিখনের মতো; সাথে ছিল একটা চ্যালেঞ্জ, কিছুটা অনিশ্চয়তা আর আকর্ষণ। তাদের পরিণতি কি শেষ পর্যন্ত সুখকর হবে? নাকি মাঝপথে হেরে গিয়ে থেমে যেতে হবে পথচলা?
"আপুর লেখা সবসময়ই দারুণ। বিয়ের পরের জীবনে নিজেদের বোঝাপড়া খুব জরুরি। তাছাড়া জীবনের চাওয়া পাওয়া, ইচ্ছে আকাঙ্ক্ষা, প্রায়োরিটিস ইত্যাদি মিল হওয়া খুব জরুরি। এই বিষয়গুলো আগেভাগে কথা বলে নিলে পরবর্তী জীবনে খাপ খাওয়াতে সুবিধা হয়। এদের দুজনের শুরুতে এই সমস্যায় থাকায় কষ্টকর দিনগুলো এসেছিল। যাইহোক ওরা হানিমুন থেকে ঘুরে আসুক, তিন থেকে চার হোক 😁"
আপুর লেখায় যেন জাদু আছে। মন খারাপটা কিভাবে যেন হারিয়ে যায়। একদম আমার মনের মতো লেখাগুলো! প্রতিবার মনে হয় এটাই আপুর লেখা সেরা বই। তাঁর লেখা প্রতিটা গল্পই একদম ভিন্ন ধাঁচের। এটা যেমন দাম্পত্য জীবনের দ্বন্দ্ব, খুনসুটি, রোমান্স আর চিরাচরিত ভুল বুঝাবুঝির গল্প। এমনভাবে ঘটনাগুলো এগিয়ে গিয়েছে একদম বাস্তব মনে হচ্ছিল। বুকটা যেন ভেঙে ভেঙে আসছিলো তনয়ার অভিমানে। আসলেই মন ভাঙা আর বিশ্বাস হারানো মানুষের সাথে বাস করাটা খুবই কঠিন। ছোট ছোট আবেগ যেগুলো একটা নতুন বিবাহিত মেয়ের জন্য পরম আরাধ্যের, পুরুষরা যেন সেটা বুঝতেই চায় না, বলে ন্যাকামী। অথচ এই আবেগকে হেয় হতে দেখে দেখে একসময় মেয়েটার মন মরেই যায়। সব পুরুষ এই আবেগগুলোর যত্ন নিতে জানে না, আর যারা জানে তাদের দাম্পত্য জীবন কখনোই স্রোত হারায় না। আমার এখনও রাগ লাগছে স্বরুপের উপরে। তনয়া একটু বেশিই ভালো মেয়ে তাই তো অল্পতেই ব্যাটা পার পেয়ে গেল। মিলি, রুপা ওরা সময়মতো সঠিক জাজমেন্ট নিয়েছিলো। মিলির ওইদিন রাতের সিদ্ধান্তটা একটু এদিক ওদিক হলে হয়ত সম্পর্কটা আর স্বাভাবিক হতোনা। মিলিকে নিয়ে স্বরুপ যতটা কনসার্ন ছিল, তনয়াকে নিয়ে ছিলেনা। ছেলেরা এমনই, স্ত্রীদেরকে টেকেন ফর গ্রান্টেড মনে করে। সব মেয়েদের তো ফিরে যাবারও জায়গা থাকেনা। এরপরও মেয়েরা সবসময়ই আবেগের কাছে হেরে যায়। আর তাইতো জগতে পুরুষেরা এত সুখে থাকতে পারে। অসম্ভব সুন্দর প্রেমময় একটা গল্পের জন্য লেখিকাকে অনেক অনেক ভালোবাসা ❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
অসম্ভব ভালো লাগলো ❤️❤️❤️
আপুর লেখা সবসময়ই দারুণ। বিয়ের পরের জীবনে নিজেদের বোঝাপড়া খুব জরুরি। তাছাড়া জীবনের চাওয়া পাওয়া, ইচ্ছে আকাঙ্ক্ষা, প্রায়োরিটিস ইত্যাদি মিল হওয়া খুব জরুরি। এই বিষয়গুলো আগেভাগে কথা বলে নিলে পরবর্তী জীবনে খাপ খাওয়াতে সুবিধা হয়। এদের দুজনের শুরুতে এই সমস্যায় থাকায় কষ্টকর দিনগুলো এসেছিল। যাইহোক ওরা হানিমুন থেকে ঘুরে আসুক, তিন থেকে চার হোক 😁
সবার আগে বলব, দাম হিসেবে অনেক বড় গল্প। এই হিসেবে খুবই ওর্থ করে ই-বুকটি। প্লট নিয়ে বলি, স্বরুপ আর তনয়া মেইন লিড হলেও আমার মতে তনয়া সব চেয়ে এগিয়ে। আর অন্যান্য চরিত্র প্রত্যেকে এত্ত সুন্দর ভাবে কাহিনি কে এগিয়ে নিয়েছে!! অসাধারণ! রুপা, তনয়ার বাবা, স্বরূপের মা, মিলি, মিতা- এখানে নেগেটিভ কাউকে পাই ই নি। জীবনের এক একটা স্তর পার করে আমরা আস্তে আস্তে বড় হই, ম্যাচিউর হই, বুঝতে শিখি, কিন্ত অনেকেই এই চলার পথে অনেক বড় বড় ভুল করে ফেলি, আর ভুলের জন্য কিন্ত আমাদের সাফার করতেই হয়। গল্পটা অনেক টা বর্তমান সমাজের একটা ভয়ংকর ভুল- পার্টনার এর সাথে প্রতারণার ব্যাপার টা কে হাইলাইট করেছে। একজন প্রতারক শুধু নিজেরই ধ্বংস করে না, অপরদিকের মানুষটাকেও মানষিক ভাবে গুড়িয়ে দেয়। খুব ভালো লেগেছে। ১০/১০
চমৎকার হয়েছে। ভীষণ ভালো লেগেছে তনয়া আর স্বরুপের দুষ্ট মিষ্টি রাগ, অভিমান আর ভালোবাসাময় গল্পটা।
আচ্ছা, মানুষ খুব মজাদার আঁচার কিভাবে খায় - চামচ ভরে ভরে গপ গপ করে খায়, না একটু একটু করে এনজয় করে খায়? এই বইটি তেমনি গোগ্রাসে না গিলে, একটু একটু পড়তে হবে, সময় নিয়ে এনজয় করতে হবে। এর টক ঝাল মিষ্টি সব স্বাদ আলাদা করে উপভোগ করতে হবে এবং সমাপ্তিতে মনটা সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাবে।
গল্পের শুরুতে একটু হাসি নিয়ে শুরু করেছিলাম৷ শেষটা যত কাছে আসলো- ততই হাসির সাথে একটু করে চোখে পানি জমলো। আবার সেই পানি ভরা চোখেই হাসি আসলো। আসলেও- Love is life. খুব সুন্দর গল্পটা ❤️
খুবই কোমল মিষ্টি ঝুটঝামেলাহীন প্রেমের গল্প কিন্তু অপ্রয়োজনীয়ভাবে টেনে বড় করা হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট জায়গায় শেষ হলে আরও ভালো লাগতো।
খুব খুব সুন্দর হয়েছে আপু। গল্পের কাহিনী হৃদয় ছুঁয়ে গেলো।
অসাধারণ ++++++ সুন্দর সুন্দর অসম্ভব সুন্দর গল্প। পয়সা উসুল তো হলোই বরং মনে হচ্ছে আরও দাম হলেও কিনা জাস্টিফাই হতো। আপু এতো ভালো প্রতিটি লেখা কিভাবে লিখো!!!