

প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে বায়োহ্যাযার্ড ল্যাবে মারা গেলেন নামকরা এক জীন গবেষক। রোমে এক ভ্যাটিকান প্রত্নতত্ত্ববিদের মৃতদেহ পাওয়া গেল সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায়। অন্যদিকে, আফ্রিকার রেডক্রস ক্যাম্পে নৃশংসভাবে খুন হলো এক ইউএস সিনেটরের ছেলে। অদ্ভুত মিল পাওয়া গেল এই খুন তিনটার মধ্যে। সবগুলো মৃতদেহের গায়ে বসিয়ে দেয়া হয়েছে ড্রুইডিক প্যাগান ক্রস চিহ্ন। অদ্ভুত এই খুনগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে, গ্রেসন পিয়ার্স আর তার সিগমা টিম পৌঁছে গেল সময়ের বিপরীতে, কয়েকশো বছর আগে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ অপরাধের সামনে— যেটা বদলে দিতে পারত মানবজাতির ইতিহাস। আর সেই ইতিহাসেরও ইতিহাস লুকিয়ে আছে মধ্যযুগীয় এক দুর্বোধ্য কোডের আড়ালে। রহস্য সমাধানের প্রথম সংকেত আবিষ্কৃত হলো মমি করে রাখা এক মৃতদেহের ভেতর। জলাভূমির সেই সমাধিতে লুকিয়ে থাকা সত্যটা নাড়িয়ে দিল আমেরিকাসহ গোটা পৃথিবীকে। সাবেক প্রেমিকা আর নতুন সহকর্মী— এই দুই নারীকে নিয়ে সাথে নিয়ে গ্রে নেমে পড়ল সত্য উন্মোচনের বিপজ্জনক বিপজ্জনক খেলায়। কিন্তু বিজয়ের মূল্য যে অনেক চড়া! অনাগত ভবিষ্যতের বিপদ সামাল দিতে দুজনের যেকোনও একজনকে উৎসর্গ করতে হবে তাকে। কার বলিদান দেবে গ্রে? আর তাতে কি মুক্তি মিলবে ভয়াবহ ভবিষ্যদ্বাণীর হাত থেকে? চলুন পাঠক, সিগমা ফোর্সের সাথে মোকাবেলা করা যাক এযাবতকালের সবচেয়ে ভয়ানক হুমকিকে। রোমের কলোসিয়াম থেকে শুরু করে নরওয়ের বরফে ঢাকা পর্বতচূড়া, ধ্বংসপ্রায় মধ্যযুগীয় মঠ থেকে শুরু করে হারিয়ে যাওয়া কেল্টিক রাজার সমাধি— সব চষে বেড়াতে হবে এবার। তবে চূড়ান্ত বিপদটা লুকিয়ে আছে এক সেইন্টের সমাধিতে। সেই প্রাচীন বস্তুটার আবার একটা নামও আছে— দ্য ডুমসডে কী!