

অবন্তী আর নিশান্ত শৈশবের সাথী। তবে তাদের মধ্যে পারিবারিক ও সামাজিক দিক থেকে আকাশ-পাতাল ফারাক! যা তারা ছোট বয়সে কখনও উপলব্ধি করেনি। বড় হতে হতে অবন্তী নিজের অবস্থান বুঝে যায় এবং সে নিশান্তের থেকে দূরেও সরে যায়। কিন্তু নিশান্ত? সে এক পাগলপারা প্রেমিক। অবন্তীর পেছনে ছুটতে ছুটতে একসময় নিজের প্রেয়সীকে ধরেই ফেলে সে। সবকিছুর বিরুদ্ধে গিয়ে অবন্তীকে বিয়ে করে নেয়। দেয় স্ত্রীর মর্যাদা! তারপর কি হয়? একরোখা আর জেদি নিশান্ত কি দেবদাস হয় শেষমেষ? নাকি অবন্তীর গর্বিত স্বামী? জানার জন্য পড়ে ফেলুন আপাদমস্তক প্রেমের গল্প #অতলহৃদয়েরসুর। এই গল্পে প্রেম ছাড়া ভিন্ন কিছু নেই।
"আরেকটা এক্সাইটিং গল্প। প্রথম লাইন থেকেই টানছিল। পুরোটা সময় বুক ঢিপঢিপ করেছে টেনশনে। কৈশোর থেকে যে টান তা তারুণ্যে বাঁধনহারা হয়েছিল। মাঝে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সামাজিকতার যাতাকলে সম্পর্ক পিষ্ট হচ্ছিল প্রতি মুহুর্তে। এত বাস্তব যে গা শিউরে ওঠে। সানভির মত মানুষ ঘরে ঘরে আছে, নিগৃহীত শিশুরা কিছুই বলতে পারেনা। মায়েরা ঠিক বিলকিসের মতই মেয়েকেই মারেন। ওইদিন নিশান্ত যদি জোর করে বাড়ি না ফিরে আসত তাহলে কি হত? সমাজ অবন্তীকেই দোষ দিত। আর রিমার মত বোনেরা কুলাঙ্গার ভাইদের বাঁচাতে নিরীহ কিশোরীটিকে দোষী বানাতে একটুও দ্বিধা করতো না! এরপর আছে পারিবারিক আর সামাজিক স্ট্যাটাদের দ্বন্দ্ব। নিশান্তের চরিত্রটি এত দূর্দমনীয়, বোল্ড। শেষ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল এবার বুঝি সব শেষ হয়ে গেল! কিভাবে পরিস্থিতি বিশ্বাস নাড়িয়ে দেয় তাই না?"
আরেকটা এক্সাইটিং গল্প। প্রথম লাইন থেকেই টানছিল। পুরোটা সময় বুক ঢিপঢিপ করেছে টেনশনে। কৈশোর থেকে যে টান তা তারুণ্যে বাঁধনহারা হয়েছিল। মাঝে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সামাজিকতার যাতাকলে সম্পর্ক পিষ্ট হচ্ছিল প্রতি মুহুর্তে। এত বাস্তব যে গা শিউরে ওঠে। সানভির মত মানুষ ঘরে ঘরে আছে, নিগৃহীত শিশুরা কিছুই বলতে পারেনা। মায়েরা ঠিক বিলকিসের মতই মেয়েকেই মারেন। ওইদিন নিশান্ত যদি জোর করে বাড়ি না ফিরে আসত তাহলে কি হত? সমাজ অবন্তীকেই দোষ দিত। আর রিমার মত বোনেরা কুলাঙ্গার ভাইদের বাঁচাতে নিরীহ কিশোরীটিকে দোষী বানাতে একটুও দ্বিধা করতো না! এরপর আছে পারিবারিক আর সামাজিক স্ট্যাটাদের দ্বন্দ্ব। নিশান্তের চরিত্রটি এত দূর্দমনীয়, বোল্ড। শেষ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল এবার বুঝি সব শেষ হয়ে গেল! কিভাবে পরিস্থিতি বিশ্বাস নাড়িয়ে দেয় তাই না?
Read all reviews on the Boitoi app
ফেসবুকে পড়েছিলাম
সারারাত জেগে পড়ে শেষ করলাম।ভাবছিলাম ঘুমিয়ে উঠে মন্তব্য করবো এখন রেখে দেই কিন্তু রাখার পর ও শান্তি পাচ্ছিলাম না যেরকম গল্পটা অর্ধেক রেখে ঘুমাতে গিয়ে শান্তি পাইনি।তাই আবারও মন্তব্যের জন্য ফিরে এলাম। গল্পটা পড়ে এত্তো এত্তো ভালো লেগেছে বলে বুঝাতে পারব না।নিশান্ত অবন্তী জুটিটা এতো কিউট ছিলো কি বলবো🥹!কিছু কিছু অংশ পড়ে নিজের টিনেজ লাইফের কথা বারবার মনে পড়ে যাচ্ছিলো।আরও ভাবছিলাম নিশান্তের মতো এমন লয়্যাল কেয়ারিং আর রেসপন্সিবল একটা ছেলে থাকলে মেয়েদের জীবনে কখনো দুঃখ ধরা দিত না।চারপাশে এই এতো এতো মন ভাঙার গল্পও তৈরি হতো না। রিমারা আমাদের সমাজে অহরহ আছে।এদের সাথে খুব সাবধানতার সহিত চলতে হয়।এখানে নিশান্ত যদি মায়ের কথা শুনে সেইমতো সব করতো তাহলে ও ও আর পাঁচটা বাঙালী মায়ের আঁচল ধরা ছেলের মতোই হতো। কিছু জায়গায় একটু ভুল ছিলো এই যেমন,এক জায়গায় পড়লাম অবন্তী এইচ এস সি দিয়ে ইউনিভার্সিটি এডমিশনের প্রিপারেশন নিচ্ছে এরপরে আবার দেখি সেখানে বিলকিস বেগম অনেকবার ওকে কলেজে যাওয়া-আসার প্রসঙ্গে বলছেন আবার বায়োলজি এবং আইসিটির কম মার্কস নিয়ে ও বলা আছে।কিন্তু ও তো এইচ এস সি দিয়ে দিছে।এইরকম কিছু জায়গায় টাইম নিয়ে একটু কনফিউশান আছে আর বাদবাকি পুরো বইটাই ভীষন ভীষন সুন্দর ছিলো❣️ এরকম দারুন কিউট একটা লভ স্টোরি পড়তে পেরে খুব ভালো লাগছে🤍
চমৎকার একটি বই।একটানে পড়েছি।ভীষণ ভালো লেগেছে নিশান্ত আর অবন্তীর প্রেমের মিষ্টি গল্প টি।
খুব মিষ্টি একটা গল্প
গল্পটি অসাধারণ ছিল!! নিশান্ত খুবই সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। পৃথিবীর সব মেয়েই নিশান্তর মতো এমন সাহসী, ভালোবাসাময় প্রেমিক এবং স্বামী ডিজার্ব করে।