

মুসকান মুনতাহা নামটার মধ্যেই ছিল একরাশ আলো, অথচ জীবনটা কাটল অন্ধকারে ঘেরা। ছোটবেলাতেই মা মারা যাওয়ার পর থেকে মুসকানের পৃথিবীটা যেন বদলে গেল চিরদিনের মতো। বোনের মৃত্যুর পর মুসকানের মামারা বারবার চেয়েছিলেন মেয়েটিকে নিজেদের কাছে নিয়ে যেতে। কিন্তু মুসকানের বাবা ইকবাল মির্জা এক অদ্ভুত ভালোবাসায় জড়িয়ে ছিলেন মেয়ের সঙ্গে। পৃথিবীর সব কিছুর ওপরে তিনি মুসকানকে ভালোবাসতেন। তাই হাজার অনুরোধেও রাজি হলেন না মেয়েকে অন্যের হাতে তুলে দিতে। তবে কর্মজীবনের প্রয়োজনে তাকে থাকতে হতো যশোরে, পরিবারের থেকে অনেক দূরে। আর সেই সুযোগেই নিঃশব্দে বেড়ে উঠল মুসকানের যন্ত্রণা। বাবার অনুপস্থিতিতে সৎ মায়ের কঠোরতা হয়ে উঠল প্রতিদিনের অভ্যাস। রিহান ও মুসকান, কাজিন হলেও, তাদের বন্ধনটা এক অদ্ভুতভাবে গভীর। সৎ মায়ের অত্যাচারে দিন কাটে মুসকানের ভয় আর কান্নায় ভরা এক ঘরে। আর সেই অন্ধকারের মাঝেই প্রতিবার ছায়ার মতো এসে দাঁড়ায় রিহান, রক্ষক, নির্ভরতা, আর একমাত্র আপনজন হয়ে। যখন মুসকানের অসুস্থ বাবার সুযোগ নিয়ে সৎ মা তার বিয়ে ঠিক করে দেয় এক বয়স্ক ধনী মানুষের সঙ্গে, তখন যেন ভেঙে পড়ে পুরো পৃথিবীটা। রিহান কি পারবে মুসকানকে সেই জীবনের ঝড় থেকে বাঁচাতে? আর যদি পারে, তবু কি সমাজের বাঁধা, আত্মীয়তার সীমা, আর না বলা অনুভূতির দেয়াল পেরিয়ে সে তাকে সত্যিকার অর্থে মুক্তি দিতে পারবে? “প্রেমময় সুখ” এক নীরব সম্পর্কের গল্প, যেখানে ভালোবাসা মুখে বলা হয় না, তবু প্রতিটি নিঃশ্বাসে তার অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।

"ইশু আপুউউউউউউ...মারাত্মক সুন্দর লিখছো ই-বুক টা,কি যে বলবো,তুমি রিহান-কে এমনভাবে তুলে ধরছো যে রিহান মুসকান-কে ভালোবাসে এইটা একটা পর্বেও আমি বুঝতে পারি নাই।মুসকানের আম্মুকে শাস্তি দেওয়া দরকার ছিলো!মিষ্টি-রে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে,ছোট হয়েও ও অনেক সাহসি ছিলো...মিষ্টির কথাগুলো ওর নামের মতোই মিষ্টি ছিলো।সামাদ চৌধুরীকে ভালো লাগছে,কারণ উনি কথায় কথায় মুসকানকে "মা" বলতো🤍সবগুলো চরিত্র-ই সুন্দর ছিলো।মৌ এবং ওর মা-ও খুব ভালো ছিলো,তবে মেঘা-র জন্য খারাপ লাগছে।মেয়েটা আসলেই নিখুঁত এবং নিঃস্বার্থ ছিলো।সুন্দর ছিলো খুউউউউব🤍"
ইশু আপুউউউউউউ...মারাত্মক সুন্দর লিখছো ই-বুক টা,কি যে বলবো,তুমি রিহান-কে এমনভাবে তুলে ধরছো যে রিহান মুসকান-কে ভালোবাসে এইটা একটা পর্বেও আমি বুঝতে পারি নাই।মুসকানের আম্মুকে শাস্তি দেওয়া দরকার ছিলো!মিষ্টি-রে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে,ছোট হয়েও ও অনেক সাহসি ছিলো...মিষ্টির কথাগুলো ওর নামের মতোই মিষ্টি ছিলো।সামাদ চৌধুরীকে ভালো লাগছে,কারণ উনি কথায় কথায় মুসকানকে "মা" বলতো🤍সবগুলো চরিত্র-ই সুন্দর ছিলো।মৌ এবং ওর মা-ও খুব ভালো ছিলো,তবে মেঘা-র জন্য খারাপ লাগছে।মেয়েটা আসলেই নিখুঁত এবং নিঃস্বার্থ ছিলো।সুন্দর ছিলো খুউউউউব🤍
Read all reviews on the Boitoi app
প্রেমময় সুখ – মিনি রিভিউ “প্রেমময় সুখ” বইটি প্রেম আর অতিরিক্ত আবেগের মাঝের সূক্ষ্ম পার্থক্যটা সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। সহজ ভাষা, বাস্তব অনুভূতি আর মানসিক দ্বন্দ্ব গল্পটাকে পড়তে আকর্ষণীয় করে তোলে। অল্প সময়ের মধ্যে ভাবনায় ডুবিয়ে দেওয়ার মতো একটি ই–বুক।