
গল্পসংক্ষেপ: অভিশপ্ত ম্যানশন ফটোগ্রাফার অর্ণব এক রহস্যময় জলাভূমির প্রাসাদে ঢুকে আটকা পড়ে এবং ১৯২০ সালের এক ভয়ানক ইতিহাসের খোঁজ পায়। সে জানতে পারে, সে ম্যানশনের স্রষ্টা 'রুদ্র'-র বংশধর। এক দুর্ঘটনায় অর্ণবের শরীর দখল করে নেয় এক প্রাচীন পিশাচ, আর অর্ণব পরিণত হয় আত্মায়। তাকে বাঁচাতে আসে বন্ধু সুমিতের বোন, প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর টিয়া। তারা ‘সময়-চক্রের’ মাধ্যমে অতীতে গিয়ে পিশাচের উৎস—একটি মহাজাগতিক উল্কাপিণ্ড—উদ্ধার করে। এর ফলে ম্যানশন ধ্বংস হলেও পাথরটি অর্ণবের শরীরে মিশে বর্তমানে ফিরে আসে। অমাবস্যার রাতে পিশাচটি বিশাল ‘ধোঁয়ার দানব’ হয়ে শহর ধ্বংস করতে চায়। অর্ণব (রুদ্র ও সুমিতের আত্মার শক্তিতে বলীয়ান) ও টিয়া মিলে গ্যাস রিফাইনারিতে এক মহাযুদ্ধে পিশাচকে হারায়। অবশেষে পাথরটি ধ্বংস করতে তারা হিমালয়ের এক দুর্গম গুহায় যায়। সেখানে পাথরটি অর্ণবকে গ্রাস করতে চাইলে রুদ্র ও সুমিতের আত্মা অর্ণবের শরীর থেকে বেরিয়ে পাথরটিকে আঁকড়ে ধরে অতল খাদে ঝাঁপ দেয়। দুই আত্মার আত্মত্যাগে অর্ণব শাপমুক্ত হয়ে টিয়ার সাথে নতুন জীবনে ফিরে আসে। বন্ধুত্বের এই জয় দিয়েই গল্পের ইতি ঘটে।
যারা বইটি পড়বেন তাদের জন্য পরামর্শ হলো "অর্নব" এর যায়গায় নিজেকে অনুভব করবেন, তাহলেই এই গল্পের প্রতিটা রহস্য অনুভব করতে পারবেন। ধন্যবাদ সবাইকে ❤️🥀
Read all reviews on the Boitoi app