

ঝড়ের রাতে, সিটি হাসপাতালের নাইট শিফটে একা ডিউটিতে ছিলেন ডা. ইমতিয়াজ। রাত ২টা ৪০-এ জরুরি বিভাগে আসে এক ভয়াবহ অ্যাকসিডেন্ট কেস। অচেতন, রক্তাক্ত, অচেনা এক যুবক। কিন্তু অপারেশন টেবিলে তার জ্যাকেটের ভেতর থেকে পাওয়া একটা ছবি বদলে দেয় সবকিছু। ছবিটা সেই আহত যুবকের নয় ছবিটা স্বয়ং ডা. ইমতিয়াজের। আর নিচে লেখা, “আজ রাত ৩টা। লোকেশন: হাসপাতাল।” এরপর একে একে বেরিয়ে আসতে থাকে ভয়ংকর সত্য তেতো কফি, অজানা মেসেজ, ভাড়াটে খুনি, আর বিশ্বাসঘাতকতার ছায়া। যে মানুষটাকে বাঁচানোর জন্য জীবন বাজি রাখলেন তিনি, সেই মানুষটাই এসেছিল তাকে খু'ন করতে। কিন্তু প্রশ্নটা একটাই খুনির পেছনে আসল মস্তিষ্কটা কে? এক রাত, এক হাসপাতাল, এক অসমাপ্ত খুনের পরিকল্পনা আর এক ডাক্তারের বেঁচে থাকার লড়াই। 'নাইট শিফটের শেষ রোগী' বিশ্বাস ভাঙার শব্দ কখনো সাইরেন দিয়ে আসে না।