

গ্রামের একজন স্কুলশিক্ষিকা পদ্য। বয়স ভদ্রসীমা পেরিয়ে গেলেও বিয়ের প্রসঙ্গ এলে বরাবরই সে নীরব। কেন— কেউ তা জানে না। অনিক, পাশের বাড়ির ছেলে। ছোটবেলা থেকে পদ্যকে “আপু” বলেই ডেকেছে। বয়সে সাড়ে তিন বছরের ছোট এই ছেলেটি একদিন হুট করেই শহরে পাড়ি জমায়। এরপর আর ফিরে আসেনি। এখন সে প্রতিষ্ঠিত কথাসাহিত্যিক। প্রতি বছর তার বইগুলো পাঠকদের মন জয় করে। কিন্তু সেও কেন যেন বিয়ের প্রসঙ্গে নিশ্চুপ। উভয়ের দুই পরিবার এই অদ্ভুত রহস্যের কারণ খুঁজে বের করতে ব্যর্থ। তাদের জীবনে এই গোপন প্রণয় এসেছে ভিন্ন পথে। যেমনটি আইয়ুব বাচ্চুর গানের কথায় বলা হয়— “আমি তো প্রেমে পড়িনি, প্রেম আমার ওপরেই পড়েছে।” ছোটবেলার সম্পর্কের বাঁধন আর অসম বয়সের ব্যবধান কি তাদের ভালোবাসার পথকে থামিয়ে দিল? পরিণামের কথাই ভেবে কি ওরা নিশ্চুপ? না কি তারা সাহস করে সমাজ ও পরিবারের চোখরাঙানিকে উপেক্ষা করে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করবে? প্রকাশ করলেই বা সমাজ এবং পরিবারে প্রতিক্রিয়া কী হবে? শেষ অবধি এই প্রণয়েরই বা কী পরিণতি হয়েছিল?