

আমি এই সপ্তাহের মধ্যে তোমার বিয়ে দিয়ে দিবো।” অহনা চোখ তুলে বাবার দিকে তাকালো। কিন্তু তাকে বোঝানো দায়। নিজের করা সিদ্ধান্তের নড়চড় হতে মোটেও প্রস্তুত নন তিনি। হতাশায় গুমরে উঠে নিখাদ, মলিন কণ্ঠে অহনা বললো, “বাবা, আমি উনাকে বিয়ে করবো।” “তাহলে শুনে রাখো, যেদিন তুমি ওই বখাটে ছেলেকে বিয়ে করবে, সেদিন আমার মরা মুখ দেখবে।” এমন এক সন্ত্রাসী, বখাটে প্রকৃতির লোককে বিয়ে করে নিজের মেয়ের জীবন নষ্ট করতে দিতে মোটেও প্রস্তুত নয় মোশারফ হোসেন। নিজের মেয়েকে নিয়ে তুমুল বড়াই তার। কী করে সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী, গুন্ডা লোককে বিয়ে করতে দিতে পারে? আদৌ কি তার এই বড়াই আজীবন টিকবে?