

স্বামী বদলানোর সুযোগ থাকলে আজই বদলে ফেলত রিতু। যাকে বিয়ে করেছে, তাকে নিজের পছন্দেই করেছে। সেই মানুষ জানে না তার প্রিয় ফুল দোলনচাঁপা। বিয়ের তিন বছরে হাতে একটা ফুলও উঠল না একদিনের জন্য! খোদেজার প্রতিভা বহুমুখী। মনজির বলেছে, সে ছোটখাটো বিরল প্রতিভা। যত্ন পেলে সে কবি নজরুলের মতো মহীরুহ হতে পারে। মনজিরকে তার খুব পেয়ার লাগে। খোদেজার স্বপ্ন, একদিন সে মনজিরের বউ হবে। শৈতী বিয়ে করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কঠিন সিদ্ধান্ত। বিয়ে কি শুধু দুটো ভাত-কাপড়ের জন্য অন্যের বশ্যতা স্বীকার করে নেওয়া! নিজের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা সে নিজেই করতে পারে। খুব তীব্র, তীক্ষ্ণ একটা ব্যথা সে আজও ভুলতে পারে না। নাহ্, বিয়ে সে আর করবে না। স্বপ্নবাজ তৈশী, আলাভোলা আরিফ, চঞ্চল দীপু, লাস্যময়ী নায়লা, শান্ত চপল, উদাসীন অনিক— বিচিত্র সব মানুষ, বিচিত্র তাদের গল্প। সবাই সুখ চায়, শেষমেশ কি তা অধরাই থেকে যায়? কেউ কেউ জীবনের মানে বুঝে চুপ করে যায়, কেউ চলার পথ পাল্টায়। তারপর? দীপু, নায়লা, শৈতী, আরিফ, তৈশী, অনিক—তাদের গল্পের শেষ কোথায়? তাদের স্বপ্ন কি পূরণ হয়, নাকি অধরাই থেকে যায়? জানতে হলে ডুব দিন স্বপ্নের রাজ্যে— ‘স্বপ্ন মধুর মোহে’।