

বিদেশ থেকে আসার পরে এই প্রথম আইদান তার কোম্পানির জন্য নেওয়া জমির দিকে যায়। ঘড়িতে তখন সকাল আটটা ত্রিশ। কোম্পানির একপাশে গার্লস স্কুল, আরেকপাশে বিশাল বড় মাঠের সাথে লেক। যার কারণে কোম্পানিটা এখানে নেওয়া। আইদানের কোম্পানিটা এই মাঠমুখো হওয়ায় কর্মীরা কাজের পাশাপাশি এই সুন্দর দৃশ্য দেখে মানসিক তৃপ্তিও পাবে। আইদান লেকের পাশের বেঞ্চিতে বসে পড়ে। মাস্ক খুলে মুখে পানি ছিটিয়ে দুই ঢোক পানি গলায় দিতেই এক মেয়েলি ঘ্রাণ তার নাকে আসে। আইদান মাস্ক ঠিক করে পাশে তাকাতেই মুগ্ধ হয়ে যায়৷ তার সামনেই ষোড়শী কন্যা স্কুল ড্রেস পরে, চুল খুলে পানিতে পা ডুবিয়ে বসে আছে। আইদানের হৃদস্পন্দন যেন কিছু সময়ের জন্য থেমে যায়৷ আইদানকে বশীভূত করতেই হয়তো তখনই রূপকথা মায়া মায়াময় কণ্ঠে বলে ওঠে, “ওতো দূর থেকে এই সৌন্দর্য দেখে মজা পাবেন না জনাব! এই স্বচ্ছ পানিতে পা ডুবিয়ে, ঠান্ডা শীতল বাতাস নিজের অঙ্গে ছুঁয়ে দিয়ে আকাশের পানে তাকালে বুঝবেন—প্রশান্তি আর সৌন্দর্য যখন মিলে যায়, তখন কতটা শান্তির অনুভূতি হয়৷”