

বিয়ের মাত্র দেড় বছরের মাথায় এসে হৃদির সাজানো পৃথিবীটা এক মুহূর্তে কাচের পুতুলের মতো ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেল। যে নিহাদকে সে নিজের সুখের চিরস্থায়ী ঠিকানা ভেবেছিল, তার জীবনের এক অন্ধকার, গোপন অধ্যায় যখন অকপটে সামনে এসে দাঁড়াল, তখন হৃদির পায়ের তলা থেকে সরে গেল মাটি। বিশ্বাসের চরম অবমাননা আর এক জঘন্য প্রতারণার খেলা সহ্য করতে পারেনি মা-বাবার নয়নের মণি, আদরের হৃদি। সমস্ত আত্মসম্মান বিসর্জন না দিয়ে সে সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে ফিরে এসেছিল নিজের চেনা আঙিনায়। কিন্তু মানুষের অবাধ্য মন কি আর নিয়মের বেড়াজালে চলে? বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত আত্মসম্মানকে স্বস্তি দিলেও হৃদির রক্তাক্ত মনকে শান্তি দিতে পারেনি। ভেতরের তীব্র দহন, একাকীত্ব আর ওই নির্মম আঘাতে হৃদি যখন এক জীবন্ত লাশে পরিণত হলো, ঠিক তখনই তার সেই নিকষ অন্ধকারে ধ্রুবতারার মতো এসে দাঁড়াল ইজাজ আহসান—তার শৈশবের বন্ধু। যে হৃদির ভগ্ন মনস্তত্ত্বকে সারিয়ে তুলতে নিজের পুরো জীবনটা উজাড় করে দিতেও দ্বিধা করেনি। ঝড়ের রাতে কালবৈশাখীর তাণ্ডবকে সাক্ষী রেখে ইজাজ যখন সব সামাজিক বেড়াজাল ও কুৎসিত অতীতকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হৃদির হাতটা শক্ত করে ধরল, তখন থেকেই শুরু হলো এক নতুন উপাখ্যান। কিন্তু কেমন ছিল তার পরিণাম?
"“ফাগুন এলো আবার” গল্পটা বেশ ভালো লেগেছে। গল্পের অনুভূতিগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পড়তে পড়তে একটা আলাদা ভালো লাগা কাজ করেছে। ☺️🫶🌻🌸"
“ফাগুন এলো আবার” গল্পটা বেশ ভালো লেগেছে। গল্পের অনুভূতিগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পড়তে পড়তে একটা আলাদা ভালো লাগা কাজ করেছে। ☺️🫶🌻🌸
Read all reviews on the Boitoi app
অনেক সুন্দর ছিলো গল্প টা। আপুর সব গল্প আমার পড়া। অনেক সুন্দর লেখনী। 😊💝✨🫶
onk sundor hoyeche apu 🥰🥰
আমাদের মেয়েদের জীবন ভারী অদ্ভুত। আমাদের বেশির ভাগ মানুষ খেলনার মাত্র মনে করে। হৃদির চরিত্র টা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। তার থেকে বেশি শিখিয়েছে ইজাজ এর চরিত্র। গল্পের অনেক গুলো শেখার দিক ছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল বিয়ের আগে অবশ্যই সন্তানদের মত নেওয়া উচিত। সঠিক মানুষ খোঁজা উচিত। সব কিছু জেনেই বিয়ে দেওয়া উচিত। নাহিদ এর পরিবারের মতো আমাদের সমাজে হাজারো এমন পরিবার আছে নিজেদের সম্মান কথার ভার রাখার জন্য তাদের সন্তানদের মূল্য দেয় না। সব মিলিয়ে আমার বেশ ভালো লেগেছে গল্পখানা 🥰
ভালো লাগলো। ছোট্টর মধ্যে মন্দ না। তবে নিহাদ আর নাইমুরা চরিত্র দুটির শাস্তি দেখার ইচ্ছে ছিলো। আরও টুকটাক লুপহোল ছিলো। হয়ত গল্পটা ছোটো দেখে এত ডিটেইলসে যাওয়া হয়নি।
আসসালামু আলাইকুম। ই-বুকটি মাত্র পড়ে শেষ করলাম। সত্যি বলতে, অসাধারণ লেগেছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্পটি আমাকে মুগ্ধ করে রেখেছে। হৃদির মতো কতজনই বা পারে এমন বিশ্বাসঘাতকতার পর নিজের আত্মসম্মানকে প্রাধান্য দিয়ে সেই সংসার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে? বাস্তবে তো এমন অসংখ্য ঘটনা ঘটে, যেখানে একজন পুরুষ প্রথম স্ত্রীর অনুমতি তো দূরের কথা, তাকে না জানিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করে। অথচ সেই প্রথম স্ত্রীই সবকিছু চুপচাপ সহ্য করে সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। সমাজের ভয়, মানুষের কথা আর ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার কারণে অনেক নারী ভাবেন, "এই সংসার ছেড়ে গেলে আমার কী হবে?" তাই নিজের কষ্টগুলো নীরবে বয়ে বেড়ান। আরও দুঃখের বিষয় হলো, অনেক সময় পরিবারের মানুষ, এমনকি সেই মেয়ের মা-বাবাও বলেন, "একটা বিয়েই তো করেছে, এটা মেনে নিয়ে সুন্দরভাবে সংসার করো।" কিন্তু খুব কম মানুষই সেই নারীর মানসিক কষ্ট, ভাঙা বিশ্বাস কিংবা আত্মসম্মানের দিকটি বোঝার চেষ্টা করেন। আর হৃদির জীবনে ইজাজের আগমনটা সেই ছিলো। ইজাজের ভালোবাসা, যত্ন দেখে ক্ষণে ক্ষণে আমি মুগ্ধ হয়েছি। বারবার মনে হয়েছে ইস! বাস্তবেও কি কেউ এভাবে ভালোবাসতে পারে? যদি কেউ আমাকে এভাবে ভালোবাসত! 🥺 সত্যি বলতে ইজাজের চরিত্রটা অসাধারণ ছিল। ওর মতো একজন জীবনসঙ্গী থাকলে আর কী-ই বা লাগে! 😭🫶🏻 ২০০ টা id থেকে বিয়ে জন্য প্রপোজ করা।এত সুন্দর আর গভীর ও ভালোবাসা এক কথায় মুগ্ধ হয়েছি ওকে পড়ে 🫶🏻। ওর চরিত্রটা পড়ে আমার মনই ভরেনি। বরং আরও পড়তে ইচ্ছে করছিল। 😭 আর শেষের নাইমুরা চরিত্রটা যেন বাস্তব জীবনের অসংখ্য নারীর গল্প। সমাজের বেড়াজাল, মানুষের কথা আর নানা বাধার কারণে তারা শত অপমান, অবহেলা আর কষ্ট সহ্য করেও সেই সম্পর্ক থেকে বের হতে পারেন না। ☹️ আর নিহাদের মতো শত শত কাপুরুষ বাস্তবেও আছে। Allover, আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে আর অসম্ভব সুন্দর হয়েছে 🥹🫶🏻।
অনেক সুন্দর হয়ছে আপু।ইজাজ এর মতো মানুষ সবার জীবনে আসুক!!