

ছুটি কাটিয়ে বাসায় ফেরার পথে বর্ণ ও মঞ্জু দম্পতি অদ্ভুত এক গোলকধাঁধায় আটকে পড়ে। সেখান থেকে তারা আশ্রয় নেয় এক রহস্যময় ডাকবাংলোয়। ক্রমেই তারা বুঝতে পারে, তারা তাদের চেনা-পরিচিত পৃথিবীতে নেই। সেখানে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় জামিল ও মামুন—দুজনের জীবনেই রয়েছে অপরাধ, ভয় ও অপরাধবোধের অন্ধকার ইতিহাস। এরপর তারা একে একে প্রবেশ করে রহস্যময় জঙ্গল, রক্তপিপাসু হাসপাতাল, মৃতদের গ্রাম এবং আত্মাদের ট্রেনে। প্রতিটি জায়গায় তাদের সামনে আসে মৃত্যু ও অতিপ্রাকৃত আতঙ্কের নতুন রূপ। শেষ পর্যন্ত তারা জানতে পারে, তারা আটকে পড়েছে জন্ম-মৃত্যুর এক ভয়ংকর চক্রে। ঠিক তখনই আবির্ভূত হন ভূ-নাথ তান্ত্রিক। তিনি মন্ত্রসাধনার মাধ্যমে সেই মৃত্যুচক্র ভাঙার চেষ্টা করেন। ভয়ংকর এক অপশক্তির সঙ্গে সংঘর্ষের পর বর্ণ ও মঞ্জু ফিরে আসে নিজেদের পৃথিবীতে। কিন্তু তারা কি সত্যিই মহাশ্মশানের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়েছে—নাকি সেই অশুভ জগতের রহস্য এখনো তাদের পিছু নিয়েছে?