

ভাইয়ের বিয়ের দিনই সপ্তদশী কন্যা প্রিয়তার বিয়েটা হয়ে গেল। সে যাকে সবচেয়ে বেশি ভয় পেত, তারই সাথে হলো বিয়েটা। বোনের একমাত্র দেবর, মন্ত্রী মির্জা সাদনান শাহরিয়ার। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি তাকে নেওয়া হয়নি। এবং বর পর্যন্ত তার মুখটা দেখেনি। বিয়ের দিনই চলে গেল রাজধানীতে। আর তারপর কারও মুখে প্রিয়তা এই বিয়ে নিয়ে কোনো কথা শুনেনি। এমনকি যখন এর দুই দিন পর ভাইয়ের ওয়েডিং রিসেপশনের জন্য দুই পরিবার একত্রিত হলো, তখনও না। মানে, সম্পূর্ণ সবার এমন স্বাভাবিক আচরণে প্রিয়তা ধরেই নিল, সে হয়তো কোনো স্বপ্ন দেখেছে। কিংবা ওভারথিংক করেছে। কিন্তু এটা কীভাবে হতো? সে তো ওই লোককে নিয়ে কখনোই এমন ভাবেনি। তাহলে? এটা ফ্যান্টাসি, সেটাই বা কী করে ভাবত সে? অনুষ্ঠানে লোকটার সাথে দুইবার চোখাচোখি হয়েছে তার। আর একবার কথা হলো। তা-ও খুব স্বল্প বাক্যে সাদনান শান্ত স্বরে বলল, "লিপস্টিক মুছে ফেলো। খুবই বাজে দেখাচ্ছে।" প্রিয়তার হাতটা নিজের অজান্তেই ঠোঁট ছুঁয়ে গেল। আশ্চর্য! এটা কেমন কথা? কেউই তো তাকে বলেনি, তাকে মেরুন লিপস্টিকে খারাপ লাগছে। তাহলে তিনি কেন বললেন? প্রিয়তা কঠিন কিছু বলার জন্য শব্দ হাতড়াল। কিন্তু কিছুই খুঁজে পেল না। আশ্চর্যের দৃষ্টি মুহূর্তেই টলমল হলো। এমন করে কেউ কখনোই তাকে মুখের ওপর এমন কথা বলেনি। সেদিনের পর আর তাদের মধ্যে কথা হয়নি পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে। অথচ তার প্রিয় দুলটা যখন হারিয়ে গেল, পুরো বাড়ির মানুষ সেটা খোঁজাখুঁজি করলেও শান্ত, গম্ভীর গোছের মানুষটা নিজের ফোন থেকে মাথাটা তুলে তার দিকে একবার তাকাল পর্যন্ত না।
সাদনান প্রিয়তা কে পড়তে আমার সব সময় ভালো লাগে কিন্তু এই ই-বুকটা পড়ে নতুন কিছু পেলাম না
Read all reviews on the Boitoi app
সুন্দর হয়েছে