

চট্টগ্রাম শহরের ক্ষমতা, দাপট আর কঠোর রাজনৈতিক অঙ্গনের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম—“সাদ মির্জা”। অন্যদিকে, ফালাক—যার স্নিগ্ধ, মায়াবী রূপ আর সীমাহীন ধৈর্য আলো ছড়িয়ে রেখেছে পুরো মির্জা পরিবারে। কঠোর, দুর্ধর্ষ পুরুষটি দিনশেষে হার মেনে যায় এক জোড়া মায়াবী চোখের চাহনির কাছে! ক্ষমতার অন্ধকার রাজনীতি, ষড়যন্ত্র, দায়িত্বের ভার আর দাম্পত্য ভালোবাসার গভীর টানাপোড়েন—সবকিছুর মাঝেই গড়ে ওঠে তাঁদের সম্পর্ক। কখনো শুভ্র কবুতরের ডানায় ভেসে আসে ভালোবাসার বার্তা, কখনো মুষলধারে বৃষ্টির মাঝে জেগে ওঠে অনুরাগের স্পর্শ, আবার কখনো ছাদে আলো-আঁধারির খেলায় সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে যায় দুটি হৃদয়। কিন্তু ভালোবাসার পথ কি কখনো এত সহজ হয়? বহু ঝড়, ষড়যন্ত্র আর অন্ধকার পেরিয়ে—গম্ভীর “সাদ” আর কোমলমনা “ফালাক” কি পারবে সমস্ত আঁধারকে পেছনে ফেলে ভালোবাসার আলোয় নিজেদের গল্প লিখে যেতে? ক্ষমতার রাজনীতি আর হৃদয়ের অনুরাগ—দুই বিপরীত জগতের অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এক গভীর, আবেগময় প্রেমকাহিনি।
"আমি এই রোমান্টিক বইটি সত্যিই খুব উপভোগ করেছি। গল্পটি মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো ছিল, চরিত্রগুলো ছিল বাস্তবসম্মত এবং শেষের অংশটি আমাকে দারুণ আনন্দ ও তৃপ্তি দিয়েছে। রোমান্স ঘরানার বই যারা পছন্দ করেন, তাদের আমি অবশ্যই এই বইটি পড়ার সুপারিশ করব।"
আমি এই রোমান্টিক বইটি সত্যিই খুব উপভোগ করেছি। গল্পটি মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো ছিল, চরিত্রগুলো ছিল বাস্তবসম্মত এবং শেষের অংশটি আমাকে দারুণ আনন্দ ও তৃপ্তি দিয়েছে। রোমান্স ঘরানার বই যারা পছন্দ করেন, তাদের আমি অবশ্যই এই বইটি পড়ার সুপারিশ করব।
Read all reviews on the Boitoi app
এই ই-বুকটা আমার কাছে এক কথায় অসাধারণ লেগেছে। ফেসবুক ফালাক গল্পের প্রথম আর দ্বিতীয় এই দুইটা সিজনই চমৎকার। আমি এটা বলবো না যে ই-বুকের গল্পটাই বেস্ট হয়েছে, কারণ ফেসবুকের গল্পটাও অসাধারণ, বাট ই-বুক হিসেবে বেস্ট। আর প্রতিটা ক্যারেক্টার খুব নিখুতভাবে সাজানো ছিল। ফালাক : একেবারে আমার মনের মতো একটা ক্যারেক্টার ছিল। সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে যখন ফালাক সাদের খুব যত্ন নেয়, আবার সাদ যখন জেলে যায়, তারপরে ফালাক যেভাবে সাদকে বাচাঁনোর জন্য প্রতিটা পদক্ষেপ নিয়েছিল। মা হিসেবেও ফালাককে অসাধারণ লেগেছে আমার কাছে।❤️❤️ সাদ : এনার কথা তো নাই বলি। এনাকে তো ভালো লাগবেই। বাট এবার মেয়র হিসেবে "সাদ মির্জা" জাস্ট ফাটাফাটি ছিল। আর মাঝেমাঝে ফালাকের জন্য যেভাবে পাগলামি করত সেটা তো আর নাই বলি।মেয়র সাদ মির্জা জাস্ট দারুণ ছিল।❤❤️ নীল : এই চরিত্রটা খুব সুন্দরভাবে আপু ফুটিয়ে তুলেছে। নীল সত্যিই ফালাককে মন থেকে ভালোবেসেছিল। তারপরেও নীল যেভাবে নিজের প্রিয় মানুষের জন্য ত্যাগ করেছে সেটাই বা কজন পারে এক কথায় নীল চরিত্রটাও আমার খুব ভালো লেগেছে। সাফওয়ান : সাফওয়ান চরিত্রটা সাদ ফালাকের ভালোবাসার পূর্ণতা। সাফওয়ানকে নিয়ে আর কিছু বলার নেই। আর গল্পের বাকী চরিত্রগুলো যেমন- আয়ান, ঈশান, নাওমি, রিম, নীলা এদের সাথে ফালাকের বন্ডিংটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। আর ইকবাল মির্জা, ইসতিয়াক মির্জা, নাফিসা মির্জা, হুমাইরা মির্জা,সৈয়দা মির্জা এই চরিত্রগুলো খুব পারফেক্ট ছিল। এক কথায় এটা আপুর প্রথম লিখা ই-বুক হলেও এর কাহিনীটা খুব সুন্দর ছিল। 🥰🥰🥰
ফালাক গল্পটা আমি শুরু থেকে পড়েছি। অপেক্ষায় ছিলাম কবে আসবে ইবুক কাল যখন দেখলাম চলে এসেছে আর ধৈর্য সইলো, কিনলাম আর পড়লাম আমার অনেক ভালো লেগেছে অসাধারণ লেখা। সাদ বরাবর ফালাকে পাগল প্রেমিক তবে এখানে সে আসলে পাগল প্রেমিক আর স্বামী হয়েছে অসংখ্য ধন্যবাদ গল্পটা উপহার দেয়ার জন্য। আশা করি সামনে আরও পাবো এমন এমন মন ভালো করা গল্প
গল্পটা ফেসবুক থেকে প্রিয় সব থেকে পছন্দের সাদ মির্জা মানি ওরথিট ই-বুক প্রশান্তি পেলাম বইটা পড়ে! ভালো ছিলো!,❤️
“ফালাক” শুধু একটি গল্প নয়, এটি অনুভূতির এক নীরব যাত্রা। গল্পের চরিত্রগুলোর আবেগ, ভালোবাসা, অভিমান আর জীবনের টানাপোড়েন খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। পড়তে পড়তে কখনো মন ভালো হয়েছে, আবার কখনো কিছু মুহূর্ত হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। লেখিকার লেখার ধরন বেশ সাবলীল ও আবেগঘন। চরিত্রগুলোর অনুভূতিগুলো এমনভাবে তুলে ধরেছেন যে, পাঠক সহজেই গল্পের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলতে পারেন। কিছু দৃশ্য দীর্ঘক্ষণ মনে থেকে যাওয়ার মতো। সব মিলিয়ে “ফালাক” একটি হৃদয়ছোঁয়া ও উপভোগ্য বই। যারা আবেগ, সম্পর্ক আর সুন্দর গল্প পড়তে ভালোবাসেন, তাদের জন্য বইটি অবশ্যই ভালো লাগবে। ❤️
এ যেন শুধু গল্প নয় মন ভালো করার ঔষধ। মনটা ভরে গেল। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটা গল্প আমাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য। গল্প পড়ে আমি মুগ্ধ অসাধারণ সুন্দর একটা গল্প। এককথায় অসাধারণ।
সবকিছু একসাথে মিলিয়ে, একদম সহজ ও নিখুঁতভাবে পুরো রিভিউটি নিচে দেওয়া হলো: ------------------------------ ## 📖 বইয়ের নাম: [ফালাক] লেখিকা: ইনায়া জারিশ ক্যাটাগরি:-রোমান্টিক, ফ্যামিলি ড্রামা,রাজনীতি সম্পর্কের বাঁধন, ফেলে আসা অতীত আর এক বুক ওলটপালট করা আবেগের এক জীবন্ত দলিল হলো '[ফালাক] লেখিকা ইনায়া জারিশ খুব সাধারণ এক পারিবারিক প্রেক্ষাপটকে আবেগের এমন এক সুতোয় বুনেছেন, যা পাঠককে এক অদ্ভুত ভালোলাগার চাদরে জড়িয়ে রাখে। এটি কেবল এক জোড়া মনের গল্প নয়, বরং দুটো জীবনের একে অপরকে পূর্ণতা দেওয়ার গল্প। ## 👥 চরিত্রের আলো-ছায়া ও মনস্তত্ত্ব: * সাদ মির্জা: রাজনীতি আর পারিবারিক ব্যবসার ব্যস্ততার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক গম্ভীর, কঠোর পুরুষ। প্রথম দেখায় তাকে একরোখা মনে হলেও, ফালাকের জীবনে সে ছিল এক বটবৃক্ষের মতো। পারিবারিক চাপে বিয়ে করলেও, ফালাকের প্রতি তার কোনো অবহেলা ছিল না। বরং সময়ের সাথে সাথে সাদের সেই কঠোরতার খোলস ভেঙে বেড়িয়ে আসে এক অসম্ভব প্রেমিক রূপ, যে তার ভালোবাসার চাদরে ফালাকের জীবনের সবটুকু অতীত আর কষ্টকে নিমেষেই মুছে দেয়। * ফালাক: ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারিয়ে মামা-মামীর সংসারে অবহেলা আর কষ্টে বড় হওয়া এক মেয়ে। যার জীবনে মেঘ ছাড়া কোনো আকাশ ছিল না, তার জীবনের নীল আকাশ হয়ে আসে মির্জা পরিবার। ফালাক এক চিরন্তন নারীচরিত্র—যে কেবল সহ্যের প্রতিমূর্তি নয়, বরং সুখে-দুঃখে স্বামীর পাশে ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে থাকা এক অনন্য প্রেরণা। * মির্জা পরিবার: সাধারণত উপন্যাসে যে ধরণের জটিল বা কুটিল শ্বশুরবাড়ির ছবি আমরা দেখি, এই গল্পটি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। ফালাকের চাচা-চাচী সহ পুরো মির্জা পরিবার তাকে যেভাবে বুক বাড়িয়ে আপন করে নিয়েছে, তা আমাদের একান্নবর্তী পরিবারের সেই হারিয়ে যাওয়া নিখাদ ভালোবাসার কথা মনে করিয়ে দেয়। * নীল: এই গল্পের অন্যতম এক পরিপক্ব চরিত্র। ফালাকের প্রতি তার একতরফা ভালোবাসা থাকলেও, সে কোনো অন্ধ আক্রোশে মেতে ওঠেনি। বরং ফালাকের সুখের জন্য নিজের আবেগকে বিসর্জন দিয়ে সে এক অদ্ভুত উদারতা দেখিয়েছে। পরবর্তীতে নাওমি-র সাথে তার জীবনের নতুন অধ্যায়টি প্রমাণ করে যে, ভাঙা মনও আবার নতুন করে ভালোবাসতে জানে। * সাফওয়ান: গল্পের একদম শেষলগ্নে সাদ ও ফালাকের ভালোবাসার পূর্ণতা হয়ে আসে তাদের আদুরে সন্তান সাফওয়ান। এক চিলতে রোদের মতো তার আগমন গল্পে এক অপরূপ স্নিগ্ধতা এনে দেয়। ছোট্ট সাফওয়ান যেমন মিষ্টি, তেমনই অবিকল তার বাবার প্রতিচ্ছবি। তার ছোট্ট প্রতিটি চপলতা আর বাবাকে হুবহু 'কপি' করার চেষ্টা পাঠকদের ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি ফুটিয়ে গল্পটির এক মধুর সমাপ্তি টানে। কোনো কৃত্রিম খলনায়ক বা জোর করে আনা নাটকীয়তা ছাড়াই, কেবল পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করে যে এত সুন্দর একটা গল্প লেখা যায়, '[ফালাক]তার এক অনন্য উদাহরণ। বইটির আরেকটি ভালো দিক হলো, অফারে কেনা এই ই-বুকটি এর কম দামের তুলনায় আকারে বেশ বড় এবং দারুণ সুন্দর একটি গল্প ছিল, যা সত্যি এক বিশাল প্রাপ্তি। গল্পটি পড়া শেষ করার পরও এর প্রতিটি চরিত্রের সুবাস পাঠকের মনে অনেকদিন থেকে যায়। রেটিং:-১০/১০