

শ্বশুরমশাই নিজে পছন্দ করে আমাকে বাড়ির বউ করে এনেছিলেন। কিন্তু যার ঘরের ঘরণী হতে এসেছিলাম, সেই মানুষটার অর্থাৎ আমার স্বামী নাহিদের মনে আমি জায়গা পাইনি। শাশুড়ি মায়েরও আফসোসের শেষ ছিল না, ছেলের বউ নাকি মনের মতো রূপসী হয়নি! দেখতে কালো, কুৎসিত! সেই আফসোস আর জেদ থেকেই মায়ের কথামতো নাহিদ দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘরে তুলল ঝুমুরকে। মেয়েটার বয়স নাকি সবে চৌদ্দ। ফর্সা গায়ের রঙ, ডাগর ডাগর চোখ, এক্কেবারে পুতুলের মতো দেখতে। কিন্তু অবাক কাণ্ড হলো, এই বাড়িতে পা রাখার পর থেকেই মেয়েটা কেমন যেন আমার সাথে ভাব জমাবার জন্য ছটফট করতে লাগল। আমার ছায়ার মতো পিছু পিছু ঘোরে, কথায় কথায় হাসে। আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না কিছু। এই বয়সের একটা মেয়ে, যে কিনা আমার সতীন! সতীন তো হয় শত্রুর মতন! বিষাক্ত, তিক্ততার সম্পর্ক, অথচ সে কিনা আমার সাথেই সখ্যতা গড়ে তুলতে ছটফট করছে! কেন? কী লুকিয়ে আছে ওর এই ব্যাকুলতার পেছনে?
"গল্পটি অসাধারণ হয়েছে। সমাজের অবহেলিত নারীদের রূখে দারানো এবং নারী সংগঠন নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করার বিষয়গুলো খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ"
গল্পটি অসাধারণ হয়েছে। সমাজের অবহেলিত নারীদের রূখে দারানো এবং নারী সংগঠন নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করার বিষয়গুলো খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
Read all reviews on the Boitoi app