

"আমার এতো প্রিয় বইটার এখনো কোন রিভিউ দেইনি। আজকে খেয়াল করলাম। এতো বিশাল কলরবে লেখা বই বইটই এ বোধহয় দ্বিতীয় টা নেই। এতো বিশাল বইয়ের এতো এতো ঘটনার ঘনোঘটা। কোনটা রেখে কোনটা নিয়ে বলবো বুঝে উঠতে পারছিনা। বড় পরিসরের লেখায় একটা সমস্যা হচ্ছে একপর্যায়ে একটু একঘেয়েমি বিরক্তি চলে আসে। তবে লেখকটা যখন শারমিন আঞ্জুম এক্ষেত্রে ম্যাজিক আছে। এতো বড় বই অনলাইনে পড়তে সমস্যা হওয়ার কথা। কিন্তু এই বই আমি বেশ অনেকবার পড়েছি। আমার মন খারাপ বা ভালো থাকার সঙ্গী হিসেবে যে কটা বই আছে। তার মধ্যে একটা হৃদয়ে মম। রোমান্টিক ঘরয়ানার এই বইটা আপনাকে একটা সেকেন্ডের জন্যেও বোরড হতে দিবে না। কখনো কমেডি সংলাপ, কখনো রোমান্স, তো কখনো বাস্তবতায় ঘেরা জীবনবোধ মুলক সংলাপের সমারোহ। রয়েছে জীন আম্মার কামাল। হালকা ফুরফুরে মেজাজের মিষ্টি প্রেমের গল্পের মধ্যে দিয়ে দুইটা জেনারেশনের মনস্তাত্ত্বিক দিক ভীষণ সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক। তার লিখন শৈলী নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। আমার কাছে তিনি জাদুকর। শব্দের বুননে তিনি জাদু করেন প্রতিটা পাঠককে। মিষ্টি রিদম ও দুষ্টু শ্রুতির টক, ঝাল, মিষ্টি প্রেমের গল্পে আপনাদেরকে স্বাগতম।"
আমার এতো প্রিয় বইটার এখনো কোন রিভিউ দেইনি। আজকে খেয়াল করলাম। এতো বিশাল কলরবে লেখা বই বইটই এ বোধহয় দ্বিতীয় টা নেই। এতো বিশাল বইয়ের এতো এতো ঘটনার ঘনোঘটা। কোনটা রেখে কোনটা নিয়ে বলবো বুঝে উঠতে পারছিনা। বড় পরিসরের লেখায় একটা সমস্যা হচ্ছে একপর্যায়ে একটু একঘেয়েমি বিরক্তি চলে আসে। তবে লেখকটা যখন শারমিন আঞ্জুম এক্ষেত্রে ম্যাজিক আছে। এতো বড় বই অনলাইনে পড়তে সমস্যা হওয়ার কথা। কিন্তু এই বই আমি বেশ অনেকবার পড়েছি। আমার মন খারাপ বা ভালো থাকার সঙ্গী হিসেবে যে কটা বই আছে। তার মধ্যে একটা হৃদয়ে মম। রোমান্টিক ঘরয়ানার এই বইটা আপনাকে একটা সেকেন্ডের জন্যেও বোরড হতে দিবে না। কখনো কমেডি সংলাপ, কখনো রোমান্স, তো কখনো বাস্তবতায় ঘেরা জীবনবোধ মুলক সংলাপের সমারোহ। রয়েছে জীন আম্মার কামাল। হালকা ফুরফুরে মেজাজের মিষ্টি প্রেমের গল্পের মধ্যে দিয়ে দুইটা জেনারেশনের মনস্তাত্ত্বিক দিক ভীষণ সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক। তার লিখন শৈলী নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। আমার কাছে তিনি জাদুকর। শব্দের বুননে তিনি জাদু করেন প্রতিটা পাঠককে। মিষ্টি রিদম ও দুষ্টু শ্রুতির টক, ঝাল, মিষ্টি প্রেমের গল্পে আপনাদেরকে স্বাগতম।
Read all reviews on the Boitoi app
৩ দিন রাত জেগে পড়ার পর অবশেষে শেষ হলো। এত বড় ইবুকের দাম এত কম দেখে খুবই অবাক হয়েছিলাম।হেহে! কতগুলো ভালোবাসা,পারিবারিক টানাপোড়েন আর কুটচালের গল্প এটা। সবগুলো গল্প ছাপিয়ে নওশাদ আর শাহানার গল্পটা আমার মনে বেশি দাগ কেটেছে। নওশাদের বলা ঐ কথাটা "তোমার আম্মু ঢাকায় জানতাম না। গরুর মাংস মজা হয়েছে" কেন জানি অনেক ভালো লেগেছে। শাহানা চরিত্রটা এত সুন্দর শেফা, দিলরুবাদের মতো সদস্য বোধহয় সব পরিবারে থাকে। শুরুতে তিন লালসুতার এত এত প্যাচ এ আমার নিজের মাথায়ও গিট লেগে যাচ্ছিলো। বারবার ভাবছিলাম এসব প্যাচ এরপর খুলবে কিভাবে? আর শ্রুতির মতো নিজেও লালসুতার ক্ষমতায় অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম। পরে অবশ্য সবকিছুর সুন্দর ব্যাখ্যাও পেয়েছি। শুরুতে ভাবছিলাম এত বড় ইবুক কীভাবে পড়ব, কয়দিনে শেষ করব (যেহেতু ইবুক ভালো লাগে না) কিন্তু শুরু করার পর শেষ না করা পর্যন্ত আর শান্তি পাচ্ছিলাম না৷ এমনকি রাত জেগে পড়ার পর ঘুমিয়েও ওদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে যাচ্ছিলাম -_- এত বড় উপন্যাসের কোথাও এক ফোটা বোরিং লাগে নি, ব্রেক নিতে ইচ্ছে করে নি। এটাই বোধহয় প্রিয় লেখকের লেখার জাদু। অবশেষে শারমিন আপুর সব বই,ইবুক পড়া শেষ হলো আলহামদুলিল্লাহ। এবার নতুন বইয়ের অপেক্ষায় দিন কাটাই🙆♀️❤️
প্রিয় একটা লেখা💕💕💕 রিদমের প্রেমে পড়ে গিয়েছি🥰
হৃদয়ে মম ইবুক টা শারমিন আঞ্জুম আপু লেখা সব চেয়ে বড় এবং সব চেয়ে হালকা মেজাজের উপন্যাস। হালকা মেজাজের বলার কারণ হচ্ছে এটা আপুর অন্যান্য উপন্যাস কবচ, বহ্নিসময় মতো এত জটিল না। উক্ত ইবুক টা প্রাপ্ত বয়স্করা পড়ে মজা পাবে তো পাবেই তার সঙ্গে টিনএজার পড়ে বেশি মজা পাবে বলে আমার ধারনা। শারমিন আঞ্জুম আপুর সব লেখার মধ্যেই কিছু সামাজিক মেসেজ থাকে এতেও ছিলো মন দিল দিয়ে পড়লেই মেসেজ গুলো ক্যাচ করা যাবে। ইবুকে কিছু অংশ পড়ার পর হাসতে হাসতে চোখে পানি এসে গিয়ে ছিলো। আবার কিছু অংশ পড়ার সময় হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়ে ছিলো। সর্বশেষ কথা হচ্ছে বহু চরিত্রের সমারোহে হৃদয়ে মম ইবুক টা এক কথায় টক ঝাল মিষ্টি আচার। যা পড়ার পর আপনিও বলবেন সাধারণের মধ্যে থেকেও অসাধারণ। জাযাকাল্লাহু আপু এত সুইট ইবুক লিখে আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য। ইবুক: হৃদয়ে মম লেখিকা: শারমিন আঞ্জুম প্রকাশনা: বইটই রিভিউ: তনিমা ইসলাম ০৪.১১.২০২৫
দ্বিখণ্ডিতা, কিছু না বলা কথা, বহ্নিসময় পড়ে দুচোখ ভিজিয়ে হৃদয়ে মম দারুণ ভাবে উপভোগ করেছি।স কি যে দারুণ একটা সময় কাটলো। শারমিন আঞ্জুম আপুর বই মানেই নতুন কিছু। মিষ্টি পাগলামিতে ভরপুর শিশু ডাক্তার আর শ্রু এর জুটি। যারা ফুরফুরে প্রেমের গল্প পছন্দ করে তাদের জন্য বেশ উপভোগ করার মতো। আরও যারা "হৃদয়ে মম " হৃদয়ঙ্গম করতে সাহায্য করেছে তারা শাহানা,দীপসু ডারলিং,সেজু ভাই,দাদী বুড়ি❤️(সঠিক সময়ে অজ্ঞান হয় রে বুইন☺️) সিলেট এর ঐ মৌলভী সাহেব আর দ্য গ্রেটেস্ট হুজুর আম্মা😁😁😁 আর জামাই শ্বশুর এক সেকেন্ড সময় ও ভালো থাকা পছন্দ করে না। নিজেরাই সমস্যাকে ডেকে নিয়ে আসে
যতবার পড়ি ততোবার ই যেন নতুন করে গল্পটার প্রেমে পড়ে যাই!!!এতো আনন্দ নিয়ে আমি বুঝি আর কোন গল্প পড়ি নাই!!!একা একা পড়তে ও মজা আর কয়েকজন মিলে আবৃত্তি করে পড়তে ও দারুন!
খুব মিষ্টি একটা গল্প পড়লাম অনেক দিন পর। গল্পের চরিত্ররা বর্তমান জেনারেশনের হওয়ায় রিলেট করতে পেরেছি। কাহিনী কিছুটা ড্র্যামাটিক, কিন্তু পড়তে বোরিং লাগেনি একটুও। সময়টা ভালো কেটেছে...
অসম্ভব ভালো লাগার মত। এত কম টাকায় এত বড় একটা উপন্যাস!!! বইটই এ বেশির ভাগ ছোট পরিসরে লিখা গল্প থাকে। তাই আমার মত যারা বড় লিখা পড়তে পছন্দ করেন তাদের জন্য অবশ্যই এই বইটা ভালো লাগবে। বর্তমান প্রজন্মের চিন্তা, লাইফ ষ্টাইল, অনুভুতি গুলো সুন্দরভাবে লেখিকা ফুটিয়ে তুলেছেন যেটা আসলেই প্রশংসনীয়..। এই গল্পের আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র শাহানা। আর সবচেয়ে অপছন্দের চরিত্র শায়লা (কেন সেটা ব্যাখ্যা করতে গেলে অনেক কথা লিখতে হবে..স্পয়লার হয়ে যাবে)। রিদম, শ্রুতি, সেজান, দীপা এই প্রজন্মের সুন্দর মনের পরিচয়।
'বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর' বহুল প্রচলিত প্রবাদটি আমরা হর হামেশাই আওড়াই। ধর্মীয় বিবেচনার দিক থেকেও 'বিশ্বাস' ধর্মের সর্বমূল স্তম্ভ। কী এমন শক্তি এই বিশ্বাসের, যাকে ধর্মভীরু মানুষেরা সর্বপ্রথম হৃদয়ে ধারণ করে? শুধুই কি ধর্মভীরু কেউ? নয় তো। আমাদের গল্পের নায়িকা কিন্তু খুব একটা ধার্মিক কিংবা ধর্মভীরু কেউ ছিলো না৷ আর না ছিলো 'বিশ্বাস' শব্দের গভীরতা বুঝার মতো স্থিরচিত্ত কেউ। বরং সে ছিলো অস্থিরমতি চঞ্চলা প্রজাপতি। যার বিশ্বাস বশ মেনেছিলো সামান্য এক লাল সুতোর বাঁধনে৷ যেই বাঁধন এক দৃঢ় বন্ধনে রূপান্তরিত হয়েছিলো সময়ের সাথে সাথে৷ দ্বিধা ভরা অসময়ে হঠাৎ তার আগমন, পুরোনো জের ধরে নতুন করে পরিচয়, কিশোরী বয়সের পাগলামি তারুণ্যে আস্থায় পরিণত হওয়া, উড়নচণ্ডী অশান্ত প্রজাপতির এক বিষণ্ণ জাদুকরের জাদুতে হঠাৎ-ই শান্ত, পরিণত হয়ে উঠা সবকিছুই আটকে আছে ওই এক বিশ্বাস নামক ধাঁধাঁয়৷ বিশ্বাস সত্যিই নিয়ে এসেছিলো তাকে শ্রুতির খুব কাছে। দারুণ কিছু স্মৃতি জমা করে, আবার সেই বিশ্বাস-ই কাঙ্খিত মানুষটিকে শ্রুতির খুব কাছ থেকে নিয়ে গিয়েছিলো অনেক অনেক দূরে। যার না নাগাল পাওয়া যায়, আর না ভুলে থাকা যায় তার স্মৃতি। দিনেদিনে কেবল নিস্তেজ হয়ে যাওয়া। বিশ্বাসের শক্তি যে বড়ো ভয়ংকর। বিশ্বাসে অসম্ভব কিছু নেই। বরং সবই সত্য, সবই সম্ভব। শ্রুতির লাল সুতোর দৃঢ় বিশ্বাস তাকে নিয়ে গিয়েছিলো নিজের চেনা-পরিচিত জগত থেকে বহু বহু দূর। একসময় নিজের ভাবনায় যা ছিলো একেবারেই অসম্ভব, সময়ের ফেরে তা যেন ক্রমেই হয়ে উঠলো সম্ভবপর সত্য। ধীরে ধীরে নিজেকেও জড়িয়ে ফেলা তার সাথে, যার নামে বেঁধেছিলো লাল সুতোর বিশ্বাস। অথচ তা ছিলো একেবারেই অকল্পনীয়। কারণ আমরা জানি, বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। অনেক অনেক চরিত্র নিয়ে লেখা দীর্ঘ একটি উপন্যাস 'হৃদয়ে মম'। যেখানে প্রতিটি চরিত্রের জীবন গল্প, লড়াই, চিন্তা-চেতনা, পরিস্থিতির বিচিত্রতা, জীবন দর্শন, স্ট্যাটাস সবকিছুই ভিন্ন ভিন্ন। তাদের কেউ জটিল, কেউ কুটিল, কেউ বা স্বচ্ছ জলের মতো ঝকঝকে হৃদয়ের। কেউ লোভে জর্জরিত, আবার কেউ অদ্যপান্ত মায়ায় আচ্ছন্ন। প্রতিটি চরিত্রের আড়ালে দীর্ঘ এক গল্পের পসরা। বর্তমান থেকে বেরিয়ে কখনো তাদের অতীত স্মৃতি রোমন্থন করে বিষণ্ণ হওয়া, কিংবা নতুন প্রজন্মদের অতীতের গল্প বলে সতর্ক করা সবকিছুই সুন্দর ছিলো। প্রতিটি চরিত্রই আলাদা ভাবে উপভোগ্য। প্রত্যকের ভাবনার গভীরতা আমাকেও ভাবিয়েছে বেশ। বিশেষ করে শ্রুতি, পুরোটা গল্পেই যার পরিস্থিতি ছিলো দারুণ অস্থিরতার। শ্রুতির অস্থিরতা কিছুক্ষণের জন্য হলেও আমার অস্থিরতা দূর করে দিয়েছিলো। আমি যেন একেবারেই ডুবে গিয়েছিলাম শ্রুতি-তে। তাছাড়া বাকিদেরও বাদ দেওয়া যায় না। প্রতিটি চরিত্র নিয়ে গোটা গল্পটাই এমন, পাঠক ঘোরগ্রস্ত হতে বাধ্য। আঞ্জুমিয় স্টাইলে লেখা ড্রামাটিক গল্প 'হৃদয়ে মম' দারুণ লেগেছে আমার। এককথায় বললে, আমি খুব মজা পেয়েছি পড়ে। শেষ পর্যন্ত আগ্রহ, কৌতুহল, উত্তেজনা ছিলো টানটান। রিভিউ: নাজিফা খান
আপনার লেখা সব সময়ই খুব ভালো লাগে। অনেক শুভকামনা।