

ছাত্র রাজনীতি করা সুমনের সাথে ইউনিভার্সিটি জীবনে প্রেম ছিল তৃণার। প্রেম হয়তো নির্দিষ্ট গন্তব্যেই পৌঁছত, কিন্তু হঠাৎ করে সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী তুলে নিয়ে যায় সুমনকে। এরপরে জীবন এগিয়ে যায় তৃণার। বিয়ে হয় শাহেদের সাথে। এর অনেক দিন পরে, বান্ধবী শেলির বিয়েতে হঠাৎ করেই দেখা হয়ে যায় সুমনের সাথে। চিনতে পারলেও অ্যাভয়েড করে চলে আসে তৃণা। ভয় পেয়ে যায়। শাহেদ ব্যাপারটা জানতে পারলে কিভাবে নেবে, এই ভেবে। ঠিক যখন ভেবেছিল, গল্পের এখানেই ইতি, তখনই আসে সুমনের ম্যাসেজ। শুরু হয় ‘মাই এক্স’এর গল্প।
কাহিনীটা কিছুটা অন্যরকম, কিন্তু ক্যারাক্টার ডেভেলোপমেন্ট অতটা ভালো না লাগায় ঠিক যেন কেয়ার করতে পারছিলাম না গল্পের চরিত্রদের। আর বেশ কিছু ব্যাপারে চরিত্রের কাজ ঠিক বিশ্বাসযোগ্য লাগলো না। এসব কারণে কিছুটা কষ্ট করেই শেষ করতে হল। সব মিলিয়ে খারাপ না, তবে অসাধারণও লাগলো না। তাই ৫ এর বদলে ৪ রেটিং দিলাম।
Read all reviews on the Boitoi app