

‘আকাঙ্ক্ষা’ মানে ইচ্ছা, বাসনা, অভিলাষ। আমাদের সবার ভেতরেই ঘুমন্ত বা জাগ্রত অবস্থায় এই ইচ্ছা , বাসনা বা অভিলাষ নামের আকাঙ্ক্ষার বীজ প্রবল ভাবেই থাকে । আমরা শুধু অপেক্ষা করি কখন সেই বীজ মাথা তুলে বেড়ে উঠবে ডালপালা মেলবে আর ক্রমেই ফুটাবে আকাঙ্ক্ষার ফুল। আমাদের সবার এই ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা সব সময় সুন্দর বা শালীন থাকেনা। সভ্য বা কম সভ্য যে কোন সমাজেই হোক না কেন সেই সামজের খুব গভীর গোপনে এই সব অশালীন আকাঙ্ক্ষার বিস্তার ক্রমেই বাড়তে থাকে কারন তাতে মিশে যায় আরও অনেক গোপন অশালীন আকাঙ্ক্ষার হাত। ‘মুনিয়া’ একা একা লড়াই করে যাচ্ছে সেই সব জঘন্য অশালীন আকাঙ্ক্ষার হাত গুলোকে ভেঙ্গে দিতে। এই সব আকাঙ্ক্ষা কোন কোন সমাজে সংস্কারে ব্যবহার হচ্ছে ধর্মের দোহাই দিয়ে। কোথাও ব্যবহার হচ্ছে সহজলভ্যতার কাঁধে ভর দিয়ে আবার কোথাও বা মূর্খতা বা সঠিক শিক্ষার অভাবের সুযোগ নিয়ে। মুনিয়ার গভীর ভালবাসা স্বামী জয়ের কাছে হেরে গেলেও তার একান্ত বিশ্বাস যে কাজে সে নেমেছে তাতে মিশে আছে তার ভেতরের নিষ্পাপ শুদ্ধ বন্ধুত্বের ভালবাসা। তাতে সফলতা তার আসবেই। মুনিয়ার কাজের মুল্য কেবল মাত্র বন্ধুতেব্র হৃদয় অনুভব করতে বা জানতে পারে। মুনিয়া জানে একদিন এই সব কুৎসিত অশালীন ইচ্ছাগুলো বিদায় নিতে বাধ্য হবেই শালীনতার হাতে ধরা পড়তেই হবে তাদের। এই পৃথিবী হবে সত্যিকারের শালীন এবং সুন্দর আকাঙ্ক্ষার ফুলে ভরা। কুৎসিত ‘আকাঙ্ক্ষার গ্রীবা’ যেন মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে আর কোন সমাজে বা সংস্কারে। ভয় দেখাতে না পারে শালীন ইচ্ছের সৎ আত্মা গুলোকে। সুন্দর ফুলগুলো ফুটে উঠুক শালীন আকাঙ্ক্ষার গ্রীবায় ভর করে। দেশ এবং যে বিদেশের মাটি আমার বর্তমান আবাস তার সমাজ ব্যবস্থার তুলনা মুলক এক ছবি এই বইয়ের ক্যানভাসে এঁকে তা আমার পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে চাওয়ার এই প্রয়াস নিয়েই আসছে আমার পরবর্তী বই ‘ আকাঙ্ক্ষার গ্রীবা’ সাথে থাকুন। বই ভালবাসুন। আসুন আমরা সবাই বেশি বেশি বই পড়ি তবেই না জয় হবে মন ও মননের শুদ্ধতার।