

ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় একবার রোকেয়া হলের এক সিনিয়র আপুর প্রেমে পড়লাম। ঢাবির প্রত্যেক সেশনেই দুই-একজন ‘ক্যাম্পাস কাঁপানো সুন্দরী’ থাকে – এই আপু সেইরকমই একজন ‘ক্যাম্পাস কাঁপানো সুন্দরী’ (ক্যাকাসু) ছিলেন। অসাধারণ গান গাইতেন – রেডিওর তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন। সে আমলেও রেডিওর তালিকাভুক্ত শিল্পীরাও বেশ আলগা ভাব নিতে পারতেন – উনিও নিতেন। আমি তখন সেকেন্ড কি থার্ড ইয়ারে পরি- ক্যাকাসু পরেন মাস্টার্সে। আমরা ছিলাম ‘টঙমেট’ অর্থাৎ দু’জনেই একি টঙ্গে আড্ডা দিতাম। তবে উনি উনার সার্কেল নিয়ে আড্ডা দিতেন, আর আমি আড্ডা দিতাম আমার সার্কেল নিয়ে। ধীরে ধীরে তার সাথে একটি মধুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে আমার, যদিও সেই সম্পর্ককে প্রেম বলা যাবে কিনা আমি জানি না। একজন ক্যাকাসু সেই মধুর সম্পর্কেরই গল্প। নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে যারা ইউনিভার্সিটি জীবন কাটিয়েছে, এই উপন্যাস তাদের জন্য। যারা জীবনে একবারের জন্য হলেও সিনিয়রের প্রেমে পড়েছেন, এই উপন্যাস তাদের জন্য। আর যারা জীবনে একবারের জন্য হলেও প্রেমে পড়েছেন, এই উপন্যাস তাদের জন্যও।
বেশ ভালো একটা উপন্যাস। গল্পের প্লটটা সাধারন হলেও লেখক এত সুন্দর করে হাস্যরস ব্যবহার করে লিখেছেন যে পড়তে খুব ভালো লেগেছে। সবচেয়ে ভালো লেগেছে উপন্যাসটির নামকরণ। শেষটা অন্যরকম হতে পারত, কিন্তু তখন হয়ত বাস্তবসম্মত মনে হত না। শুভকামনা রইল লেখকের জন্য।
Read all reviews on the Boitoi app
Pore dekhun valo lagbe
বাস্তব জীবনে অনেক কিছুই কালক্রমে ছাড়া পরে যায়, আবার কিছু বিষয় আমাদেরই ছেড়ে দিতে হয় নিজের জন্য। এই গল্পটা তেমনি কিছু। কিন্ত শেষ (চিঠির অনুরোধ যদি ক্যাকাসু কোনদিন রাখে বাস্তবে, কিংবা কল্পনাতেও) এর থেকে শুরু এর ঘটনা কি আমরা আবার পরতে চাওয়ার অনুরোধ করতে পারি না। এই গল্পের সাথে আমার পরিচয় ফেসবুকে, পরে যখন জানতে পারলাম যে বই আসছে কিন্ত আমক তা বই মেলায় গিয়ে কিনতে পারব না তখন সিধান্ত নিয়েছিলাম যে যতদিন না নিজে হাতে দেখে বইটা কিনব ততদিন আর পড়া হচ্ছে না। কিন্ত সেদিন দেখি লেখক জানালেন যে বইয়ের ডিজিটাল ভার্সন আসছে তখন আর নিজেকে সামলাতে পারি নি।