

অফিসের কাজ শেষ করে ঢাকা থেকে চিটগাংয়ের পথে রওনা হয় ফুয়াদ সাহেব। স্টেশনে পৌঁছে কাউন্টার থেকে একটা টিকিট সংগ্রহ করে সে। সূর্য ডুবে গেছে অনেক আগে। রাতের অন্ধকার গ্রাস করতে শুরু করেছে ইলেক্ট্রিক বাতির বাইরের মানুষগুলোর দৃষ্টিকে। কিন্ত প্লাটফর্মের লাইটগুলো রাতের প্লাটফর্মের সৌন্দর্য অন্য এক দৃষ্টিতে ধরা দেয় ফুয়াদ সাহেবের চোখে। ট্রেন যাত্রা শুরু করে। ট্রেন শহর পেরিয়ে দ্রুত ছুটে চলতে থাকে। প্রচন্ড ঘুম পায় ফুয়াদ সাহেবের চোখে। গভীর ঘুমে ফুয়াদ সাহেব, গায়ে শীত জড়ানো কাঁপুনি। হঠাৎ সে দেখতে পায় ট্রেনটা থেমে গেছে কোনো এক স্টেশনে। স্টেশনটা একদম আলাদা, চারিদিকে মৃদু আলোর আঁধারি শরীর হিম করা ঠাণ্ডা। সিট থেকে উঠে কেবিনের বাইরে হাঁটতে দেখতে পায় ট্রেনের লোকগুলোর চোখ যেন নিশাচর প্রাণীর মত জ্বল জ্বল করছে। ট্রেন থেকে নেমে ফুয়াদ সাহেব প্লাটফর্মে কিছুদূর হাঁটতে লোকশূন্য প্লাটফর্মে একজন লোককে লাল ফ্লাগ হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। একটু মনোযোগ দিয়ে দেখতেই ফুয়াদ সাহেব অবাক হয়ে যায়। দাঁড়িয়ে থাকা লোকটা আর কেউ না তার মৃত বাবা, যে কিনা মারা গেছে অনেক বছর আগে…