

ভেজা শহর টেক্সাস। রাত হলে প্রায় সময়ই বৃষ্টি পড়ে। টেক্সাস সিটিতে সদ্য গড়ে উঠেছে সায়েন্স সেন্টার। যার নামকরণ করা হয় জেমিক্স সায়েন্স সেন্টার। ধীরে ধীরে এর নাম ছড়িয়ে পড়ে সারাবিশ্বে। সেখানকার সায়েন্টিস্ট শুভ্র বর্তমানে খুবই বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। হঠাৎ এক রাতে রহস্য জনক ভাবে খুন হয় শুভ্রের টিমের একজন কর্মকর্তা তার নিজ এপার্টমেন্টে। কিন্তু কেনো? এই রহস্য তদন্ত করতে থাকে পুলিশ ও ডিটেকটিভ একসাথে। একদিন যেতে না যেতেই খুন হয় আরো দু'জন। তারাও সায়েন্টিস্ট শুভ্রের সহকর্মী। লাশের উপর খুনী রক্ত দিয়ে লিখে নাইন টু ফাইভ (9 to 5) রহস্য তৈরি করে দিয়ে যায়। নাইন টু ফাইভ (9 to 5) এর অর্থ কি? কি বোঝাতে চেয়েছে খুনী? ডিটেকটিভ আর পুলিশ মিলে কি বের করতে পারবে এর আসল রহস্য? নাকি রয়ে যাবে সব রহস্য তাদের চোখের আড়ালে! কে এই খুনী? খুনের পিছনে মূল কারণ কি? কে হবে খুনীর পরবর্তী শিকার? জানতে হলে পড়ুন- “নাইন টু ফাইভ” ট্রিগার লাইন : লোভ মানুষকে এতটা অন্ধ করে দেয় যে, নিজের প্রিয় মানুষগুলো খুন করতেও হাত কাপে না।
রহস্য আর টাইম ট্রাভেল এর রোমাঞ্চ নিয়ে দারুন একটা কাহিনী পড়ে শেষ করলাম। শেষটার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। পড়ে দেখতে পারেন। দুর্দান্ত!
Read all reviews on the Boitoi app
এ নিয়ে লেখকের দুটি বই পড়লাম। আগ্রহ খুব কম ছিলো কারণ এর আগে যে বইটি পড়েছি সেটায় যথেষ্ট হতাশ ছিলাম। বইটিতে 3/4টি বাক্যগঠনে এলোমেলো ভাব আছে। এখানে স্ক্রিনশট নেয়া যায় না। তাই মেনশন করা যাচ্ছে না। স্পয়লার দেয়া উচিত না। তবুও বলছি লেখার মূল অংশটি প্যারাডক্স। এ ব্যাপারটা ভালো লেগেছে। এ বইটিতে আকর্ষণ ছিলো। সত্যিই ভালো লেগেছে। পাঠক হিসেবে সন্তুষ্ট। লেখকের জন্য শুভকামনা। আশা করি ভবিষ্যতে লেখকের লেখা আরও আকর্ষণীয় ও চমকপ্রদ হবে। লেখায় আরও মনোযোগী হোন। সময় দিন। কলম চলতে থাকুক 💚💚💚