

এই বাড়ির লনের ওপর আকাশে আজ পূর্ণচন্দ্রাকলা হাসছে। বাড়ির সদর দরজার ডান দিকে পেছনে আরেকটি প্রবেশ দ্বার আছে। কাঁচাবাজার, পরিচ্ছন্নকর্মী, তিতির পাখি ও মুরগিওয়ালা, নানারকম ফেরিওয়ালা এবং গ্রামের অতিথিরা ওই দরজা দিয়ে এই বাড়িতে প্রবেশ করে থাকে ড্রইংরুমের মূল অতিথিরা এসে গেছেন এবং গান ও কবিতা পাঠও আরম্ভ হয়ে গেছে দেখে একজন আমন্ত্রিত অতিথি ওই পেছনের পথ দিয়ে এ বাড়িতে প্রবেশ করেছিল, সে একজন নারী। জাতিতে পাঠান, বয়স ষাটের কাছাকাছি। সে এ বাড়িতে নিয়মিত না হলেও মাঝেমধ্যে এসে থাকে। ভেতরে প্রবেশ করে মিসেস রোশনীর রান্নাঘরের কাজে সে কিছুটা সাহায্যও করেছিল। তারপর তাঁর থেকে একটু দূরে বসে ফাগুন, মিসেস তাজুল এবং বেগম রোশনীর গল্প শুনছিল। নিজেও কিছু কিছু কথা বলছিল। বেগম রোশনী তাঁর অতিথি ও অতিথির পুত্রবধূর সঙ্গে তাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। সে মিসেস তাজুলের সুখের দিকে মাঝে মাঝে তাকিয়ে কি যেন ভেবেছিল।