

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা বনলতা নয় সে তার নামটি তো শুধু দিশা। গভীর চোখ তুলে চায়নি তো কভু কারো দিকে বাবা-মা'র মুখ চেয়ে বাকি সব লাগে তার ফিকে। দিন শেষে বাবা তার ক্লান্ত শরীরে ফেরে নীড়ে ছুটে গিয়ে সেবা করে দিশা তার বাবাটিকে ঘিরে। পড়া শেষে মা'র কাজে হাত লাগায় লক্ষ্ণীমেয়েটি মা-বাবা দোয়া দেন প্রাণ ভরে দুই হাত করে জুটি। এর মাঝে ঘটক এসে করে যায় শুধু আনাগোনা মেয়ে যে বিয়ের লায়েক তাই কি দেখে না তারা কানা! ঘটকের প্রস্তাবে বাবা-মা ছেলে দেখতে হয় রাজী ছেলে যেন রাজপুত্র, কোনো দিক কম নয় বাবাজী। ছুটির দিনে আসে ছেলের বাড়ির সবে মেয়ে দেখতে লক্ষিমন্ত মেয়ে দ্বিধা নেই তাই পাকা কথা দিতে।