

চর্যা ভ্রূ কুঁচকে এলাহীর সামনে দাঁড়াল। নাহ্, এলাহী মুখ তুলে অবধি তাকাল না। কী অসাধারণ উপেক্ষা করতে পারে – বিয়ের তিনবছরে এই প্রথম নজরে পড়ল চর্যার।গলা ফাটিয়ে চিৎকার করলে হয়তো মেজাজ ঠান্ডা হবে কিন্তু পরক্ষণেই আস্তে আস্তে গলা ব্যথা তীব্র টনসিলের আকার নিবে। ডাক্তারের বারণ তাই চর্যাচিৎকার করল না। কিন্তু মনে মনে প্রচণ্ড চিৎকার -চেঁচামেচি চলছে। ‘পেয়েছেটা কী – মগের মুল্লুক নাকি? কী দোষ আমার সেটা তো একবার বলবে – তা না, নির্দয় পাষাণ বেদীর মতো চুপ করে থাকা। আমি কি তোমারদোষ দেখে এমন গাল ফুলিয়ে বসে থাকি? এলাহী, এবার কিন্তু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।‘ কথা গুলো মনের ভেতরে ভেতরে বলেই শরীর রাগে কাঁপতেলাগল, স্থির দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না ।
বান্ধবীর লেখা বরাবরই সুন্দর মনমুগ্ধকর
Read all reviews on the Boitoi app