

খোলা জানালার দিকে বিছানা থেকে তাকিয়ে আছে ইলিনা। ওপাশে পেঁপে গাছ। সেখানে কিছু চড়ুই পাখি কিচিরমিচির করছে। সেই কখন থেকে ভ্যাপসা গরম। আকাশের মেঘের ছায়া পড়েছে চারদিকে। বৃষ্টির গন্ধ আসছে। মিহি বাতাসও। ইলিনা বিছানা থেকে উঠে জানালার কাছটায় গিয়ে দাঁড়ায়। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে শুরু করলো তখনই। হাত বাড়িয়ে দিল সে। ভিজে গেল হাত। গায়ে শীতল হাওয়া এসে লাগছে। দীর্ঘদিন একটা বন্দি ঘরে কাটিয়ে এসে এখন নিজেকে মুক্ত বিহঙ্গ মনে হচ্ছে। শুধু বুকের ভেতর কোথাও একটা তীব্র কষ্ট, আক্ষেপ, অভিমান। নক্ষত্র পারলো এমন করতে? তার প্রতি ক্ষোভ থেকে বাসায় আরেকটি মেয়ের সঙ্গে একই বিছানায়! ভাবতেই পারে না ইলিনা। তপ্ত কিছু জল গাল বেয়ে পড়লো। উলটো হাতে মুছে নিল সে। নিজেকে শক্ত করতে হবে। পেটের সন্তানের জন্য হলেও এখন তাকে সুন্দরভাবে বাঁচতে হবে।
পাঠপ্রতিক্রিয়ার/ যবনিকায় আলো ৩ঃ যবনিকায় আলো ১ সম্পূর্ণ উপন্যাস। যবনিকায় আলো ২ পারিবারিক বিষয় নিয়া লেখা সাথে একটা খুনের রহস্য নিয়া শেষ হয়। যবনিকায় আলো ৩/ এই অংশে যবনিকায় আলো ২ এর ঘটনার রেশ ধরে শুরু। ইলিনা তার সন্তান কে বাঁচা তে পারে সবুজ থাকি পালাইয়া গিয়া। কিন্তু ভাগ্য ত দূর্গতির থাকলে যা হয় মানুষের। বেচারি পালায়া গিয়া পায় অর্পা শয়তান রে। এই শয়তান এর কথা আর লগে বজ্জাত মরিয়ম এর মিছা মাত এর লাগি আবার ইলিনা নক্ষত্রের থাকি দূরে যায়। এমনকি যোগাযোগ পযন্ত করে না ডাইনির কথা এতো বিশ্বাস করছে ইলিনা। পরে অবশ্যই আফসানা বেগম ফিরিয়া আসার পরে ইলিনার লগে যোগাযোগ করিয়া সবকিছু ঠিকঠাক করিয়া দিছে। অর্পা রে কয়েক টা থাপ্পড় দিয়া বিদায় করলে ভালা হইতো চুলের মুঠিত ধরিয়া লগে বজ্জাত মরিয়ম রে। খুনের রহস্য গোয়েন্দা সিরিজ এর মতো সুন্দর করিয়া নক্ষত্র বাহির করছে। সুলতানা বেগম ও কম অভিনয় জানেনা মাই গো মাই। সবকিছু মিলিয়া শেষ টা সুন্দর হইছে। ইলিনা উচিত কাজ করছে নক্ষত্রের দাদা, দাদি আর সুরভি রে অপমান করিয়া বিদায় করিয়া। লগে নক্ষত্রের প্রতিবাদ অনেক সুন্দর হইছে শেষ টা। ধন্যবাদ জবরুল ভাই এমন একটা থ্রিলার লেখার লাগি। আপনার আগামীর লাগি শুভকামনা।
Read all reviews on the Boitoi app
সত্যি বলতে যবনিকায় আলো সিজন ১_২_৩ অনেক সুন্দর হয়েছে,,বরাবর ই ভাইয়ার লেখা অনেক সুন্দর হয়েছে
উপন্যানটি পড়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিন্দু পরিমাণ অনীহা কাজ করেনি, এক বসায় উপন্যাস টা পড়ে শেষ করলাম, অনেক সুন্দর ছিলো উপন্যাস টা, বিশেষ করে আফসানা বেগম চরিত্র টা অসাধারণ ছিলো
সচারাচর আমি কোনো গল্পের রিভিউ দেইনি। কারণ আমি একজন চুপচাপ পাঠিকা।ফেসবুকে লেখক সাহেবের সব গল্প পড়া শেষ🥰🥰 আজ যবনিকায় আলো ৩ পড়ে শেষ।ভাইয়ার সব গল্প সামাজিকতা নিয়ে থাকে কোনো কিছুও অতিরিক্ত না।আমি অনেক গল্প ফেসবুকে পড়েছি নায়কের অতিরিক্ত রাগ নাইকার নেকামো গল্প পড়ে মনে হয় স্টার জলসার সিরিয়াল দেখি। বিয়ের পরেও মেনে না নেওয়া ইত্যাদি। লেখক সাহেবের গল্পের প্রতিটি লাইন অনুভব করার মতো। যবনিকায় আলো ২ এবং ৩ পড়ে যা বুঝতে পারছি। পুরুষরা গোটা রাজ্য সামলাতে জানলেও নিজের পরিবারকে সামলাতে পারেনা। আর নক্ষত্রেরও বুঝা উচিত ছিলো মেয়েরা এমনি এমনি সাজগোজ করেনা বায়নাও ধরেনা। এবার আসি নক্ষত্রের মহামানবী স্ত্রী কাছে যিনি মহান হতে গিয়ে স্বামীর কাছ থেকে দূরে থেকেছেন। এলিনার বুঝা উচিত ছিলো সে বিবাহিত খুনি জানার পরও যে মানুষটা তাকে ছাড়তে রাজি হয়নি সে কিভাবে অন্য মেয়ের সঙ্গ নিবে। অভিনন্দন লেখক সাহেব আশা করি আগামীতে আরো সুন্দর সুন্দর ভালো মানের প্রসংশনীয় গল্প পাবো।🥰
যবনিকায় আলো ৩ অসাধারণ সুন্দর একটি থ্রিলিং,রোমান্টিক এক জুটির মান অভিমান ভুল বুঝাবুঝির পালা শেষ এ ভালোবাসার জয় ও একজন দারুন বুদ্ধিমান ডিটেকটিভ পুলিশ অফিসারের রহস্যময় এক খুনের চমৎকার সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। নহ্মত্র ও ইলিনা দুজনেই দুজনের চারিএিক অবস্থান অনুযায়ী দারুন ছিল।মনোমুগ্ধকর লেখনী। সবকিছু মিলিয়ে দারুন লিখেছেন লেখক খুবই ভালো লাগলো 🥰
জবরুল ভাইয়ের লেখা গল্পই অসাধারণ। এটাতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই জবরূল ভাইকে , এত সুন্দর একটা বই উপহার দেয়ার জন্য। বই সম্পর্কে বলতে গেলে , নক্ষত্র একদম আমার কাছে বরাবরই সেরা চরিত্র। তার পেশাদারিত্য , তার প্রেমিকের রূপে স্বামী হওয়া, ছেলে হয়ে মায়ের প্রতি ভালবাসা সবকিছুই সেরা। ইলিনা একটু সান্ত ছিল যা ইলিনা চরিত্রে বেমানান, তবে গল্পের প্লাটফর্ম অনুযায়ী ঠিক ছিল। ইলিনার শেষ অংশের কথা গুলো ছিল অসাধারণ। অর্পার শাস্তির দরকার ছিল, এমন সংসার ভাঙ্গার চেষ্টার অপরাধ এর কঠিন শাস্তির দরকার ছিল। বাকি সবাই আমার মতে যে যার জায়গায় ঠিক ছিল।
"যবনিকায় আলো সিজন থ্রী" ইলিনার প্রতি অণ্যায় এবং ডাঃ শফিক সাহেব খুনের রহস্য গুলোর সমাধান করা হয়েছে খুব সুন্দর উপস্থাপন এ-র মধ্যে। শুরু থেকে মনোযোগ সহকারে পুরো গল্প কিছু টা সময় বিরতি নিয়ে নিয়ে পড়তে হয়েছে। ইলিনার আপোষহীন ভূমিকা অর্পার ফেইস লচ সবকিছু মিলিয়ে দারুণ ছিলো। সেই সাথে বরাবর এর মতো আফসানা বেগম চরিত্র টি দারুণ ছিলো। গল্প পড়ুন দুর্দান্ত হয়েছে শেষ টা। ইলিনা নক্ষত্র কে ফিরে পেয়ে আর ডাঃ শফিক সাহেব এ-র খুনির শাস্তি দেওয়া হয়েছে সবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ। লেখক সাহেব আপনার জন্য শুভকামনা রইল ভবিষ্যতে এমন কিছু নতুন গোয়েন্দা সিরিজ চাই আর নতুন নতুন উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে শত পাঠকের হৃদয় জায়গা তৈরি করুন সেই কামনা করে বিদায় নিচ্ছি এখন।
অর্পা বেহায়া😕।এই খন্ডে নক্ষত্র মন কেড়েছে ভীষণ।
শেষ পর্যন্ত নক্ষত্র আর ইলিনার মিল হয়ে যাওয়াতে মনে হচ্ছে এতদিনের অপেক্ষা স্বার্থক হয়েছে। ইলিনাকে দিয়ে অর্পা কে জুতার বাড়ি খাওয়ালে আর একটু বেশি খুশি লাগতো।তবে নক্ষত্রের বাড়ির লোকদের সাথে ইলিনার আপোষ না করায় শেষ টুকু একটু বেশিই ভালো লেগেছে