

যেমনটি ইতোপূর্বে অতিবাহিত হয়েছে যে, মাওলানা সাদ সাহেব উপরের নতুন বিষয়গুলোর সবকটি শূরা হযরাত ও দেশের পুরনো সাথীদের পরামর্শ, সত্যায়ন ও ঐকমত্য ব্যতিরেকে চালাতে শুরু করে ছিলেন। যার সঙ্গে মেহনতের পুরনো সাথী, বিশেষত হযরত মাওলানা ইয়াকুব সাহেব, হযরত মাওলানা ইবরাহিম দেওলা সাহেব, হযরত মাওলানা আহমদ লাট সাহেব, মাওলানা ইসমাঈল গোধরা সাহেব, ভাই ফারুক সাহেব (ব্যাঙ্গলোর), ডক্টর খালেদ সিদ্দিকি সাহেব (আলিগড়), প্রফেসর সানাউল্লাহ খান সাহেব (আলিগড়), জনাব মুহসিন উসমানি সাহেব (লাখনৌ) ও প্রফেসর আবদুর রহমান সাহেব (মাদরাজ) বিলকুল সহমত ছিলেন না। এ কারণে এ সকল হযরত তাঁদের বয়ানের মাঝে কখনই এই নতুন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতেন না। এ সকল হযরতের মধ্য হতে যাদের প্রদেশের সাথীগণ একজোট ছিলেন, তাঁদের প্রদেশে রায়ভেন্ডের মতো এই বিষয়গুলো চালু হয়নি। এ সকল হযরতও বিশৃঙ্খলার ভয়ে সাধারণ মজমার সামনে বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকতেন। তারা বছরের পর বছর এর ওপর সবর করেছেন এবং সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত না করে মেহনতের মানহাজের হিফাযতের উদ্দেশ্যে নানাভাবে ইসলাহি প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। শুরু থেকে বর্তমান অবধি এ সকল হযরত যেসকল প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন, তার বিবরণ আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।