

বড়ো চাচা অসুস্থ হবার আর সময় পায়নি। ঢাকায় যেতে হবে প্রত্যয়কে। তার উপর ঝুমুর না ডুমুরকে নিয়ে যেতে হবে সঙ্গে করে। মেয়েদের থেকে সে পারলে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। আর তাকে কিনা একটা প্রাইভেট কারের ভিতরে একসঙ্গে যেতে হবে। ফুড পয়জনিং, ডেঙ্গু, খিঁচুনি বা মূর্চ্ছা যাওয়ার মতো কোনো রোগ হতে পারে না ? চিটাগং থেকে ঢাকার রাস্তায় মাঝেমধ্যে যে দীর্ঘ জ্যাম হয় তার মাঝে এক মেয়ের সাথে গাড়ির মধ্যে…! মেয়েরা সাধারণত অধিকাংশই ঢঙ্গী। যা করবে তার সবই প্রয়োজনের অতিরিক্ত। আল্লাহর দুনিয়ায় এই নারীজাতি আজব সৃষ্টি। পরিমিতিবোধ এদের জানা নাই। যাত্রার শুরু থেকেই ঝুমুর আর প্রত্যয়ের বাকযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। বাকি পথটা কেমন কাটল চলুন জেনে নিই রোমান্টিক রম্য চোখে নামে বৃষ্টি ইবুক থেকে।
বন্যা'পুর গ্রুপেও দু'বার পড়েছিলাম প্রত্যয়-ঝুমুরকে। আপুর ই-বুক দেখেই কিনেছি। নামটা কি এটাই ছিলো? ভুলে গেছি। স্মরণশক্তি কমে গেছে। পড়তে গিয়ে দেখি ওরাই। ভালো লাগলো আবারও।❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
খুব সুন্দর!
আপনারে আমার ভালো লাগছে, I mean আপনার লেখুনী।looking forward to reading more stories of yours ❤️
ভালো লাগলো।ঝুমুর আর প্রত্যয়ের খুনসুটি পড়তে মজা লেগেছে। নুপুরকে বেশ লেগেছে কিন্তু হাসানের হদিস পেলাম না শেষ পর্যন্ত। প্রতীকের সম্পর্কে আরেকটু জানলে ভালো লাগত। শেষটা সুন্দর ছিলো।বন্যা আপুর লেখা সবসময় ঝরঝরে। শুভকামনা রইল
অসাধারণ একটি গল্প, সামাজিক জীবনের অনেক ধরনের বাঁকের সাথে পরিচয় আর হাসি কান্না আবেগের সংমিশ্রণ। আমার খুব পছন্দের লেখিকা বন্যা হোসেন। আরও নিত্য নতুন গল্পের অপেক্ষায় থাকলাম।