

বিয়ের রাত নিয়ে প্রচলিত শিহরিত ধারণা নিয়ে মৌ যখন অস্বস্তি গাঢ় হয়ে বসে ছিল , তখন ভাদ্র এসে বলল, "চা খাবে?" ভারি লেহেঙ্গা পরিহিত লজ্জারাঙা বধূ চমকাল বেশ। বিয়ের রাতে বউকে চায়ের অফার করা স্বামী বিরল কি না! বিস্মিত হয়ে বলল, "এখন চা?" কৃষ্ণকায় বদনে উজ্জ্বল হেসে সুন্দর প্রস্তাব দিল ভাদ্র, "রাতে বাসায় ফিরে চা খাওয়ার অভ্যাস আছে আমার। নিজে বানিয়ে প্রতিদিন একা একাই খাই। আজ তুমি আমার চায়ের সঙ্গী হলে না হয়?"
অসাধারণ একটা ই বই।রেকোমেন্ডেড
Read all reviews on the Boitoi app
আপ্পিতা আপুর লেখা আমার ভীষণ প্রিয়৷ ফেসবুকের লেখা গুলো পড়ে ভরসা করেই নির্দ্বিধায় ই-বুক নিয়ে নিয়েছি। প্রথম এটাই পড়লাম। অনেক অনেক অনেক মিষ্টি ছিলো গল্পটা। সেই ২০-২১ সালের করোনাকালীন সময়ে ফিরে গিয়েছিলাম। সাধারণ জনগণ হিসেবে ডাক্তারদের এই বিষয়টা সেভাবে ভাবনায় আসেনি কখনো। একদম পয়সা উসুল বই। 💙
'চা এর কাপে প্রেম' গল্পটা অনেক সুন্দর হইছে। করনাকালীন একজন ডাক্তারের সকল অজানা পরিশ্রমটা ফুটে উঠেছে। সাথে একজন ডাক্তারের বউ এর কষ্ট গুলাও। তাদের স্যাক্রিফাইস গুলা। সব মিলিয়ে গল্পটা অনেক সুন্দর হইছে।
খুব সুন্দর।
মাশাল্লাহ খুবি চমৎকার একটা গল্প 🥰🥰 গল্পটা আরেকটু বড় হলে আরও বেশি ভালো লাগতো 🙂
অসাধারন অসাধারন অসাধারন ❤️❤️❤️ আমার পড়া বেস্ট গল্প গুলোর মধ্যে এই গল্প টা অনন্য বেস্ট 😍, আমার দেখা সবচেয়ে ভদ্র রোমান্টিক নায়ক ভাদ্র💞
গল্পটায় কি ছিলো জানি নাহ...কিন্তু আমি বরংবার ভেবেছি যে গল্প টা আরেকটু বড় হলে কি খুব কি ক্ষতি হতো? সাথে মনে পড়ে গেলো ২০১৯ সালের সেই কোভিড এর কথা.... সেই সময় টা আহা😩 আর ভাদ্রের কথা কি বলবো এমন হাসবেন্ড কে নাহ চায়? প্রতিটা মেয়ের কপালে এমন ভাদ্র এর মতো সাপোর্টিভ হাসবেন্ড হোক...খুবি সুন্দর ছিলো!❤️ ওদের নিয়ে আরেকটু লিখলে মনে শান্তি পেতাম🥺 আমি কিন্তু এবার পিঞ্জর এর অপেক্ষায় আছি অপ্পিতা আপু😩 হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি😩❤️
#রিভিউ_পোস্ট #ই_বুক #চায়ের_কাপে_প্রেম লেখক: আফিয়া খোন্দকার আপ্পিতা জনরা: রোমান্টিক 🟥 কাহিনী সংক্ষেপ: গল্পটা এক ডাক্তার আর একজন সাধারণ মানবীর গল্প। তাদের বিবাহিত চায়ের কাপে প্রেমের গল্প। চা খেতে খেতেও যে এত সুন্দরভাব৷ প্রেমে পড়া যায় তা ভাদ্র আর মৌয়ের প্রেমের গল্প না পড়লে হয়তো অজানাই থাকতো। গল্পটা পড়ে আবার ২০১৯ সালের কোভিডের ভয়াবহতায় ডু মেরে আসা হলো। সে সময় একজন ডাক্তারের অক্লান্ত পরিশ্রম, নিজের জীবনের চিন্তা না করে রোগীর চিন্তা করা। সব দৃশ্য যেন এক এক করে চোখে ভাসছিল। 🟥চরিত্র বিশ্লেষণ: ▪️ভাদ্র: গল্পের মুল আকর্ষণীয় চরিত্র। কৃষ্ণ বর্ণের এক আশ্চর্য সুন্দর ব্যক্তিত্বের পুরুষ। যে ছেলে যত সুন্দর করে কথা বলতে পারে তার আকর্ষন শক্তি ততই প্রবল। তেমনই একটা চরিত্র ভাদ্র। নিজের প্রেয়শীকে আগলে রাখা, তার সকল কিছুর খেয়াল রাখাই ভাদ্র চরিত্রটার মুল আকর্ষন। ▪️মৌমিতা: ভাদ্রর এক কাপ চায়ের প্রেমিকা। একদম ভিন্ন একটা নাম না! চায়ের প্রেমিকা.. ভাদ্রর ধারাই বোধ হয় এমন নাম সম্ভব। মৌমিতার ভাদ্রর জন্য কেয়ার, তার কথা ভেবে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিবাহিত প্রেমিকের কাছে ছুটে আসা। সকল কিছুই এ চরিত্রটার উপরও মুগ্ধতা আনে। আসলে ভাদ্রের মতো প্রেমিক, লাভিং, কেয়ারিং স্বামী হলে যেকোনো মেয়েই মৌমিতা হয়ে যাবে।। 🟥 পাঠ প্রতিক্রিয়া: ভেবেছিলাম একটু ধিরে ধিরে পড়ব। যাতে গল্পটার রেশ থেকে যায়। কিন্তু যখন পড়া শুরু করলাম তখন দেখলাম পড়ছিতো পড়ছিই। থামার নাম নেই। আপুর লেখা মানেই তো একটা ঘোরের মধ্যে চলে যাওয়া। তাই হয়তো.. কৃষ্ণ রঙের ব্যাক্তিটা শুধু যে মৌমিতার আকর্ষণ কারতে পারে তা নয় কিন্তু। সকল মেয়ে জাতিরই কারকে পারে। একজন মেয়ে কখনোই একটি ছেলের শুধু রূপ দেখে পাগল হয়না। আসলে তো ছেলের ব্যক্তিত্ব, কথাবলার ধরন দেখে পাগল হয়। ছেলেদের গলায় আলাদায় একটা আকর্ষন শক্তি আছে। গল্পটা আমার কাছে ভিষণ ছোট মনে হয়েছে। মনে হলো আরও বড় হলে ওদের আরও পড়তে পারতাম। পড়ার তৃষ্ণা রয়েই গেলে.. 🟥প্রিয় কিছু লাইন: ◾"সুন্দর পুরুষ মানে সুদর্শন পুরুষ নয়। যার ব্যক্তিত্ব সুন্দর, সে সবচেয়ে সুন্দর পুরুষ। রুপ তো আল্লাহর দান, ব্যক্তিত্বই নিজের গড়া। যোগ্যতা তো ব্যক্তিত্ব গড়াতেই প্রকাশ পায়।" ◾"সবাই বিয়ের আগে প্রেম করে আমরা নাহয় বিয়ের পরে প্রেম করি? চায়ের কাপে প্রেম?" ◾"হয় পানি নয় আমাকে নিয়ে যাও। খালি ভাতে গলা ভিজবে না, মৌ।" ◾"ফেরার কারণ চা হলে, এক গামলা চা বানিয়ে পাঠিয়ে দেই, থেকে যাও।" মৌমিতা নাক টানতে টানতে হাসল। বাইরের দিয়ে তাকিয়ে বলল, "শুধু চা নয়, ফেরার কারণ বোধহয় আপনিও আছেন।" ◾"আমি আল্লাহর কাছে ঈদি হিসেবে আপনাকে চেয়েছি।" (লেখিকার কাছে আমার একটাই অনুরোধ আপু যেমন এডাল্ট সিন না দিয়েই রোমান্টিক সিন তুলে ধরে এমই যাতে লেখা থাকে সবসময়। আমার আপু মুলত এমন এডাল্ট সিন থাকার কারণে ফেসবুক গল্প পড়ে না। কিন্তু আপুকে আপ্পিতা আপুর মুসরাফার গল্পটা দেওয়ার পর আপু না খেয়েদেয়ে শুধু পড়তেই থাকতো। আমার আপুর বললাম কখনোই এত ঝোঁক নেই গল্পে। কিন্তু আপুর লেখনশৈলী আর মুসরাফা চরিত্রের মুগ্ধতায় আপুও পাগলের মতো পড়েই গেল। আপুর লেখার অনেক প্রশংসাও করলো আমার আপু।) [কোন বানান ভুল হলে দয়া করে ধরিয়ে দিবেন। ভুলক্রুটি ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন।]
কি আশ্চর্য! হুট করেই যেন সেই কোভিডের সময়টাতে চলে গেছিলাম। পুরো পৃথিবী থমকে যাওয়ার সেই সময়টাতে। পুরো গল্পটা ছিল অসাধারণ!❤️ "ভাদ্র" চরিত্রটা থেকেই "অভিক" চরিত্রের সৃষ্টি কথা টা যেন একৈবারে খাপেখাপ মিল পেলাম। করোনার সময় কালে ডাক্তাররা যে কি পরিমানের যুদ্ধ করেছিল তা সম্ভন্ধে একটু ধারণা ছিল। কিন্তু এই গল্পটা পড়ে যেন ধারণা টা আরো বৃদ্ধি পেল। ডাক্তারদের যে কত ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে তা যেন এই গল্পে ফুটে উঠেছে। প্রত্যেকটা মূহুর্তে মৃত্যু যেন চারপাশে ঘুরেছিল। সব মিলিয়ে পুরো গল্পটা যেন স্মৃতিচারণ করালো। সাথে অসাধারণ হয়েছে পুরো গল্পটা❤️ কিন্তু মন ভরেনি যেন। মন বলছে আরেকটচ বড় হলে কি হতো? আরেকটু বড় হলো না কেন?
মাশাআল্লাহ! অসাধারণ একটা গল্প পড়লাম। গল্পটা পড়তে গিয়ে সেই ২০২০ সালের ভয়াবহ সময়ের কথা মনে পড়ে গেলো। লেখিকার লেখনী মাশাআল্লাহ চমৎকার। ইশশ! প্রত্যেক মেয়ের জীবনসঙ্গী হিসেবে ভাদ্রকে চাই। লেখিকার জন্য অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইলো এতো চমৎকার একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য। ইশরাত জাহান ❤️