

শেষ বিকেলের দিকে প্রহর আফরিন কে নিয়ে বের হলো। আজ রাত করে বাসায় ফিরবে। বিয়ের পর থেকে বউ কে নিয় আলাদা ঘুরার সময়ই পাচ্ছে না। যখনই প্ল্যান করে তখনই কোনে না কেনো ভাবে প্ল্যানের দফারফা হয়ে যায়। আফরিন সাদা কালারের শাড়ি পড়েছে আর প্রহর সাদা পাঞ্জাবি। রাস্তার পাশ ঘেঁষে হেঁটে চলছে তারা। সূর্য টা প্রায় ডোবার দিকে। চারিদিক আঁধার নেমে আসছে। প্রহর আফরিন কে নিয়ে একটা খোলা ময়দানে যায়। জায়গা টা অসম্ভব সুন্দর। সারি সারি কৃষ্ণচূড়ার গাছ। পাশেই ছোট্ট বিল। বিলের উপর কাঠের ব্রিজ। মাঠের একপ্রান্তে একটা ছোট্ট কুঁড়েঘর। কুঁড়েঘরের সামনে দুটো বেঞ্চ। প্রহর আফরিন কে নিয়ে সেই বেঞ্চে বসলো। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। আহ কি সুন্দর পরিবেশ আর সাথে রয়েছে সুদর্শন পুরুষ। আফরিন মাথা এলিয়ে দিলো প্রহরের কাঁধে। প্রহর বা হাত দিয়ে কোমড় জড়িয়ে ধরলো আফরিনের। আফরিন কৃষ্ণচূড়া গাছের দিকে তাকিয়ে রইলো। ফুল গুলো কি সুন্দর দেখাচ্ছে! আফরিন মুগ্ধ হয়ে বলল- -“ দেখুন ফুল গুলো কি সুন্দর! -“ নিশ্চয়ই আমার ফুলের চেয়ে অধিক সুন্দর নয়। আফরিন তাকালো প্রহরের পানে। প্রহর তার দিকেই তাকিয়ে আছে। -“ আপনার ফুল! -“ ইয়েস আমার ফুল। এই যে তুমি,তোমার কাছে এই কৃষ্ণচূড়া ফুলের সৌন্দর্য ও ফিকে আমার মনে হয়। -“ পাম কম দিন ডাক্তার সাহেব। ফুলে যাচ্ছি তো। প্রহর ঘোর বিরোধিতা করে জানালো- -“ মোটেও পাম দিচ্ছি না। ট্রু বলেছি। -“ হয়েছে হয়েছে এখন আমাকে লাল কৃষ্ণচূড়া ফুল পেড়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা করুন। কানের পাশ টা খালি খালি লাগছে প্রেমিক পুরুষ সেদিকে কি খেয়াল আছে আপনার? প্রহর বসা থেকে উঠে দাঁড়ালো। পাশেই ছোট কৃষ্ণচূড়া গাছ থেকে ডাল টেনে ফুল ছিঁড়লো। তারপর প্রেয়সীর পাশে বসে কানে গুঁজে দিলো। আফরিন ছুঁয়ে দিলো কানের পাশে গুঁজে দেওয়া ফুল। প্রহর আফরিনের হাত নিজের হাতের মুঠোয় নিলো। তারপর হাতের পিঠে আলতো করে চুমু খেয়ে বলল- -❝শহর জুড়ে সকল কৃষ্ণচূড়া ঝড়ে যাক তবুও আমার প্রেয়সী সুখে থাক। কারন আমার একটাই তুমি। তাকে অন্নেক ভালোবাসি।❞ আফরিন খিলখিল করে হেঁসে উঠলো। প্রহর তাকিয়ে দেখলো সেই হাসি। নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবান মনে হয় আফরিন কে তার জীবনে পেয়ে।
আমি এই আপুর লেখা ফেসবুকেও গল্প পরি প্রতিদিন উনার গল্পের আশায় থাকি। আমার একটাই তুমি গল্পটা এক কথায় অসাধারণ ।।।। তুমি আপু এভাবে এগিয়ে যাও।।।
Read all reviews on the Boitoi app
শহর জুড়ে সকল কৃষ্ণচূড়া ঝড়ে যাক। তবুও আমার প্রেয়সী সুখে থাক। কারণ আমার একটাই তুমি, তাকে অন্নেক ভালোবাসি 💜🦋 কি অসাধারণ গল্পটা 🥰 জাস্ট ওয়াও। তোমার লেখনীর প্রশংসা করতে আমি ব্যর্থ গো বুবু। আমার খুব ভালো লেগেছে। এইভাবেই এগিয়ে যা-ও সফলতা তোমার সাথে অটুট ভাবে জুড়ে থাকুক বিয়ের পড়ে ভালোবাসা, দুষ্ট মিষ্টি প্রেমের গল্প। নায়ক নায়িকার একে-অপরের প্রতি সম্মান বিশ্বাস ভালোবাসা মুগ্ধ করে প্রতি লাইনে। গল্পের বাকি চরিত্রগুলো ছিলো মা'রা'ত্ম'ক সুন্দর। নায়কের ঠোঁটকাটা কথাগুলো জাস্ট ওয়াও। গল্পের চরিত্রগুলো নিয়ে কিছু কথা ❌ প্রহর রেজওয়ান : গল্পের প্রধান পুরুষ চরিত্র। যার পারসোনালিটি আমাকে বেশি মুগ্ধ করেছে। নিজের স্ত্রীর সামনে অসভ্য পুরুষ উপাধি পাওয়া এই চরিত্রটি বাইরে ছিলো কঠোর ব্যক্তিত্ব সম্পূর্ণ একজন ডাক্তার। বাবা-মা'র প্রতি ভালোবাসা আরো বেশি মুগ্ধ করে। শশুর বাড়ির প্রতি দায়িত্ব ছিলো মনকাড়া র মতো। স্ত্রীর প্রতি পবিত্র ভালোবাসা ছিলো অগাধ। আফরিন : গল্পের প্রধান নারী চরিত্র। নেকামি বিহীন এই চরিত্রটি বেশ ভালো লেগেছে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা শশুর শাশুড়ীর প্রতি শ্রদ্ধা নিজের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা মন কেড়ে নিয়েছিলো। হেমন্ত ও আয়েশা : আয়েশা হলো একটি প্রাণচঞ্চল চরিত্র। তার মিষ্টি কথা গুলো বেশ ভালো লেগেছে আমার। হেমন্ত চরিত্রটি গল্পের আরেক গম্ভীর ব্যক্তিত্ব সম্পূর্ণ চরিত্র। মায়ের প্রতি ভালোবাসা এবং স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা খুব সুন্দর ছিলো। পাপড়ি ও বেলাল : পাপড়ি ছিলো খুব শন্ত প্রকৃতির একটি মেয়ে গল্পে তার উপস্থিত কম হলেও মনকাড়া র মতো ছিলো। বেলাল এই চরিত্রটা হেব্বি ছিলো আমার খুব ভালো লেগেছে। বাকি চরিত্রগুলো ছিলো নিজ নিজ জায়গায় অসাধারণ। লেখিকার দক্ষ হাতের লেখনী দ্বারা গল্পটা করে তুলেছে অসম্ভব সুন্দর। এর জন্য লেখিকাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। গল্পের কিছু মন ছুঁয়ে যাওয়া লাইনগুলো 💜 প্রহর 💜🦋 শহর জুড়ে সকল কৃষ্ণচূড়া ঝড়ে যাক, তবুও আমার প্রেয়সী সুখে থাক। কারণ আমার একটাই তুমি, তাকে অন্নেক ভালোবাসি। প্রহর 💜🦋 পৃথিবী শুনে নেও, প্রহর রেজওয়ান তার বউকে অসম্ভব ভালোবাসে। তার নিজের চাই তেও। হেমন্ত ❤️🦋 আমার মায়ের পছন্দের মেয়ে তুমি আয়েশা। তোমার অযত্ন হেমন্ত কখনোই করবে না। ষড়ঋতুর হেমন্ত কেবল প্রতি বছর একবার করে আসে ধরণীতে, আর আমি হেমন্ত মৃ'ত্যু'র আগ অব্দি এই তোমার সাথে। পরিশেষে একটা কথা বলবো গল্পটা অসম্ভব রকমের সুন্দর। কোনো প্রকার ঝামেলা নাই গল্পে। যে গল্পটা ৪০ টাকা দিয়ে কিনে পড়বে তার টাকা উসুল হয়ে যাবে 🥰
আপু তোমার গল্প গুলো অনেক বেশি সুন্দর, তোমার ফেসবুক পেজে তোমার অনেক গল্প করছে, আর তুমি এই গল্পের যে কয়টা পর্ব ফেসবুকে দিছো সেগুলো পড়ে আমি এই বইটা কিনা। কিনছি অনেক আগে বাট পুরোটা পড়া হয়নাই। এখন পড়ছি খুব সুন্দর হয়েছে আপু,।। ❤️
প্রিয় লেখিকার এই গল্প অসাধারণ। উনি উনার গল্পের চরিত্র কাল্পনিক হলেও ভালো ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম একটা গল্প প্রকাশ করেছেন
ফেসবুক থেকে আপনার সব গল্প আমি পড়েছি। আমার সার্চবারে সব সময় আপনার নামটি থাকে ।" আমার শহরে তোমার আমন্ত্রণ " গল্পটি অসম্ভব সুন্দর।আমি আমার বোন মিলে পড়তাম। আপনি গল্প দিলেই আপুকে ফোন দিয়ে বলতাম গল্প দেয়া হইসে। ফেসবুক এ লেখার তুলনায় ই- বুক টা অটো ফুটে উঠেনি। আমার কাছে একটু খাপছাড়া, একটু বেশি সাধারণ লেগেছে। "আমার শহরে তোমার আমন্ত্রণ "গল্প পরেই আপনার রেগুলার পাঠিকা হয়েছি আর তাই ই -বুক টাও পরে ফেললাম। Honestly speaking একটাই তুমি গল্প টা এতো ভালো লাগেনি আপনার অন্য গল্পের তুলনায়। আশা করি নেক্সট ই-বুক টি সেই ঘাটতি পূরুন করে দিবে। ভালোবাসা নিবেন❣️
রাইহা জুবায়ের রিপ্তির গল্প বরাবরই আমার খুব পছন্দ। আমার একটাই তুমি গল্পটা অসাধারণ হয়েছে। আপনারা যারা এখনো পড়েননি গল্পটি, তাড়াতাড়ি করে পড়ে ফেলুন। গল্পটি খুবই সুন্দর।
লেখিকা আপু আমি আপনার সব গল্প পড়ি, আপনার লিখা সব গল্পই অসাধারণ, "আমার একটাই তুমি" এই গল্পের কথা আর কি বলবো অন্নেক অন্নেক সুন্দর, আপনার গল্প গুলো মন ছুঁয়ে দিয়ে যায় ❤️❤️
আপুর ফেসবুকের একজন পাঠিকা। সব গল্প পড়া হয় তাই এইটাও পড়লাম অনেক সুন্দর হয়েছে 💗💗💗💗🌸🌸🌸
অসাধারণ একটি লিখনী। গল্পটা পড়ে মন ভালো হয়ে গেলো।
প্রিয় লেখিকা ফেসবুকে আপনার সব গল্পই আমি পড়ি কখনো মিস করি না,,আমার একটাই তুমি ,, গল্পটা রোমান্টিক সুন্দর , ভালো লেগেছে তবে আপনার অন্য গল্প গুলো আরো সুন্দর ,, আরো বেশি ভালো লাগছে ,, আশা করি আগামীতে আরো বেশি সুন্দর এবং যতটুকু ভুল আছে সংশোধন করে লিখবেন আপনার নিয়মিত পাঠিকা,, রাগ হয়েন না প্লিজ